শিরোনাম
রিপোর্টার | ০৭:০৮ পিএম, ২০২৬-০৭-২২
ফটিকছড়ি উপজেলায় টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢলে জনজীবন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, কৃষি, মৎস্য ও গৃহস্থালি খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এ দুর্যোগে প্রায় ১২৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কৃষি খাত। একই সঙ্গে প্রায় ২ হাজার ৫০০ পরিবার সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে উপজেলার প্রায় ৫০ কিলোমিটার পাকা সড়ক এবং ২৫ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গিয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এসব সড়ক পুনর্নির্মাণ ও সংস্কারে প্রায় ৬৫ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এছাড়া ১২টি সেতু ও ৪৫টি কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার প্রাথমিক সংস্কার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫ কোটি টাকা। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। কৃষি প্রধান এ উপজেলায় বন্যার পানিতে ৬১০ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে গিয়ে প্রায় ৭ কোটি ৮২ লাখ ৯৮ হাজার টাকার ফসলের ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের আমন ধানের বীজতলা, সবজি ও অন্যান্য মৌসুমি ফসল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সালেক জানান, কৃষি খাতের ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত প্রতিবেদন ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কোনো ধরনের সহায়তা পাওয়া যায়নি। খুব দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সরকারি সহযোগিতা পাওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন। মৎস্য খাতেও বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার ৮৯ হেক্টর আয়তনের ৫৩৩টি পুকুর ও মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৯৪ মেট্রিক টন মাছ এবং ৮ লাখ মাছের পোনা ভেসে গেছে। এ খাতে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে উপজেলার ২২০টি বসতঘর আংশিক ও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ১০ কোটি ২৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রশাসনের প্রাথমিক হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পশুপালন খাতেও দুর্যোগের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ১৫টি খামার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি প্রায় ১২ হাজার মুরগি এবং বিপুল পরিমাণ পশুখাদ্য নষ্ট হয়েছে। এ খাতে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ লাখ টাকা। উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, দুর্যোগকালে সাপে কাটার ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন। বিভিন্ন খাতে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুতের জন্য মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনো চলমান রয়েছে। ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং সরকারি সহায়তা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, সেতু, কালভার্টসহ অন্যান্য অবকাঠামো দ্রুত সংস্কার করে স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ শেষে আরও হালনাগাদ করা হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।
নিজস্ব প্রতিবেদক : কে এম আলী হাসান : মহিলাদের নিজ এলাকা বা সুবিধাজনক স্থান থেকে দূরে বা বাহিরে বদলি(Transfer) করলে ব্যক্তà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মিয়ানমারে পাচারের সময় ৩৫ হাজার কেজি ইউরিয়া সারসহ দুইজনকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পূর্ব জোà¦...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : গরমে দেশজুড়ে ভয়াবহ লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতের সংকট তীব্র আকার ধারণ কর...বিস্তারিত
ঢাকা অফিস : : কে এম আলী হাসান ধূমপান একটি সামাজিক ব্যাধি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে যত লোক মারা গেছে, ঠিক সেই একà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : "ঐতিহ্যের সাথে উন্নয়নের পথে" স্লোগানকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম মহানগর তথা বায়েজিদ বোস্তামী থাà¦...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : চেয়ারম্যান, অথোরাইজ, প্ল্যানিং শাখা নাকি ইমারতনির্মানকারী অনুমোদনে অনৈতিক আর্থিক সুবিধা নে...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited