শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮:১৫ পিএম, ২০২৬-০৯-১০
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্না ও এক নারীর বিরুদ্ধে ব্যভিচার, মারধর, চুরি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নগরের আকবরশাহ থানায় মামলাটি করেন মো. নাদিম শাহ নামে এক ব্যক্তি।
মামলার আসামিরা হলেন, নুরুন্নবী মুন্না (৩৮) ও কাজী পারভীন আক্তার (৩৯)।
এর আগে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে নগরের বিশ্ব কলোনি আই-ব্লকের একটি ফ্ল্যাট থেকে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেন।
পরে আকবরশাহ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর হোসেনের আদালতে পাঠানো হলে আদালত দুজনকেই কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বাংলানিউজকে বলেন, ডিএমপির ওয়ারী থানার এসআই মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্না ও এক নারীর বিরুদ্ধে ব্যভিচার, মারধর, চুরি ও হুমকির অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন, আসামি কাজী পারভীন আক্তার তার বড় ভাই প্রবাসী মো. জহির শাহের স্ত্রী। জহির শাহ ২০১৮ সালের ২৯ মার্চ সৌদি আরবে যাওয়ার পর থেকে বাদী তার ভাইয়ের স্ত্রী ও সন্তানদের দেখাশোনা করে আসছিলেন। নুরুন্নবী মুন্না, নগরের আকবরশাহ থানায় কর্মরত থাকার সময় পারভীনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
গত ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে নুরুন্নবী মুন্না নগরের বিশ্ব কলোনি আই-ব্লকের দ্বিতীয় তলায় জহির শাহের মালিকানাধীন ফ্ল্যাটে যান। সেখানে তিনি পারভীনের সঙ্গে অবস্থান করেন। পরে গত ৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে স্থানীয় লোকজন ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে দুজনকে আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে বাদী ঘটনাস্থলে গেলে পারভীন তাকে কিল-ঘুষি মারেন এবং তার পরনের শার্টের বোতাম ছিঁড়ে ফেলেন। এ সময় নুরুন্নবী মুন্না স্থানীয়দের সামনে পারভীনকে তার স্ত্রী বলে দাবি করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ওই ফ্ল্যাট থেকে তার ভাইয়ের বিদেশ থেকে পাঠানো ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১৫ লাখ টাকা সরিয়ে ফেলেছেন। স্বর্ণালংকারগুলোর আনুমানিক মূল্য ২৬ লাখ টাকা বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয়দের অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে পুলিশ নুরুন্নবী মুন্নাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে পারভীনকেও পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪৯৪, ৪৯৭, ৩২৩, ৩৮০, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় আকবরশাহ থানায় মামলাটি করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আসাদুজ্জামান খান বাংলানিউজকে বলেন, ব্যভিচার শুধু নৈতিক অবক্ষয় নয়, এটি সমাজে নানা ধরনের অপরাধেরও জন্ম দেয়। এ ঘটনায় একজন প্রবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্টার্জিত অর্থ ও ১৩ ভরি স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সম্পদ চুরি করা হয়েছে। একজন প্রবাসী পরিবারের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে যে অর্থ-সম্পদ দেশে পাঠান, তা যদি প্রতারণা ও অনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমে চুরি করা হয়, তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক বিষয় আর হতে পারে না। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এ ঘটনায় পুলিশ বাহিনীর একজন উপপরিদর্শক জড়িত। একজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ থাকলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। কোনো প্রভাব বা চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক।
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মোহাম্মদ মনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited