শিরোনাম
চন্দনাইশ প্রতিনিধি : | ০৬:১০ পিএম, ২০২৬-০৮-০৬
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে মায়ের কথিত পরকীয়ার ঘটনা দেখে ফেলায় এক শিশুসন্তানের জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ধোপাছড়ি ইউনিয়নে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার পূর্ব ধোপাছড়ি মংলার মুখ এলাকায় সৌদি আরব প্রবাসী আবদুর সাত্তারের সন্তান ও স্বজনদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল কবির, গ্রামসর্দার আবুল কাশেম, ঘটনার মীমাংসাকারী ফরিদুল ইসলাম, মনোয়ারা বেগম ও জিন্নাত আরাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা জানান, সৌদি আরব প্রবাসী আবদুর সাত্তারের সঙ্গে শাহরিয়া মিম কলি (৩২)-এর বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিন সন্তান—আবদুল্লাহ আল মামুন (১০), সাব্বির হোসেন আবিদ (৮) ও আয়েশা (৩)। জীবিকার প্রয়োজনে আবদুর সাত্তার বছরের অধিকাংশ সময় বিদেশে অবস্থান করতেন এবং উপার্জিত অর্থ স্ত্রীর কাছে পাঠাতেন।
অভিযোগে বলা হয়, স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে কলি প্রথমে প্রতিবেশী আসিফের সঙ্গে এবং পরে আসিফ বিদেশে চলে গেলে তার ভাই হানিফের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক বছরে উভয় পরিবারের মধ্যে একাধিকবার বৈঠক ও সমঝোতার চেষ্টা হয়। সর্বশেষ গত জুলাই মাসে বড় ছেলে কথিত আপত্তিকর দৃশ্য দেখে ফেললে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরে উভয় পক্ষের সম্মতিতে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।
এদিকে গত ২৭ জুলাই কলি আদালতে সন্তানদের জিম্মা চেয়ে আবেদন করলে সন্তান ও তাদের স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্বজনদের দাবি, সন্তানরা বর্তমানে মায়ের কাছে যেতে ভয় পাচ্ছে এবং নিজেদের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
মানববন্ধনে বড় ছেলে আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, "মা আমাকে ১০ টাকা দিয়ে মোবাইলে কার্টুন দেখতে বলেন এবং ছোট বোনকে দেখাশোনা করতে বলেন। কিছুক্ষণ পর বোন বেশি কান্না করলে মায়ের ঘরে গিয়ে দেখি তিনি হানিফের সঙ্গে বিছানায় ছিলেন। বিষয়টি বাবাকে জানালে মা ছুরি নিয়ে আমাকে তাড়া করেন। পরে মামা জোনাইদ আমাকে মারধর করেন। বাবার পরামর্শে আমি গ্রামের সর্দারের বাড়িতে আশ্রয় নিই।"
মেজ ছেলে সাব্বির হোসেন আবিদও মায়ের কাছে যেতে ভয় পাচ্ছে বলে মানববন্ধনে জানানো হয়।
কলির মামা এবং পূর্ববর্তী পারিবারিক বিরোধের মীমাংসাকারী মাহবুব আলম বলেন, "কলির পরকীয়ার অভিযোগ নিয়ে একাধিকবার পারিবারিকভাবে সমঝোতার চেষ্টা করা হয়েছে। বড় ছেলে ঘটনাটি দেখে ফেলায় শেষ পর্যন্ত তাদের সংসার ভেঙে যায়।"
প্রবাসী আবদুর সাত্তার বলেন, "আমার টাকা, সম্মান ও সংসার—সবই হারিয়েছি। এখন অন্তত আমার সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক।"
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে কলির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তার মা খালেদার মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি মেয়ের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দিতে রাজি হননি। ফলে এ বিষয়ে কলির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
খবর বিজ্ঞপ্তি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী হিসেবে সংবিধানে ইসলামী মূ...বিস্তারিত
বাঁশখালী প্রতিনিধি : : বাঁশখালীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর উল্টে গেছে একটি বাস। এ দুর্ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়। এতে আনোয়া...বিস্তারিত
রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি : : ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে তিন পার্বত্য জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত রাঙ্গুনিয়া এখন কৃষিপণ্যের...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার থিংকুপাড়াসহ ৩২টি দুর্গম পাহাড়ি পাড়ার দীর্ঘদিনের পানিসংকট নিরসনে ৯.৫ à...বিস্তারিত
চন্দনাইশ প্রতিনিধি : : মোঃ সবুজ মৃধা, চন্দনাইশ : চট্টগ্রামের চন্দনাইশে বরুমতি ব্রিজের পাশ থেকে মো. হাশেম (৩৭) নামের এক যুবকà...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : স্বৈরাচারী ও গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের মানুষ আর কোনোদিন রাজনীতি করার সুযোগ দেবে না বলে...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited