শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:৪৬ পিএম, ২০২৬-০২-২৮
এস আলমের মালিকানায় থাকা চার ব্যাংকে রাখা আমানতের টাকা ফেরত চেয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর চট্টগ্রামের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এই চারটিসহ মোট পাঁচটি ব্যাংক একীভূত হয়ে ‘সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক পিএলসি’ নাম ধারণ করলেও প্রায় ৭৫ লাখ আমানতকারীর অর্থ ফেরত নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি বলে দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে চট্টগ্রাম নগরের মেহেদীবাগে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাসভবনের সামনে ব্যানার নিয়ে অবস্থান নেন গ্রাহকেরা। পরে মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বের হয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। এক ভুক্তভোগী নারী এ সময় মন্ত্রীকে বলেন, ব্যাংকে টাকা রেখে এখন তারা মুনাফা তো দূরের কথা, আসল টাকাও পাচ্ছেন না। আরেকজন মন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, তারা কেবল নিজেদের প্রাপ্য টাকা ফেরত চান, নিজেদের হক চান। এ সময় অনেককে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়।
আলোচনার একপর্যায়ে ভুক্তভোগীরা মন্ত্রীর হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেন। এর আগে মানববন্ধনে তাঁরা হুঁশিয়ারি দেন, অবিলম্বে দাবি মানা না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর সব শাখা অবরুদ্ধ করে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে।
চার ব্যাংক থেকেই লুট হয়েছে পৌনে ২ লাখ কোটি
ধসে পড়া পাঁচ ব্যাংকের মধ্যে চারটি ছিল চট্টগ্রামভিত্তিক বিতর্কিত শিল্পগ্রুপ এস আলমের কর্ণধার সাইফুল আলম মাসুদের নিয়ন্ত্রণে। অপর ব্যাংক এক্সিম ব্যাংক ছিল ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের। তাঁরা দুজনই ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে নামে-বেনামে তাঁদের শেয়ার ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট থেকে পাওয়া নথি পর্যালোচনা করে দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক জানান, শুধু চার ব্যাংক থেকেই এস আলম গ্রুপসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ১ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে। দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকা, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩৯ হাজার কোটি টাকা এবং ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা লুটপাটের প্রমাণ মিলেছে। এসব অভিযোগ তদন্তে টাস্কফোর্সের পাশাপাশি দুদকের একাধিক দল কাজ করছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পুরো সময়জুড়ে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে একের পর এক ব্যাংক নিয়ন্ত্রণে নেয় এস আলম গ্রুপ। পরে ঋণের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নেওয়ার মাধ্যমে দেশের আর্থিক খাতকে ভঙ্গুর অবস্থায় ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
একীভূতকরণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক পিএলসি’ করা হয়। রাষ্ট্রায়ত্ত শরিয়াভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংকটি গত বছরের ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে। দীর্ঘদিনের তারল্যসংকটে কর্মীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছে ব্যাংকটি, একই সঙ্গে গ্রাহকেরা টাকা তুলতেও নানা সমস্যায় পড়ছেন।
নতুন এই ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দেবে ২০ হাজার কোটি টাকা। আর আমানতকারীদের ১৫ হাজার কোটি টাকার আমানত শেয়ারে রূপান্তর করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মোহাম্মদ মনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited