শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫:৪১ পিএম, ২০২৫-১২-১৮
নগরের পাঁচলাইশ থানা এলাকায় দিনদুপুরে ব্যস্ত সড়কের পাশে নির্মাণাধীন ভবনে ঢুকে চাঁদা না পেয়ে প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনাটি ঘটে গত রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে নগরের পাঁচলাইশ থানাধীন মুরাদপুর–অক্সিজেন সড়কের হামজারবাগ এলাকায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারীরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। ভাইরাল হওয়া প্রায় দুই মিনিটের ভিডিওতে দেখা যায়, হামজারবাগ এলাকায় মো. মিজান ও জসিমের মালিকানাধীন একটি নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা। এ সময় তিন যুবক সেখানে প্রবেশ করেন। তাদের মধ্যে দুজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। তারা ভবনের ভেতরে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়লে শ্রমিকেরা আতঙ্কিত হয়ে দৌড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যান। পরে অস্ত্র হাতে নিয়েই ব্যস্ত সড়ক পার হয়ে পালিয়ে যেতে দেখা যায় সন্ত্রাসীদের।
স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনা দেখে তিনি পুলিশের জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে পাঁচলাইশ থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও এর আগেই সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, ভবন মালিক মিজান ও জসিমের কাছে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর নামে প্রায় ৮০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভয় দেখাতে এভাবে গুলি চালানো হয়। ঘটনার পর থেকে হামজারবাগ এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, একই এলাকার আমির হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলম নামের আরও দুই ব্যক্তি সন্ত্রাসীদের ভয়ে তাদের নির্মাণকাজ বন্ধ রেখেছেন।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী মিজান ও জসিম ভয়ে মুখ খুলছেন না। এ বিষয়ে পাঁচলাইশ থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা ভয়ে এখনো মামলা করেননি। তবে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। তারা বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলীর অনুসারী পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছে। ভুক্তভোগীদের মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হলেও তারা এখনো থানায় আসেননি।
উল্লেখ্য, গত ৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর জনসংযোগকালে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে তিনি ও আরও পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। ওই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সন্ত্রাসী সারোয়ার হোসেন বাবলা নিহত হন। এ ঘটনায় বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলীসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও এক মাসের বেশি সময় পার হলেও মূল শুটারদের শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। বড় সাজ্জাদের অনুসারী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ বর্তমানে কারাগারে থাকলেও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর তৎপরতা থেমে নেই। বাহিনীর অন্তত অর্ধশত সদস্য খুন, চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজিসহ নানা অপরাধে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মোহাম্মদ মনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited