শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭:১১ পিএম, ২০২৫-১২-২০
চট্টগ্রাম নগরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কাতালগঞ্জসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা শিগগিরই জলাবদ্ধতামুক্ত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) কাতালগঞ্জ এলাকায় হিজড়া খাল সংস্কার কার্যক্রম পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, এ বছর বর্ষায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা কমলেও কাতালগঞ্জে পানি উঠেছিল। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, সাময়িক পরিষ্কার নয়, স্থায়ী সমাধান ছাড়া সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।
মেয়র জানান, সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডের মাধ্যমে ৩৬টি খাল খনন প্রকল্পের অংশ হিসেবে হিজড়া খাল খনন, সম্প্রসারণ ও সংস্কার করা হচ্ছে। গোল পাহাড়–মেহেদীবাগ এলাকা থেকে শুরু হয়ে কাতালগঞ্জ, পাঁচলাইশ, দামপাড়া, পশ্চিম ও পূর্ব বাকলিয়া, চকবাজার ও কাপাসগোলা হয়ে ফুলতলী–চাক্তাই খালে যুক্ত এই খালটি দীর্ঘদিন ধরে দখল ও অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণে সংকুচিত হয়ে পড়েছিল। ফলে বর্ষা ছাড়াও স্বাভাবিক সময়েও এলাকায় পানি জমে থাকত।
তিনি বলেন, গত এক বছরে জলাবদ্ধতা নিরসনে যে সমন্বিত কার্যক্রম চলছে, হিজড়া খাল সংস্কার তারই অংশ। খাল খননের সময় কিছু এলাকায় বাঁধ দেওয়ায় কাতালগঞ্জসহ কয়েকটি এলাকায় সাময়িকভাবে পানি উঠছে। তবে আগামী ফেব্রুয়ারি–মার্চের মধ্যে কাজ শেষ হলে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা দূর হবে। মেয়রের ভাষ্য অনুযায়ী, দুই থেকে তিন মাসের ভোগান্তির পর এলাকাবাসী দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাবে।
হিজড়া খালের প্রকৃত প্রস্থ প্রায় ৩০ ফুট হলেও দখলের কারণে অনেক জায়গায় তা ১২ থেকে ১৫ ফুটে নেমে এসেছে বলে জানান মেয়র। আরএস, পিএস ও বিএস ম্যাপ অনুযায়ী খালকে তার মূল প্রস্থে ফিরিয়ে আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রয়োজন হলে কিছু স্থাপনা আংশিক অপসারণ করা হবে।
মেয়র বলেন, ম্যাপে নির্ধারিত খালের জায়গার বাইরে কোনো জমি নেওয়া হবে না। প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। তবে খালের জায়গা দখল করে রাখা যাবে না।
তিনি আরও জানান, হিজড়া ও জামালখান—এই দুটি খাল নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জামালখান খাল সংস্কার কাজও একযোগে চলছে এবং জানুয়ারির মধ্যেই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
পরিদর্শনকালে মশার প্রকোপ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। কোনো এলাকায় ওষুধ ছিটানো না হলে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সচিব বা সুপারভাইজারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী আহম্মদ মঈনুদ্দিন ও বিএনপি নেতা মো. কামরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে মেয়র মশক নিধন কার্যক্রমে অংশ নেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মোহাম্মদ মনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited