শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪:৪৮ পিএম, ২০২৬-০৯-২৪
সদ্য সাবেক উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শাটডাউন কর্মসূচি চলছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস–পরীক্ষা, ল্যাব ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ আছে। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি বিভাগে বিভিন্ন বর্ষ ও সেমিস্টারে চূড়ান্ত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। তবে তা হচ্ছে না। সরেজমিনে দেখা যায়, অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আজ সকাল আটটা থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেওয়া শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে তাঁরা ফটকের পাশেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে জড়ো হোন। এর পর থেকে তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। বেলা সাড়ে ১১টায় তাঁরা সেখানেই মানববন্ধন করেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শ্রেণিকক্ষে তালা ঝুলতে দেখা গেছে। কর্মসূচিতে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী এজাজ মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের অনেকেরই পরীক্ষা চলছিল। এভাবে চললে হয়তো আমরা সেশনজটে পিছিয়ে যাব। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, সায়েম স্যার উপাচার্য হিসেবে ফিরে এলে তিনি এই সেশনজট কমিয়ে আমাদের আরও এগিয়ে নিতে পারবেন।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘এই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকেরাও অংশ নিচ্ছেন। তাই পরীক্ষা হচ্ছে না। আজ ছয়টি বিভাগে বিভিন্ন বর্ষ ও সেমিস্টারে পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।’
ক্যাম্পাসে মানববন্ধন
এদিকে বেলা সাড়ে ১১টায় অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে তাঁরা বলেন, কোনো দৃশ্যমান কারণ ছাড়াই মাত্র ৫৬ দিনের মধ্যে অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহাল করতে হবে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। মানববন্ধনে যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের দাবি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়। একজন উপাচার্যকে কেন এত অল্প সময়ে পরিবর্তন করা হলো, এর স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাই।’ গত সোমবার রাতে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদ থেকে পরিবর্তন করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর প্রতিবাদে ওই দিন রাতেই শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেন। এরপর গত মঙ্গলবার সকালে সর্বাত্মক শাটডাউন ও গণ–অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে কর্মসূচি পালন করেন। বুধবারও দ্বিতীয় দিনের মতো শাটডাউন কর্মসূচি অব্যাহত থাকে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শাটডাউন, গণ–অবস্থানসহ অন্যান্য কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
আমাদের ডেস্ক : : ‘গত আড়াই বছরে ৫০ বারের মতো সাক্ষাৎকার দিয়েছি বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে। কিছুতেই তো কিছু হলো না। এখন à¦...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় প্রতিদিনই উদ্ধার হচ্ছে মরদেহ। প্রথমে অজ্ঞাত হিসেবে উদ্à...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : প্রায় ২৮ হাজার শিক্ষার্থীর যাতায়াতের প্রধান অবলম্বন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের(চবি) শাটল ট্রেন। à...বিস্তারিত
খবর বিজ্ঞপ্তি : সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’র ট্রাস্টি বোর্ডের ৮২তম জরুরি সভা বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বায়েজ...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : নাফ নদী, সীমান্তের ওপারের পাহাড় আর বিস্তীর্ণ জলরাশির নৈসর্গিক সৌন্দর্য ঘিরে কক্সবাজারের টেকনাফেà...বিস্তারিত
রাউজান প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তনের সিন্ধান্তের প্রতিবাদে সাধাà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited