শিরোনাম
আবদুল্লাহ মজুমদার : | ০৭:১১ পিএম, ২০২৬-১০-০৮
আবদুল্লাহ মজুমদার
একজন শিক্ষক ১৬ বছর ধরে অপেক্ষা করছেন। কোনো পদোন্নতির জন্য নয়, বিশেষ কোনো সুবিধার জন্যও নয়—অপেক্ষা করছেন নিজের চাকরির স্বীকৃতির জন্য। আদালতের নির্দেশ, একাধিক তদন্ত, প্রশাসনিক মতামত এবং সরকারি দপ্তরের লিখিত নির্দেশনার পরও যদি একজন শিক্ষকের এমপিওভুক্তি ঝুলে থাকে, তাহলে প্রশ্নটি শুধু তাঁর ব্যক্তিগত দুর্ভোগের নয়; প্রশ্নটি রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও জবাবদিহি নিয়েও।
চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ থানাধীন সরকারি আশেকানে আউলিয়া ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. সেলিমুজ্জমান মজুমদারের দীর্ঘদিনের এমপিও-সংক্রান্ত জটিলতা সেই প্রশ্নই সামনে এনেছে। তাঁর দাবি, নিয়োগের বৈধতা নিয়ে দীর্ঘ প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া পেরিয়ে আসার পরও তাঁর এমপিওভুক্তি এবং সরকারিকরণের জন্য পদসৃজনের বিষয়টি বাস্তবায়িত হয়নি।
ঘটনার শুরু আরও আগে। ১৯৯৭ সালের ১ অক্টোবর চট্টগ্রামের ইমাম গাজ্জালী ডিগ্রি কলেজে ব্যবস্থাপনা বিষয়ের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন সেলিমুজ্জমান মজুমদার। ১৯৯৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তিনি এমপিওভুক্ত হন। সেখানে ১২ বছরের বেশি সময় শিক্ষকতা করার পর ২০১০ সালের ৫ মে সরকার ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগবিধি অনুসরণ করে আশেকানে আউলিয়া ডিগ্রি কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে যোগ দেন। একই বছরের ২৭ ডিসেম্বর তিনি এমপিওভুক্তির জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) আবেদন করেন। এরপরই শুরু হয় দীর্ঘ জটিলতা।
তাঁর অভিযোগ, কলেজের অভ্যন্তরীণ বিরোধ, প্রশাসনিক অস্থিরতা এবং উপাধ্যক্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কেন্দ্র করে একটি মহল তাঁর নিয়োগসংক্রান্ত নথি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি করে। এমনকি নথি আটকে রেখে অর্থ দাবি করার অভিযোগও তিনি করেছেন। এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিষয়। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তাঁর নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী সময়ে একাধিক প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া হয়েছে।
বিভিন্ন তদন্ত, কলেজ গভর্নিং বডির প্রতিবেদন, মাউশির আঞ্চলিক ও অধিদপ্তর পর্যায়ের মতামত, এমপিও সভার সিদ্ধান্ত, নথি যাচাই-বাছাই কমিটির শুনানি এবং আইন শাখার পরামর্শ—সব মিলিয়ে বিষয়টি বহুবার পর্যালোচিত হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আপিল নিষ্পত্তির মাধ্যমে ২০১৩ সালের ২৯ জুলাই তাঁর নিয়োগ বাতিলের আদেশ প্রত্যাহারের কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।
এখানেই বড় প্রশ্নটি সামনে আসে—একটি নিয়োগের বৈধতা নিয়ে এতগুলো প্রশাসনিক ও আইনগত ধাপ পেরোনোর পরও যদি বিষয়টি বছরের পর বছর ঝুলে থাকে, তাহলে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের চূড়ান্ততা কোথায়?
২০১৭ সালে কলেজটি সরকারিকরণ করা হয়। সেলিমুজ্জমান মজুমদারের দাবি, বিধি অনুযায়ী তখন তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। এ নিয়ে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। পরবর্তী সময়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের করা সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল খারিজ হওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। এরপর আদালতের নির্দেশনার পর মাউশিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। এখানেই বিষয়টি আর ব্যক্তিগত অভিযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি হয়ে ওঠে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রশ্ন।
মাউশির ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবরের একটি স্মারকের কথা সামনে এসেছে। ওই স্মারকে উপাধ্যক্ষ মো. সেলিমুজ্জমান মজুমদারকে বকেয়া ব্যতীত এমপিওভুক্ত করা এবং সরকারিকরণের জন্য পদসৃজন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেছেন।
যদি এটি কার্যকর সরকারি নির্দেশ হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন খুবই স্বাভাবিক—একটি সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নে প্রায় এক বছর কেন লাগবে?
এরপর ২০২৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মাউশির চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক প্রফেসর এম এম শহিদুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে নতুন ইএমআইএস পাসওয়ার্ড দিয়ে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ এমপিও ফাইল অনলাইনে আপলোড নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে বিভাগীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরুর কথাও বলা হয়।
এখানে প্রশ্ন আরও সরল—সরকারি দপ্তরের লিখিত নির্দেশ যদি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত না হয়, তাহলে সেই নির্দেশের কার্যকারিতা কোথায়?
সরকারি নির্দেশ পালন করা কোনো ব্যক্তিগত ইচ্ছার বিষয় নয়; এটি প্রশাসনিক দায়িত্ব। ফলে নির্দেশ বাস্তবায়নে গাফিলতি থাকলে তার জবাবদিহিও থাকা উচিত।
সেলিমুজ্জমান মজুমদারের আরও অভিযোগ, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী আজিজা বেগমের সঙ্গে তাঁর বিরোধ রয়েছে। একই বিষয়ে তিনি অভিযোগকারী এবং একই সঙ্গে কলেজের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকায় তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
তাঁর অভিযোগ, কলেজে নিয়মিত উপস্থিত থাকলেও তাঁকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি শ্রেণিকক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে তাঁকে অপমান করে বের করে দেওয়ার অভিযোগও তিনি করেছেন। এ ঘটনায় তিনি ২০২৬ সালের ২১ এপ্রিল বায়েজিদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ অবশ্যই তদন্তের বিষয়। তবে একটি বিষয় উপেক্ষা করা যায় না—কোনো ব্যক্তি যদি একটি অভিযোগের পক্ষ হন এবং একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক দায়িত্বেও থাকেন, তাহলে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
এর মধ্যেই ২০২৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মাউশি থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক ও উপপরিচালককে নতুন করে ১৫ দিনের তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানা গেছে। অথচ অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, এর আগে মাউশির একাধিক কর্মকর্তা নথি যাচাই-বাছাই ও সরেজমিন তদন্ত করেছেন।
তাহলে আবার তদন্ত কেন?
তদন্তের প্রয়োজন থাকলে অবশ্যই তদন্ত হবে। কোনো অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখা প্রশাসনের দায়িত্ব। কিন্তু তদন্ত যেন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিকল্প না হয়। আর তদন্ত যেন এমন এক প্রক্রিয়ায় পরিণত না হয়, যার কোনো শেষ নেই।
একজন মানুষের কর্মজীবনের ১৬ বছর কোনো তদন্তের অপেক্ষায় পড়ে থাকতে পারে না।
কারণ সময় শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা নয়। সময় মানে হারিয়ে যাওয়া আয়, পরিবারের আর্থিক চাপ, ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা এবং অবসরজীবনের নিরাপত্তাহীনতা।
সেলিমুজ্জমান মজুমদারের দাবি, দীর্ঘ এই প্রক্রিয়ায় তিনি আর্থিক ও মানবিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছেন। বকেয়া বেতন পাওয়ার সুযোগও সীমিত হয়ে আসছে। একই সঙ্গে তাঁর চাকরির মেয়াদও শেষ হওয়ার পথে।
অর্থাৎ, যে সিদ্ধান্ত অনেক আগেই বাস্তবায়িত হওয়ার কথা ছিল, তার বিলম্বের মূল্য দিতে হচ্ছে একজন শিক্ষক ও তাঁর পরিবারকে।
এটি কোনো স্বাভাবিক প্রশাসনিক পরিস্থিতি হতে পারে না।
সরকারি চাকরি ও এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে নিয়ম আছে, বিধি আছে, তদন্তের সুযোগ আছে, আপিলের সুযোগ আছে। প্রয়োজনে আদালতের দ্বারও খোলা আছে। কিন্তু এসব ধাপ অতিক্রম করার পরও যদি একজন নাগরিক তাঁর অধিকার নিশ্চিত করতে না পারেন, তাহলে প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা কোথায় থাকবে?
এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি। অভিযোগের পক্ষে বা বিপক্ষে রায় দেওয়ার দায়িত্ব সংবাদমাধ্যমের নয়। সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব হলো প্রশ্ন তোলা। বিশেষ করে যখন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও তার বাস্তবায়নের মধ্যে অস্বাভাবিক দীর্ঘ ব্যবধান দেখা যায়, তখন সেই প্রশ্ন আরও জরুরি হয়ে ওঠে।
সেলিমুজ্জমান মজুমদার যদি কোনো অনিয়ম করে থাকেন, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাঁর নিয়োগে অনিয়ম থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তে তা প্রমাণিত হোক। কিন্তু তিনি যদি বৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের একাধিক সিদ্ধান্ত তাঁর পক্ষে গিয়ে থাকে, তাহলে তাঁর অধিকার বাস্তবায়নে আর বিলম্ব কেন—তারও স্পষ্ট জবাব প্রয়োজন।
কারণ আইন সবার জন্য সমান—এই কথাটি শুধু আদালতের রায়ে থাকলেই হবে না; প্রশাসনিক বাস্তবতাতেও তার প্রতিফলন থাকতে হবে।
এ ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ। পূর্ববর্তী সব তদন্ত, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও আদালতের নির্দেশনা এক জায়গায় এনে বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন। অভিযোগকারী ও প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে তদন্তে স্বার্থের সংঘাত এড়ানো দরকার। একই সঙ্গে নতুন করে তদন্তের প্রয়োজন থাকলে তার সময়সীমাও নির্দিষ্ট হওয়া উচিত।
সবচেয়ে বড় কথা, তদন্ত যেন বছরের পর বছর ধরে চলা একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় পরিণত না হয়।
রাষ্ট্রের প্রশাসনিক যন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি তার ক্ষমতা নয়—তার সিদ্ধান্তের বিশ্বাসযোগ্যতা।
একজন শিক্ষকের জীবনের ১৬ বছর যদি একটি ফাইল, কয়েকটি দাপ্তরিক চিঠি, তদন্ত ও পাল্টা অভিযোগের মধ্যে হারিয়ে যায়, তাহলে সেটি শুধু একজন সেলিমুজ্জমানের দুর্ভাগ্য নয়; এটি আমাদের প্রশাসনিক সংস্কৃতিরও আয়না।
একটি সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নে যদি বছরের পর বছর লাগে, আদালতের নির্দেশের পরও যদি অনিশ্চয়তা কাটে না, আর অবসরের দ্বারপ্রান্তে এসে একজন শিক্ষক যদি নিজের প্রাপ্য স্বীকৃতির জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকেন—তাহলে প্রশ্ন উঠবেই, রাষ্ট্র কি তার নাগরিকের জন্য, নাকি নাগরিকই রাষ্ট্রের ফাইলের জন্য?
এই প্রশ্নের উত্তর শুধু সেলিমুজ্জমান মজুমদারের প্রয়োজন নয়। প্রয়োজন আমাদের সবার।
কারণ আজ একজন শিক্ষকের ১৬ বছরের অপেক্ষা। আগামীকাল একই প্রশাসনিক গোলকধাঁধায় আরেকজন নাগরিকের জীবন আটকে যেতে পারে।
তাই বিষয়টিকে আর নিছক ব্যক্তিগত বিরোধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। প্রয়োজন দ্রুত, নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত নিষ্পত্তি। তদন্ত প্রয়োজন হলে তদন্ত হোক—কিন্তু নিরপেক্ষ কর্তৃপক্ষের অধীনে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে। আর পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত ও আদালতের নির্দেশনা বহাল থাকলে, তার বাস্তবায়নে আর এক দিনও অযথা বিলম্ব করা উচিত নয়।
কারণ একটি মানুষের কর্মজীবনের ১৬ বছর ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু তাঁর অবশিষ্ট সময়টুকু যেন আর একটি ফাইলের অপেক্ষায় নষ্ট না হয়—এই দায় রাষ্ট্রের।
লেখক: সাহিত্য ও মফস্বল সম্পাদক, দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম।
নিজস্ব প্রতিবেদক : যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা &ls...বিস্তারিত
মুনীর চৌধুরী : : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) এখনও কাটেনি অচলাবস্থা। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টো...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : নগরের কোতোয়ালী থানায় দায়ের হওয়া চাঁদাবাজি ও ছিনতাই মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি মো.হৃদয়কে (২৭)...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা ও সংবেদনশীল স্থাপনার ছবি ও ভিডিও ধারণের পাশাপাশি গণমাধ্যমে বন্দরের &...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : সদ্য বিদায়ী উপাচার্যকে (ভিসি) পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দà...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা যত বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার অপরাধও। অনলাইন স্ক্যাম, অচেনা লিংকে চাপ দà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited