শিরোনাম
ঢাকা অফিস : | ০৯:৫৩ পিএম, ২০২১-০৭-১৪
ভোটার হয়েছেন কিন্তু এখনো কোনো জাতীয় পরিচয়ত্র (এনআইডি) বা স্মার্টকার্ড পাননি, এমন নাগরিকরা মাঠ কার্যালয়ে যোগাযোগ করলেই পাবেন স্মার্টকার্ড। ২০১৯ সালে যারা ভোটার হয়েছেন তাদের দেওয়া হচ্ছে উন্নতমানে এই পরিচয়পত্র। ইসির মাঠ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, করোকালেও তারা সেবা অব্যহত রেখেছেন। ঢাকা মহানগরীতে সপ্তাহের মঙ্গলবার এবং ঢাকার বাইরে সুবিধা অনুযায়ী অফিস খোলা রেখে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে যারা এখনো ভোটার হননি, জরুরি ভিত্তিতে আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের ভোটার করে নেওয়া হচ্ছে। জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু করে ইসি। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে ২০২০ সালের ১ মার্চ। সেই সময় নতুন ৫৫ লাখ ভোটার তালিকায় যুক্ত হন। এসব ভোটারদের মধ্যে যিনি যে উপজেলায় বা থানার অধীনে ভোটার হয়েছেন, সেই নির্বাচন কার্যালয়ে যোগাযোগ করলেই পেয়ে যাবেন স্মার্টকার্ড। পর্যায়ক্রমে অন্যদেরও হবে এই কার্ড। উত্তরা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, প্রতি মঙ্গলবার আমরা করোনাকালে অফিস খোলা রাখছি। প্রিন্ট হয়ে স্মার্টকার্ড আমাদের সকল থানা/উপজেলা কার্যালয়ে চলে এসেছে। আগ্রহীরা স্বশরীরে যোগাযোগ করলেই নিতে পারবেন স্মার্টকার্ড। ভোটারদের স্মার্টকার্ড দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১১ সালের বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় আইডিইএ প্রকল্পটি হাতে নেয় ইসি। সেই সময়কার ৯ কোটি ভোটারদের হাতে উন্নতমানে এই জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে ফরাসি কোম্পানি অবারথার টেকনোলজিজকে কাজ দেয় ইসি। তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কার্ড বুঝিয়ে দিতে না পারায় নির্বাচন কমিশন বর্তমানে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির কাছ থেকে কাজটি করে নিচ্ছে। আর ফাঁকা কার্ডে তথ্য প্রবেশ করানো হচ্ছে ইসির নিজস্ব পাসোনালাইজ সেন্টারে। কার্ড প্রতি ব্যয় হচ্ছে দেড় ডলার। ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছে, অবারথার ৭ কোটি ৭৩ লাখ কার্ড সরবরাহ করতে পেরেছিল। সেই মোতাবেক পূর্বের ১ কোটি ২৭ লাখ নাগরিকের কার্ড ঘাটতি ছিল। এই কয়েক বছরে ভোটার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ১৭ লাখ। সব মিলিয়ে আরও প্রায় তিন কোটির মতো কার্ড তৈরি এবং তাতে নাগরিকের তথ্য ইনপুট করে বিতরণে যেতে হবে। আর এজন্য আইডিইএ-২ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। আর এই প্রকল্পের ১ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা অনুমোদনও দিয়েছে সরকার। ফলে কেবল নতুন ভোটারই নয়, যাদের দ্বিতীয়বার স্মার্টকার্ড প্রয়োজন, তারাও পাবেন। এ বিষয়ে আইডিইএ প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল কাদের জানিয়েছেন, অবারথারের কাছ থেকে ৯ কোটি কার্ড পাওয?ার কথা থাকলেও আমরা ৭ কোটির কিছু বেশি কার্ড পেয?েছিলাম। আরও দুই কোটি কার্ড আমাদের হাতে নেই। ২০২৫ সালের মধ্যে নিবন্ধিত সব নাগরিককে স্মার্টকার্ড দেওয়ার জন্য আমরা সব পদক্ষেপ নিচ্ছি।
স্টাফ রিপোর্টার : : এস. এফ. এম. মোস্তাঈন বিল্লাহ পাহাড়, নদী, ঝরনা, বন আর বৈচিত্র্যময় জনজীবন প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘের...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। ভারতের সঙ্গে আমদানি ও রপ্তানি দুটিই কমেছে। বড় ব্যবধা...বিস্তারিত
বান্দরবান প্রতিনিধি : : বান্দরবানের রুমা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের একজন মাঠ সংগঠক সমিতির ঋণ আদায় করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘নিজের স্বপ্নগুলোই জীবনের এভারেস্ট। জীবনের এভারেস্ট জয় করতে হলে বই পড়তে হবে। পৃথিবীকে জানতে বে...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নগরের খুলশীর কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকায় অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের জন্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : কর্ণফুলী উপজেলার কলেজ বাজার এলাকায় কাভার্ডভ্যান ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। এ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited