শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ১২:১৮ পিএম, ২০২৬-১১-০৮
লামা প্রতিনিধি :
বান্দরবানের লামায় মাতামুহুরী নদী থেকে মংচেসা মার্মা (৬০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বন্যহাতি ও বন্যশূকরের উপদ্রব থেকে ফসল রক্ষায় স্থানীয় একটি বাগানে অবৈধভাবে স্থাপিত বৈদ্যুতিক ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে লামা উপজেলার মাতামুহুরী নদীর 'হোয়াইট পিক রিসোর্ট' সংলগ্ন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মংচেসা মার্মা লামা উপজেলার ১ নম্বর গজালিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মিনঝিরি পাড়ার মৃত পাইংসাউ মার্মার ছেলে। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যুর খবরে পরিবার ও স্থানীয় মার্মা পাড়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাহাড়ি এলাকায় বন্যহাতির আক্রমণ ও বন্যশূকরের উপদ্রব থেকে বাগান ও ফসল রক্ষায় স্থানীয় কিছু বাসিন্দা বিপজ্জনক ও আইনবহির্ভূত বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেন। এরই অংশ হিসেবে হোয়াইট পিক রিসোর্টের কাছাকাছি একটি বাগানে হাতি তাড়ানোর জন্য উচ্চ ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, অসাবধানতাবশত ওই বৈদ্যুতিক ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মংচেসা মার্মার মৃত্যু হয় এবং পরবর্তীতে তাঁর দেহ নদীতে পড়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ঘটনার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট খামারের মালিক এলাকা থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি তাঁর খামারের পালিত গবাদিপশু নিয়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে এলাকায় জোর আলোচনা চলছে। তবে বিষয়টি পুলিশ এখনও নিশ্চিত করেনি।
শনিবার দুপুরে মাতামুহুরী নদীর হোয়াইট পিক রিসোর্টের নিচের অংশে পানিতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা লামা থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু তৈয়ব বলেন, “মাতামুহুরী নদীতে মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়দের সহায়তায় আমরা সেটি উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসি এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করি।”
লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কাইছার হামিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি বান্দরবান সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
ওসি আরও বলেন, “হাতি তাড়ানোর বৈদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”
এদিকে, বন্যপ্রাণী প্রতিরোধের নামে জনবসতি ও ফসলি জমিতে এমন বিপজ্জনক ও অবৈধ বৈদ্যুতিক ফাঁদ ব্যবহারের বিষয়টি নতুন করে জননিরাপত্তার উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ বা খামারি মালিকের গাফিলতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে এখন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশি তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয়রা।
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি কলেজ মাঠে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উà¦...বিস্তারিত
হাটহাজারী প্রতিনিধি : : একদিকে শিল্পকারখানার রাসায়নিক বর্জ্য, অন্যদিকে হাটবাজার ও পৌর এলাকার ময়লা-আবর্জনা। এর সঙ্গে যুক্...বিস্তারিত
বাঁশখালী প্রতিনিধি : : বাঁশখালী ৫টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে নগদ টাকাসহ ১৫ লাখ টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দা...বিস্তারিত
বোয়ালখালী প্রতিনিধি : : বোয়ালখালীতে থানার ৮০০ মিটার দূরে মিছিল করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটি প্রতিনিধিঃ "করবো সমবায় গড়বো দেশে, সবার আগে বাংলাদেশ।" এই প্রতিপাদ্যে ৫৫তম জাতীয় সমবাà§...বিস্তারিত
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি : : ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র্য...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited