শিরোনাম
রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি : | ০৬:৪০ পিএম, ২০২২-০২-০৮
রাঙ্গুনিয়ার রাস্তার ধারে-ধারে,আম বাগানে,পাহাড়ি এলাকায় কিংবা সমতল ভূমিতে সারি সারি আম গাছে শোভা পাচ্ছে মুকুল।
মুকুলে ডেকে গাছের ডালপালা ! শোভা লাগেছে। বাতাসে ছড়াচ্ছে মুকুলের ম-ম গন্ধ,বিমোহিত করে তুলছে মানুষের মনকে।পাশাপাশি মধুমাসের আগমনী বার্তা জানাচ্ছে আমের মুকুল। আমের ফলন নির্ভর করছে আবহাওয়ার ওপর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন রাঙ্গুনিয়া বাগান মালিকরা।
বর্তমানে আম চাষি ও বাগান মালিকরা বাগান পরিচর্চায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। অবশ্য গাছে মুকুল আশার আগে থেকেই গাছের পরিচর্চা করে আসছেন তারা। রাঙ্গুনিয়া উপজেলারসহ আশেপাশে মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমের চাষ হয় পদুয়া, বাঙ্গালহালিয়া,রাঙ্গামাটি, কাপ্তাই এবং পাহাড়ে ডালুয়া স্থানে।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলার নিশ্চিন্তপুর এলাকার শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন, মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আম গাছ গুলোতে মুকুলে ভরে গেছে বাগান । তবে বড় আকারের চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল ফুটেছে। সেই মুকুলের ম ম গন্ধে বাগান মালিকদের চোখে ভাসছে সফলতার স্বপ্ন। দেশি আমের পাশাপাশি আম্রুপালি, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি জাতের আম রয়েছে। ইতোমধ্যে এসব গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা লিটন দাস বলেন, এবার আগাম মুকুল ফুটেছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে মুকুলগুলো নষ্ট হবার সম্ভাবনা নেই। আমের মুকুলের পরিচর্যায় উকুন নাশক এভোমেট্রিন ও ছত্রাকনাশক মেনকোজেভ বালাইনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
গত মৌসুমে আমের বাজার ভালো থাকায় লাভবান হয়েছিলেন চাষিরা। গত বছরের চেয়ে এ বছর রাঙ্গুনিয়ায় আম বাগান আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বাণিজ্যিকভাবে এখনো আম চাষ শুরু হয়নি। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় আমের উৎপাদন গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি হবে বলে ধারণা করছেন তিনি। তিনি আরো বলেন, আমের পরিচর্যা এবং বাগান সম্পর্কে কেউ আমাদের কাছে পরামর্শ চাইলে আমরা বিনামূল্যে পরামর্শ দেয় এবং আম গাছে স্প্রে করার জন্য আমরা যে সমস্ত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আমরা তা প্রদান করি থাকি।
এক্ষেত্রে ম্যানকোজেট গ্রুপের ছাত্রাকনাশক দুই গ্রাম অথবা ইমাডোক্লোরিড গ্রুপের দানাদার প্রতি লিটার পানিতে দশমিক দুই গ্রাম, তরল দশমিক ২৫ মিলিলিটার ও সাইপারম্যাক্রিন গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে এক মিলিমিটার মিশেয়ে স্প্রে করতে হবে বলে জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ এমপি মহোদয়ের ছোট ভাই এরশাদ মাহমুদ বলেন ,আমাদের পদুয়ায় ২ একরের বেশ কয়েকটি আম বাগান আমি করছি। গতবছর আমের মুকুল ভালো হওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে। আশা করছি এ বছরও আমার বাগানে ভালো ফল হবে। তিনি আরো বলেন আমার ২ একর আম বাগানে যে পরিমাণ ফল হয় তা এখানকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় যায়। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমের উৎপাদন বিগত বছরের তুলনায় অনেক বেশি পাওয়ার আশা করছি।
স্টাফ রিপোর্টার : : এস. এফ. এম. মোস্তাঈন বিল্লাহ পাহাড়, নদী, ঝরনা, বন আর বৈচিত্র্যময় জনজীবন প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘের...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ভোরের আলো তখনো পুরোপুরি ফোটেনি। চট্টগ্রামের কোনো এক বাসাবাড়ির রান্নাঘরে চুলা জ্বলে উঠেছে। ঘুমজড়...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : কে এম আলী হাসান বর্তমানে ইন্ডিয়ার ভিসার জন্য আবেদন করতে গিয়ে দীর্ঘ ভোগান্তি ও মোটা অংকের টাকা...বিস্তারিত
ঢাকা অফিস : : আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৭ বছর, পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমান সরকারের আমলে সরকারি অর্থ ব...বিস্তারিত
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম-নাজিরহাট রেললাইন রামগড় পর্যন্ত সম্প্রসারণের দাবি জাতীয় সংসদে তুলেছেন বন ও জলবায়ু পরিব...বিস্তারিত
ঢাকা অফিস : : দেশব্যাপী হারানো সরকারি অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ অভিয...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited