শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪:১১ পিএম, ২০২৬-০২-১২
চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজের অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী ফাতেমা জান্নাত লামিয়া মা ফেরদৌসী আখতারকে নিয়ে ভোট দিতে এসেছিলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পোমরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে। ভোট প্রদান শেষে লামিয়ার সঙ্গে কথা হয় । উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই প্রথম নির্বাচনে ভোট প্রদান করে ঈদের অনুভূতি পাচ্ছি। ভোট কেন্দ্রের ভেতরে-বাইরে সুন্দর পরিবেশ তৈরি করার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সকল সদস্যকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
আমরা জেন-জি’রা এমন বাংলাদেশই চেয়েছিলাম। যেখানে নিজের ভোট খুশি মনে নিজেই দিতে পারবো, কোনও বাধা থাকবে না।
তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে লিখেন, ‘আমার আসনে যিনি জনগণের কল্যাণে কাজ করবে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করবে- তাকেই ভোট দিয়েছি। তারুণ্যের প্রথম ভোট আম্মুর হাত ধরেই দিয়েছি’।
শুধু লামিয়াই নয়, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছেন অনেক জিএন-জি। তাদেরই একজন সৈয়দ মাহবুবুল আলম আয়াজ। পড়াশোনা রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে। বাড়ি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে।
তিনিও ভোট দিয়েছেন পোমরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে। ভোট দিয়ে তারও উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো। সঙ্গে ভোট দিতে এসেছিলেন তার বন্ধু রাকিব, রহিম ও মুকিম উদ্দিন।
ভাইয়ের সঙ্গে ভোট দিতে এসেছিলেন রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আফ্রিদী। তার ভাই মোহাম্মদ মাহাদী হোসেন আবিরও হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজের পদার্থবিদ্যা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
দুই ভাই ভোট দিয়ে বের হয়েই বিজয়ের চিহ্ন দেখিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাদের চাওয়া সংস্কার ও কর্মস্থান।
মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম। পড়ালেখা রাঙ্গুনিয়া সরকারি ডিগ্রী কলেজে। তিনি ভোট দিয়েছেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। কাইয়ুম অনূভুতি ব্যক্ত করে বলেন, এতো সুন্দর পরিবেশে ভোট দিতে পারবো- কল্পনাতেই ছিল না। এমন ব্যক্তিকে ভোট দিয়েছি যিনি স্বৈরাচার হয়ে উঠবেন না। জনগণের জন্য কাজ করবেন। নিজের পেট ভরার আগে জনগণের কথা চিন্তা করবেন।
রাউজান উপজেলার খেলারঘাট ইউনিয়নের শেখ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে এসেছিলেন কলেজ পড়ুয়া মোহাম্মদ সাইমন। তিনি বলেন, প্রতি বছর স্নাতক শেষ করে বের হচ্ছে বহু শিক্ষার্থী। তবে সে তুলনায় কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। যিনি দেশের বেকার সমস্যা দূর করতে পারবেন বলে আমার মনে হয়েছে, তাকেই ভোট দিয়েছি।
বাংলাদেশে মোট ভোটারের চার ভাগের এক অংশ তরুণ প্রজন্ম, যাদের বয়স ১৮ থেকে ৩৭ বছর। নির্বাচিত সরকারের প্রতি জেন-জি’দের অন্যতম চাওয়া সংস্কার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
বিশ্লেষকদের মতে, জেন-জি’দের ভোটই এবারের নির্বাচনের টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে। কারণ তাদের হাতেই আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনের পতন হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের চাহিদা পূরণে গুরুত্ব দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছে।
নির্বাচিত সরকারের প্রতি তরুণদের দাবির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- চাকরির ব্যবস্থা ও রাষ্ট্র সংস্কারের মতো বিষয়। নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় দলগুলোর প্রতি তারা আশাবাদী। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অবস্থা থেকে একটি স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে যাবে বাংলাদেশ, এমনটাই প্রত্যাশা জেন-জি’দের।
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মোহাম্মদ মনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited