শিরোনাম
কক্সবাজার প্রতিনিধি: | ০৫:২৭ পিএম, ২০২০-১০-২৬
বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বিজয়া দশমীর মহা আনন্দে মেতেছে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। গভীর শ্রদ্ধায় মা দুর্গাকে বিদায় জানাতে এবারও লাখো ভক্তের কোলাহলে মুখর হয়েছে অনুষ্ঠানস্থল।
তবে করোনা মহামারির কারণে এবারের অনুষ্ঠান হচ্ছে সংক্ষিপ্ত পরিসরে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সৈকতের লাবনী পয়েন্টে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার শেষ দিন বিজয়া দশমীতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ।
আয়োজকরা জানান, এ বছর রামু ও সদর উপজেলা মিলে অর্ধশতাধিক প্রতিমা সৈকতে বিসর্জন দেওয়া হচ্ছে। অন্য বছর আলোচনা সভাসহ নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে উৎসব সম্পন্ন হলেও এ বছর শুধুমাত্র বিসর্জন মন্ত্র পাঠ করেই প্রতিমা সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া একই সময়ে কক্সবাজারের চকরিয়ার মাতামুহুরী, টেকনাফের নাফনদী, উখিয়ার ইনানী সৈকত ও রেজুনদীতে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বিসর্জন অনুষ্ঠানকে ঘিরে দুপুর ২টা থেকে শোভাযাত্রা সহকারে প্রতিমা আসতে শুরু করে। ট্রাকে করে প্রতিমা আসতে আসতে ভরে যায় অনুষ্ঠানস্থল। সৈকতের বালুচরে রাখা দুর্গা প্রতিমা ঘিরে চলে ভক্তদের শেষ আরাধনা। শুধু তাই নয়, নাচে-গানে এক অন্য রকম আনন্দ মুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় বিশ্বের দীর্ঘতম এ সৈকত। অনুষ্ঠানকে ঘিরে সমাগম ঘটে পর্যটকসহ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা লাখো মানুষের।
রামু কেন্দ্রীয় কালী মন্দিরের পুরোহিত সুবীর ব্রাহ্মণ চৌধুরী বলেন, এবার মা দুর্গা এসেছেন দোলনায় চড়ে। যাচ্ছেন হাতির পিঠে চড়ে। এ কারণে এবার আমরা রোগ-শোকের আশঙ্কা করছি। তাই মা দুর্গার কাছে আমাদের বিশেষ প্রার্থনা ছিল মানুষ যেন বিভিন্ন রোগ-শোক থেকে রক্ষা পায়। মা দুর্গা আমাদের প্রার্থনা শুনেছেন। যে কারণে আবহাওয়া আমাদের অনুকূলেই ছিল।
জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মা জানান, এ বছর জেলায় ২৯৯টি মণ্ডপে পূজা উদযাপন হয়েছে। এরমধ্যে ১৪৪টি প্রতিমা পূজা, ১৫৫টি ঘট পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ২৬ দফা নির্দেশনা মেনে এবার দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ করে করোনা মহামারির কারণে এবার আলোচনা অনুষ্ঠান আমরা করিনি। অনুষ্ঠানস্থল নিরাপদ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনস্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনি গড়ে তোলা হয়েছে।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রণজিৎ দাশ জানান, বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠান দেশের সবচেয়ে বড় প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছরও এখানে দেশি-বিদেশি পর্যটকসহ লাখো মানুষের সমাগম হয়েছে।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, জেলার আট উপজেলার ২৯৯টি পূজামণ্ডপে তিনস্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় দুর্গোৎসবের আজ বিজয়া দশমী।
‘সমুদ্র সৈকতে বিজয়া দশমীর প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ’
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : চারপাশে সুউচ্চ পাহাড়, মাঝখানে বিস্তীর্ণ নীল জলরাশি। সেই জলরাশির বুক চিরে সাড়ে ১৩ কিলোমিটার পথ পাড়à...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে বড় ধরনের ধস নেমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে। গত বছর যেà¦...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : পাহাড়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ, চালু হয়েছে ই-লার্নিং কার্যক্রম, তৈরি হয়েছে শিà...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের পুরোনো ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনà¦...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় পাহাড়ে ঝুমখেত থেকে ধান আনতে গিয়ে বন্য শূকরের আক্রমণে হরিমনি ত্রিপুরা ...বিস্তারিত
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : : টুরিজম স্পর্ট সাজেকের উজোবাজারে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পর্যটন সড়কে অবরোধ অব্যাহত রয়েছে। পার্à...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited