শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : | ০৭:৪১ পিএম, ২০২৬-০৯-১৬
সুদানের পশ্চিম কর্দোফান অঞ্চলে একটি সোনার খনি ধসে অন্তত ৬০ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এল-নাহুদ শহরের কাছে আল-জারা সোনার খনিতে একের পর এক সুড়ঙ্গ ধসে পড়ার পর বুধবার সকাল পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ৬০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তবে খনির ভেতরে আরও কতজন আটকা পড়ে আছেন, তা এখনো জানা যায়নি। নিখোঁজ শ্রমিকদের অনেকেই মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া দুই শ্রমিক বার্তা সংস্থা এএফপিকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
বেঁচে যাওয়া শ্রমিক খায়ের আল-সাইয়েদ জাবারা বলেন, রাতভর সহকর্মীদের সঙ্গে তারা উদ্ধারকাজ চালিয়েছেন।
খনি থেকে সোনা উত্তোলনে সাধারণত যেসব সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়, সেগুলো দিয়েই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শ্রমিকদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়েছে।
উদ্ধারকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ কিংবা জীবিত কাউকে উদ্ধারের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।
তবে বিপুল পরিমাণ পাথর ও মাটি সরানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালাতে ভারী যন্ত্রপাতির প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তারা।
খনির বাইরে মঙ্গলবার কাজ করছিলেন আরেক শ্রমিক আল-আমিন সুলাইমান। এএফপিকে তিনি বলেন, ‘এখানকার সবগুলো খনির সুড়ঙ্গ একে অপরের খুব কাছাকাছি। একটি সুড়ঙ্গ ধসে পড়লে পাশের সুড়ঙ্গগুলোও ধসে পড়ে।’
তিনি বলেন, ‘এখানেও সেটিই ঘটেছে। এখন পর্যন্ত ৬০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে গতকাল থেকে আরও অনেকে মাটির নিচে আটকা পড়ে আছেন। তারা বেঁচে আছেন বলে আমার মনে হয় না।’
সুদানে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে দেশটির সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে ভয়াবহ সংঘাত চলছে। এই যুদ্ধে দুই পক্ষের যুদ্ধ পরিচালনার অর্থের একটি বড় অংশ সোনা শিল্প থেকে আসে। পাশাপাশি তারা বিদেশি সহায়তাও পেয়ে থাকে।
দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাত সুদানের আগে থেকেই দুর্বল অর্থনীতিকে আরও বিপর্যস্ত করেছে। বিপুলসংখ্যক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ায় জীবিকার সন্ধানে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণভাবে সোনা উত্তোলনের কাজে যুক্ত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুদান থেকে পাচার বা রপ্তানি হওয়া সোনার প্রায় পুরোটাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মাধ্যমে যায়। তবে আরএসএফকে ব্যাপকভাবে অস্ত্র সরবরাহ করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইউএই।
আল-জারার মতো পরিত্যক্ত খনি ও অনানুষ্ঠানিক এলাকায় স্থানীয় এবং ক্ষুদ্র পরিসরে সোনা উত্তোলনের কাজ হয়। দেশটিতে উত্তোলিত সোনার বেশিরভাগই এ ধরনের ক্ষুদ্র ও কারিগরি খনি থেকে আসে।
পশ্চিম কর্দোফান বর্তমানে আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে থাকায় সেখানে বড় পরিসরে উদ্ধার অভিযান চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এর পাশের দারফুর অঞ্চলও আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই বাহিনীর বিরুদ্ধে সেখানে গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে।
আরএসএফ একটি সমান্তরাল সরকার গঠনের ঘোষণা দিলেও তাদের প্রশাসনিক সক্ষমতা এখনো সীমিত। ফলে পশ্চিম সুদানের মানুষ বেঁচে থাকার জন্য মূলত মানবিক সহায়তা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল।
ভয়াবহ এই খনি দুর্ঘটনা সুদানের যুদ্ধকবলিত পশ্চিমাঞ্চলে ঝুঁকিপূর্ণ সোনা উত্তোলনের বাস্তবতাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও শ্রমিক আটকা পড়ে থাকার আশঙ্কায় উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন সহকর্মীরা।
সূত্র: বার্তা সংস্থা এএফপি
আবদুল্লাহ মজুমদার : : পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দৈনিক আমাদের চট্টগ্রামের উদ্যোগে ‘সীরাতে মোস্তফা মাহফিল’ ...বিস্তারিত
কক্সবাজার প্রতিনিধি: : মিয়ানমার থেকে নদীপথে ইয়াবা পাচারকালে কক্সবাজার টেকনাফ সীমান্ত থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা সহ দু'জন...বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : ইসরাইল ও হিজবুল্লাহ শুক্রবার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। লেবাননে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলু...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited