শিরোনাম
হাটহাজারী প্রতিনিধি : | ০৬:০৭ পিএম, ২০২৫-০৪-৩০
চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কোটি টাকার সরকারি জমি দখল করে সেখানে দোকান নির্মাণের জন্য মাটি ভরাট করা হচ্ছে। এতে বন্ধ হয়ে গেছে পানি চলাচলের রাস্তা। ফলে ক্ষতির মুখে পড়েছেন এলাকার শত শত কৃষক।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়কের উপজেলার ভাঞ্জইন ব্রিজ সংলগ্ন পূর্ব দক্ষিণ পাশে লাগোয়া প্রায় ৪ শতক সরকারি জমি দখল করে সেখানে দোকান তোলার উদ্দেশ্যে মাটি ফেলা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্র বলছে, গড়দুয়ারা ইউপির সাবেক সদস্য মাহমুদ আলী কোনো অনুমতি ছাড়াই গায়ের জোরে প্রভাব খাটিয়ে এ কার্যক্রম চালাচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে এক সিন্ডিকেটকে মাটি ভরাটের দায়িত্ব দিয়েছেন, যে সিন্ডিকেট প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ‘ম্যানেজ’ করার দায়িত্বে রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে একাধিকবার গিয়ে ফিরে এসেছেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ বি এম মশিউজ্জামান জনি।
সর্বশেষ গত ১২ এপ্রিল রাতে ইউএনও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভরাট ও অবৈধ দখল কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়ে আইন অমান্যকারীদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানার কথা বলেন। তবে অভিযুক্তরা পরের দিন বেলা বারোটার দিকে ইউএনও অফিসে গেলে ইউএনও ওই টাকা আদায় না করে উল্টো ম্যানেজড হন। এরপর থেকে মাটি ভরাটের কার্যক্রম আরো বহু গুনে বেড়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সাবেক মেম্বার মোহাম্মদ আলী বলেন, “সরকারের অনুমতির কিসের দরকার? হাটহাজারীর বিভিন্ন জায়গায় যেমন চলছে, আমিও তেমন করছি। এসব বিষয়ে অনুমতি চাওয়াটা হাস্যকর। আমি ১২ লাখ টাকা খরচ করে ঠিকাদার নিয়েছি, ঠিকাদারই সব দেখভাল করবে।”
তাঁর এই বক্তব্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। অনেকের প্রশ্ন, প্রশাসনের নীরব ভূমিকা কি তাহলে কারো সঙ্গে সমঝোতার ফল?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, ইউএনও কখনো কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন, আবার কোথাও গিয়ে রহস্যজনকভাবে চুপ থাকছেন। এটা দ্বৈত নীতির পরিচায়ক। একজন বলেন, “আমার কাছ থেকে জরিমানা আদায় করা হয়েছে, অথচ মোহাম্মদ আলীর মতো প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাটহাজারী ইউএনও বলেন, “আমি ওদেরকে নিষেধ করেছি। আবার যদি মাটি ভরাট করতে দেখি, তখন ব্যবস্থা নেব।”
এদিকে স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, পানি চলাচলের পথ বন্ধ হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে আশপাশের জমিতে পানি জমে যাবে। বর্ষা মৌসুম একেবারে আসন্ন। পানি চলাচলের পথটি বন্ধ করে দিলে ধানসহ মৌসুমি ফসল ক্ষতির মুখে পড়বে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত এই অবৈধ দখল বন্ধ করে পানি চলাচলের পথ উন্মুক্ত রাখতে হবে। পাশাপাশি তারা এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
মীরসরাই প্রতিনিধি : : মীরসরাই উপজেলা প্রশাসনে নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে যোগদান করে...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশে...বিস্তারিত
বোয়ালখালী প্রতিনিধি : : আলমগীর রানা : চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে প্রায় ৪০০ দাবাড়ুর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সফলভাবে সম্পন্ন ...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধাà...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার শাহ সোবাহানিয়া সড়কের উন্নয়ন কাজে নিম্নমানের ইট à¦...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : বান্দরবানের আলীকদমে দুর্গম সীমান্ত এলাকার চিকিৎসাবঞ্চিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের পাশে দাঁড়িয়...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited