শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৩:৫৩ পিএম, ২০২৬-১১-০৪
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঘোষণা হয়নি। তবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) রোডম্যাপ ঘোষণার পর চট্টগ্রামের ইউনিয়নগুলোতে নির্বাচনী তৎপরতা বেড়েছে।
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সদস্য (মেম্বার) প্রার্থীরা আগেভাগেই মাঠ গোছাতে শুরু করেছেন।
বিশেষ করে ক্ষমতাসীন বিএনপির সমর্থন পেতে ইউনিয়ন পর্যায়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন দলটির একাধিক নেতা।
সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন তাঁরা।
জানা গেছে, চট্টগ্রামের প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির সমর্থন পেতে পাঁচ থেকে ছয়জন করে নেতা তৎপর রয়েছেন।
একাধিক নেতা একই পদে আগ্রহী হওয়ায় দলীয় সমর্থন নিয়ে তৃণমূলে অভ্যন্তরীণ বিরোধের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখা এবং মামলা-হামলার শিকার নেতাদের প্রার্থী হিসেবে বিবেচনায় রাখতে চায় বিএনপি।
দলীয় সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আওতাধীন আটটি উপজেলার সম্ভাব্য প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ে উপজেলাভিত্তিক সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে তথ্য ফরম সংগ্রহ, তাঁদের সঙ্গে সভা ও সাক্ষাৎকার এবং অতীতে দলীয় কর্মকাণ্ডে ভূমিকা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। উত্তর চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলাতেও প্রার্থী বাছাইয়ের প্রাথমিক কার্যক্রম চলছে।
রাউজান, ফটিকছড়ি ও পটিয়াসহ কয়েকটি উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্ভাব্য প্রার্থীরা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। হাটবাজার, মসজিদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। কেউ কেউ পাড়া-মহল্লা ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিজেদের প্রার্থিতার কথা জানিয়ে সমর্থন চাইছেন। স্থানীয় উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অর্থ সহায়তার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন তাঁরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার চালাচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ১৬ উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ১৯১টি। এর মধ্যে ১৮৯টি নির্বাচন উপযোগী। বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস করে পৃথক ইউনিয়ন গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। অন্যদিকে সন্দ্বীপের উড়িরচরের সীমানা বিরোধ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান। এ কারণে ইউনিয়ন দুটিতে আপাতত নির্বাচনের পরিবেশ নেই।
চট্টগ্রাম জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বশির আহমদ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গুছিয়ে রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন থেকে নির্দেশনা পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করা হবে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান বলেন, দলের দুঃসময়ে যাঁরা ভূমিকা রেখেছেন এবং যাঁদের এলাকায় জনসমর্থন রয়েছে, তাঁদের সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে দলের হাইকমান্ডের নির্দেশনা রয়েছে। তৃণমূলের মতামত ও প্রার্থীদের অতীত ভূমিকা বিবেচনায় নিয়েই প্রার্থী বাছাই করা হবে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। ৬ জুনের মধ্যে নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সেই সম্ভাব্য সময়সূচিকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে আগেভাগেই নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক : কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকবিরোধী অভিযানে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেà¦...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম বন্দরের পোর্ট বিল পরিশোধে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। এতে লেনদà§...বিস্তারিত
আ.ন.ম. তাজওয়ার আলম : নগরবাসীর পুলিশি সেবা নিশ্চিত করা, হয়রানি কমানো এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরà§...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকবিরোধী অভিযানে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেà¦...বিস্তারিত
সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি : : সীতাকুণ্ডে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) সামনে লরির ধাক্কায় একটি বাস à...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited