শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭:১৮ পিএম, ২০২৬-০২-১৯
প্রথম রমজানের শুরু থেকে চট্টগ্রামের বাজারে লেবুর দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় চারগুণ মূল্য বৃদ্ধিতে বিক্রি হচ্ছে লেবু। বাজারে ছোট লেবুর হালিও এখন ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে মিলছে না, আর মাঝারি ও বড় লেবুর দাম পৌঁছেছে ১২০ থেকে ২০০ টাকায়। চট্টগ্রামের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ও অলিগলির ভ্রাম্যমাণ দোকান ঘুরে দেখা গেছে, দুই সপ্তাহ আগে যেখানে এক হালি লেবু ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, সেখানে গত সপ্তাহে দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৮০ থেকে ১০০ টাকা। বর্তমানে সর্বনিম্ন ৬০ টাকা থেকে শুরু করে অনেক জায়গায় ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও বড় আকারের লেবুর হালি ১২০ টাকা থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হলেও দরদাম করে ক্রেতারা প্রায় ১৫০-১৬০ টাকায় কিনছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের পর চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাট, চকবাজার ও কাজীর দেউড়ি বাজারে প্রতি পিস লেবুর দাম ৫০ থেকে ৩০ টাকা হাঁকতে দেখা গেছে। দর-কষাকষির পর একজন গ্রাহক দুটি লেবু কিনেছেন ৯০ টাকায়। অনেক বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লেবুর মজুদ ছিল কম। দাম বেশি। আবার অনেক বাজারে লেবু নেই বললেই চলে। যে লেবুগুলো আছে সেগুলোও পরিপক্ব নয়। একটু কম দামের যে লেবু বিক্রি হচ্ছে, সেগুলোতে রস নেই বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। তারা বলছেন, একটা শ্রেণী লেবুর বাজারে সংকট তৈরি করে রেখেছে। দেখার কেউ নেই। কিছুদিন আগেও বাজারে লেবুর ছড়াছড়ি ছিল। সেই লেবু হঠাৎ গায়েব। যা আছে সেগুলোর দাম বেশি। অনেকে বেশি দামের আশায় অপরিপক্ক লেবু গাছ থেকে নিয়ে এসেছে। বাধ্য হয়ে মানুষ সেগুলোও কিনছে। চকবাজার কাঁচা বাজারের লেবু বিক্রেতা জসিম উদ্দিন বলেন, বাজারে লেবুর সংকট। আমাদের পাইকারি বাজারেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারেও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। কিছুদিন আগেও যে দামে এক ডজন লেবু ১০০ টাকায় বিক্রি করেছি, এখন সেই দামে এক হালিও পাওয়া কঠিন। বিক্রেতাদের দাবি, অনেক চাষি রমজানে বেশি দাম পাওয়ার আশায় এখনই বাজারে লেবু ছাড়ছেন না। একই কারণে পাইকারি ব্যবসায়ীরাও লেবু মজুত করে রাখতে পারেন, কারণ এ পণ্য কিছুদিন সহজেই সংরক্ষণ করা যায়। বহদ্দারহাট কাঁচা বাজারের সামনে ভ্রাম্যমাণ ভ্যান গাড়িতে লেবু বিক্রি করেন নাজিম উদ্দীন মহন। তার ভ্যান গাড়িতে লেবু বিক্রি হয়েছে প্রতি হালি ১২০ টাকায়। এ কাঁচাবাজারের একটু ভেতরে একটি দোকানে তুলনামূলক পাকা লেবু ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। এছাড়া হামজারবাগ রাস্তার মুখে এক বৃদ্ধ রাস্তার পাশে চট বিছিয়ে ছোট আকারের লেবু ৮০ টাকা হালিতে বিক্রি করছেন। দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামলেও এর চেয়ে কম দামে কোথাও লেবু বিক্রি হতে দেখা যায়নি। বিক্রেতারা বলছেন, রমজানকে কেন্দ্র করে চাহিদা বাড়ার আগাম প্রভাব বাজারে পড়েছে। ইফতারের অন্যতম জনপ্রিয় পানীয় লেবুর শরবত হওয়ায় ধনী-গরিব সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে এ পণ্যের চাহিদা বাড়ে। ফলে রোজা শুরুর আগেই দাম বৃদ্ধিতে নিম্নআয়ের ক্রেতারা চাপে পড়েছেন। একজন ক্রেতা জানান, ১০০ টাকা পর্যন্ত বলেও এক হালি লেবু কিনতে পারেনি। হঠাৎ করেই বেড়েছে লেবুর দাম। ইফতারের অন্যতম এ অনুষঙ্গ দামের কারণেই কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বাজারে ছোট পাতি লেবু ৬০ টাকা হালিতে বিক্রি হলেও বড় লম্বা লেবুর দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। অধিকাংশ গ্রাহককে দাম নিয়ে বিক্রেতাদের সঙ্গে দরদাম করতে দেখা গেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্পষ্ট করে বলতে চাই, এখানে কোনো সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের আমরা স্পেস দিতে চাই না। যারা সিন্ডিকেট করে প...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ক্যাপশন: কদম মোবারক মুসলিম এতিমাখানার নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদ (২০২৬ - ২০২৯) এর অভিষেক ও ইফতার...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম-৯ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেছেন, চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা ব...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সংগৃহীত বর্জ্য পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুতে রূপান্তর ক...বিস্তারিত
রিপোর্টার : চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বব্যবস্থায় ব...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : কৃষি জমির টপ সয়েল কাটার কাজে সহায়তা করায় মো. জুয়েল মিয়া (৩৪) নামের এক যুবককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited