চট্টগ্রাম   বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬  

শিরোনাম

ভূমিদস্যুতার কালো সাম্রাজ্য: মন্ত্রণালয় থেকে মাঠপর্যায়ে দুর্নীতির শিকড় কত গভীর?

আ.ন.ম. তাজওয়ার আলম    |    ০৮:১০ পিএম, ২০২৬-০৬-৩০

ভূমিদস্যুতার কালো সাম্রাজ্য: মন্ত্রণালয় থেকে মাঠপর্যায়ে দুর্নীতির শিকড় কত গভীর?

বাংলাদেশের অতীতের সকল ভূমিমন্ত্রী এবং আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী, তাদের দালালচক্র, বেনামি রিয়েল এস্টেট কোম্পানি ও ভূমি প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পদের পরিমাণ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার মাধ্যমে ভূমি দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ভূমিদস্যুদের তৎপরতা চিরতরে বন্ধ করতে হলে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। রাজনৈতিক দলের পদবীধারী ভূমিদস্যুদের ক্ষমতার দাপট বন্ধ করে দিয়ে তাদেরকে ভূমিদস্যুতামূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে না পারলে সাধারণ, অসহায় ও মজলুম মানুষের সহায়-সম্পত্তি রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

গত ১৭ বছর ধরে ভূমিদস্যুদের দাপট, রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক দুর্নীতি, জাল দলিল, রেকর্ড জালিয়াতি এবং আদালতকেন্দ্রিক দীর্ঘসূত্রতার কারণে দেশের লাখো মানুষ ভূমি সংক্রান্ত হয়রানির শিকার হয়েছেন। কারও পৈতৃক ভিটা, কারও কৃষিজমি, কারও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জায়গা -সবকিছুই কখনো জাল দলিল, কখনো প্রভাবশালী দখলদার, কখনো আবার প্রশাসনিক দুর্নীতির কারণে হাতছাড়া হয়েছে।

বাংলাদেশে দুর্নীতির সবচেয়ে কম আলোচিত অথচ সবচেয়ে ভয়ংকর খাতগুলোর একটি হলো ভূমি খাত। কারণ একজন মানুষ জীবনের সব সঞ্চয় হারালেও আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে, কিন্তু নিজের পৈতৃক ভিটা বা একমাত্র জমি হারালে তার অস্তিত্বই সংকটের মুখে পড়ে।

ভূমি খাত কেন দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হলো?:
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধান এবং আদালতের পর্যবেক্ষণে বারবার উঠে এসেছে যে ভূমি খাতে দুর্নীতির সুযোগ সবচেয়ে বেশি।

একটি জমির খতিয়ান, পর্চা, নামজারি, মিউটেশন, ভূমি উন্নয়ন কর, রেকর্ড সংশোধন কিংবা রেজিস্ট্রেশনের প্রতিটি ধাপেই একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দালাল চক্র সক্রিয় থাকে। ফলে সরকার নির্ধারিত ফি কয়েক হাজার টাকা হলেও বাস্তবে একজন সেবাগ্রহীতাকে অনেক ক্ষেত্রে কয়েকগুণ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়।

গ্রামের একজন কৃষক কিংবা প্রবাসে থাকা কোনো জমির মালিক যখন নিজের জমির রেকর্ড ঠিক করতে যান, তখন তিনি প্রায়ই একটি অদৃশ্য সিন্ডিকেটের মুখোমুখি হন। এই সিন্ডিকেটে কখনো দালাল, কখনো দলিল লেখক, কখনো ভূমি অফিসের কর্মচারী, কখনো আবার রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যুক্ত থাকে।

ডিজিটাল ভূমি সেবা: আশার আলো নাকি নতুন কৌশল? :
সরকার বিগত এক দশকে ভূমি সেবা ডিজিটাল করার জন্য ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ই-নামজারি, অনলাইন খতিয়ান, অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর, ডিজিটাল ম্যাপিংসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে।
সরকারি ভাষ্যে এগুলোকে ভূমি খাতে বিপ্লব হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রযুক্তি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর হতে পারে তখনই, যখন প্রযুক্তি পরিচালনাকারী ব্যক্তিরা জবাবদিহিতার মধ্যে থাকে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখনো অভিযোগ রয়েছে যে অনলাইনে আবেদন করার পরও মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদন, সরেজমিন তদন্ত কিংবা রেকর্ড যাচাইয়ের নামে আবেদনকারীকে দালালচক্রের কাছে যেতে বাধ্য করা হয়।
ফলে অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল সিস্টেম দুর্নীতি কমানোর বদলে দুর্নীতির নতুন রূপ তৈরি করেছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।

সাবেক ভূমিমন্ত্রীকে ঘিরে আলোচিত অর্থপাচার কাণ্ড:
বাংলাদেশের ভূমি খাতে দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা করতে গেলে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদকে ঘিরে ওঠা আলোচনাগুলো উপেক্ষা করা যায় না।
দুদক, সিআইডি, আদালতের বিভিন্ন নথি এবং দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে তাঁর বিরুদ্ধে বিদেশে বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ সামনে এসেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে তাঁর ও তাঁর পরিবারের নামে যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর এবং অন্যান্য দেশে বিপুল সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে।

তদন্ত সংস্থাগুলোর দাবি অনুযায়ী, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এসব অভিযোগ আদালতে বিচারাধীন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রয়েছে। তবে এই ঘটনাগুলো দেশের মানুষের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেছে—রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সম্পদের উৎস যাচাই কি যথেষ্ট কার্যকর ছিল?

শুধু একজন মন্ত্রী নয়, তদন্ত হওয়া উচিত পুরো চেইনের:
দুর্নীতির অর্থনীতি কখনো এককভাবে পরিচালিত হয় না। যদি কোনো মন্ত্রণালয়ে ব্যাপক অনিয়ম ঘটে থাকে, তাহলে সেই অনিয়মের সুবিধাভোগী কেবল একজন ব্যক্তি নন। সেখানে কর্মকর্তা, মধ্যস্বত্বভোগী, ব্যবসায়ী, দালাল, রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং বেনামি প্রতিষ্ঠানের একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক থাকে। তাই কেবল সাবেক বা বর্তমান কোনো মন্ত্রীকে তদন্ত করলেই প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে না।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতীত ও বর্তমানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সাব-রেজিস্ট্রার, কানুনগো, সার্ভেয়ার, রেকর্ড রুম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং তাদের নিকট আত্মীয়দের সম্পদের উৎসও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সাব-রেজিস্ট্রি অফিস: দুর্নীতির অদৃশ্য কেন্দ্র:
বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ভূমি অফিসের চেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে। একটি দলিল নিবন্ধনের সময় সরকারি ফির বাইরে বিভিন্ন অঘোষিত ব্যয়ের অভিযোগ বহু পুরোনো। দলিল লেখক, উমেদার, নকলনবিশ এবং অফিসকেন্দ্রিক বিভিন্ন মধ্যস্বত্বভোগী গোষ্ঠী সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে বহুবার আলোচনায় এসেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, কিছু এলাকায় জাল জাতীয় পরিচয়পত্র, ভুয়া উত্তরাধিকার সনদ এবং জাল আমমোক্তারনামার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার জমি হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রবাসীদের জমি দখলকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন জেলায় অসংখ্য মামলা এখনো বিচারাধীন।

চট্টগ্রাম: ভূমিদস্যুতা ও পাহাড় দখলের দীর্ঘ ইতিহাস:

চট্টগ্রাম বহু বছর ধরেই ভূমিদস্যুতা, পাহাড় কাটা এবং খাসজমি দখলের অভিযোগে আলোচিত। সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলিনগর, বায়েজিদ, আকবরশাহ, খুলশী, ফৌজদারহাট এবং শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী দখলদার চক্রের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ উঠেছে। পাহাড় কেটে আবাসন নির্মাণ, সরকারি জমি দখল, ভুয়া দলিল তৈরি এবং পরিবেশ ধ্বংস করে অর্থ উপার্জনের অভিযোগে বহুবার প্রশাসনিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো -অভিযানের পরও কেন একই চক্র বারবার ফিরে আসে?
উত্তর খুঁজতে গেলে দেখা যায়, ভূমিদস্যুতা কেবল জমি দখলের অপরাধ নয়; এটি অর্থ, রাজনীতি, প্রশাসন এবং প্রভাবের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি সমান্তরাল ক্ষমতা কাঠামো।

ভূমিদস্যুদের নতুন রূপ:
রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে অনেক ভূমিদস্যুও নিজেদের পরিচয় বদলে ফেলে। গত দুই দশকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা গেছে, ক্ষমতার কেন্দ্র পরিবর্তন হওয়ার পরও একই ব্যক্তিরা নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে। ফলে সাধারণ মানুষ সরকারের পরিবর্তন দেখলেও স্থানীয় পর্যায়ে দখলদারদের পরিবর্তন দেখতে পায় না। এ কারণেই রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ভূমিদস্যুদের চিহ্নিত করা জরুরি।

বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ ফিরিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ:
বিশ্বব্যাপী দুর্নীতির অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে এখন অনেক দেশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বাংলাদেশ থেকেও অতীতে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, বিদেশে সম্পদ গোপন করতে শেল কোম্পানি, বেনামি মালিকানা, ট্রাস্ট এবং একাধিক দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা ব্যবহার করা হলে সেই সম্পদ পুনরুদ্ধার অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়ে।

তাই ভবিষ্যতে অর্থ পাচার রোধ করতে হলে শুধু অপরাধ সংঘটনের পর ব্যবস্থা নিলেই হবে না; সম্পদের উৎস যাচাই এবং সন্দেহজনক সম্পদ অর্জনের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

জরুরী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ: 
ভূমি খাতে স্থায়ী সংস্কারের জন্য কয়েকটি পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি -এক. অতীত ও বর্তমানের ভূমি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্পদের উৎস তদন্ত। দুই. ভূমি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাধ্যতামূলক সম্পদ বিবরণী প্রকাশ। তিন. জাল দলিল ও ভূমি দখলকে অর্থনৈতিক অপরাধ হিসেবে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচার। চার. রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ভূমিদস্যুতা করলে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা। পাঁচ. বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি। ছয়. ভূমি সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ আদালত গঠন। সাত. ভূমি অফিস ও রেজিস্ট্রি অফিসে দালালমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা।

ভূমিদস্যুতা শুধু জমি দখলের অপরাধ নয়; এটি রাষ্ট্রের আইনের শাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানুষের মৌলিক অধিকারের বিরুদ্ধে এক সুসংগঠিত আঘাত।

যে দেশে একজন কৃষক নিজের জমির দলিল নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভোগেন, যে দেশে একজন প্রবাসী ফিরে এসে নিজের জমি অন্যের দখলে দেখতে পান, যে দেশে খাসজমি ও পাহাড় রাতারাতি ব্যক্তিমালিকানায় চলে যায়—সেই দেশে উন্নয়ন ও সুশাসনের দাবি পূর্ণতা পায় না।

আজ প্রয়োজন দলীয় বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে একটি সর্বাত্মক শুদ্ধি অভিযান। প্রয়োজন অতীত ও বর্তমানের সব প্রভাবশালী ব্যক্তি, কর্মকর্তা, দালাল এবং ভূমিদস্যু চক্রের সম্পদের উৎস অনুসন্ধান। প্রয়োজন এমন একটি ভূমি প্রশাসন, যেখানে সাধারণ মানুষকে নিজের জমি রক্ষার জন্য আর কারও দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে না।

রাষ্ট্র যদি সত্যিই ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে, তবে দেশের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের আর্তনাদের অবসান ঘটবে। অন্যথায় ক্ষমতার পালাবদল ঘটলেও ভূমিদস্যুদের সাম্রাজ্য অটুটই থেকে যাবে।

রিটেলেড নিউজ

মেয়াদ ফুরাল, নির্বাচন হলো না

মেয়াদ ফুরাল, নির্বাচন হলো না

আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তায় প্রতিদিনের যানজট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্যের স্তূপ আর নাগরিক দুর্ভোগের ম...বিস্তারিত


রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযান: মাদক কারবারি ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে আটক ১২

রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযান: মাদক কারবারি ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে আটক ১২

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত


সড়ক দুর্ঘটনায় আর কত প্রাণ গেলে টনক নড়বে? নিরাপদ সড়কের দাবি দেশজুড়ে

সড়ক দুর্ঘটনায় আর কত প্রাণ গেলে টনক নড়বে? নিরাপদ সড়কের দাবি দেশজুড়ে

মো.আরফান উদ্দীন  : পৃথিবীর আর কোন দেশে বাংলাদেশের মতো প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় এত মানুষের প্রাণহানি ঘটে কি না, তা আমার...বিস্তারিত


মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: নীরব কূটনীতি, অনুত্তরিত প্রশ্ন ও রাষ্ট্রের দায়

মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: নীরব কূটনীতি, অনুত্তরিত প্রশ্ন ও রাষ্ট্রের দায়

আবদুল্লাহ মজুমদার : : একটি মৃত্যুদণ্ডের খবর কখনো কখনো একটি পরিবারের শোকের সীমানা ছাড়িয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধকেই কাঠগà§...বিস্তারিত


লায়ন্স ও লিও ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এলিটের উদ্যোগে দিনব্যাপী সেবামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

লায়ন্স ও লিও ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এলিটের উদ্যোগে দিনব্যাপী সেবামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

আমাদের ডেস্ক : : লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, জেলা ৩১৫-বি৪, বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এল...বিস্তারিত


বরেণ্য কবি নূরুল হকের সাথে লায়ন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বরেণ্য কবি নূরুল হকের সাথে লায়ন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আমাদের ডেস্ক : : কবিতা, সাহিত্য এবং আন্তর্জাতিক সাহিত্য বিনিময়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক সার্...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

মন্ত্রণালয়ের আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিডিএ-তে শিকড় গেঁড়েছেন হারুন!

মন্ত্রণালয়ের আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিডিএ-তে শিকড় গেঁড়েছেন হারুন!

নিজস্ব প্রতিবেদক : ​সরকারি আদেশ মানেই যেন মগের মুল্লুক! গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট বদলি আদেশকে তোয়াক্কা নà¦...বিস্তারিত


নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

স্পোর্টস ডেস্ক : : ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্ট লিভারপুলের জার্সিতে খেলেন দুজনেই। আক্রমণভাগে দুজনের রসায়নে অলরেড...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর