শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ০৫:৩৯ পিএম, ২০২২-০৮-০২
সারা বিশ্বের মধ্যে করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে বিশ্বে অর্থনৈতিক অবস্থা ভেঙে পড়েছে। এর ফলে সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ মানুষ তাদের কর্ম হারিয়ে বেকার অবস্থায় রয়েছে। এই করোনার রেশ কাটিয়ে উঠার আগেই নতুন করে শুরু হলো রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সর্বনাশা যুদ্ধ। এর ফলে বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্ব আজ তছনছ হয়ে যাচ্ছে । নিদারুণ হতাশা , অভাব আর অজানা আতংকে স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ দিশেহারা হয়ে মৃত্যুর দারপ্রান্তে আজ পৌঁছে গেছে । এই ভয়ংকর ও মানবতাবিরোধী যুদ্ধের কোন শেষও দেখা যাচ্ছে না। তাদের জেদ এবং ক্ষমতার দম্ভের কাছে জিম্মি হয়ে আছে গোটা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ।
এই যুদ্ধের ফলে গোটা বিশ্বে আজ খাদ্য, জ্বালানি তেল ও গ্যাস সহ সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম বেড়ে আকাশচুম্বী। এমন কি এই যুদ্ধের কারণে বিশ্বের অনেক দেশ খাদ্যের অভাবে নাজেহাল অবস্থায় দিন যাপন করছে,আমদানি রপ্তানির উপর এক দেশ আরেক দেশ কে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে যা বিশ্বের ছোট দেশগুলোর জন্য বড় হুমকি বা বিপদজনক।এই যুদ্ধের আচঁ খুব কঠিন ভাবে বাংলাদেশেও পড়েছে। বিশ্ববাজারে খাদ্যশস্য সরবরাহের ক্ষেত্রে ইউক্রেন এবং রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশ্ববাজারে ইউক্রেন যেসব শস্য বড় আকারে রপ্তানি করে থাকেন তার মধ্যে রয়েছে - সানফ্লাওয়ার অয়েল, ভূট্টা, গম এবং বার্লি।
অন্যদিকে একই শস্য বিশ্ববাজারে বড় আকারে সরবরাহ করছে রাশিয়া। কিন্তু এই যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে খাদ্য শস্যের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। দাম প্রতিদিন বেড়েই চলছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে বাংলাদেশের মতো অন্যান্য দেশগুলো আজ দিশেহারা। বাংলাদেশে গম আমদানিতেও পড়েছে প্রভাব।বাংলাদেশের মানুষ ক্যালোরির জন্য ভাতের উপর নির্ভরশীল। তবে আটা-ময়দার উপরও ধীরে ধীরে নির্ভরশীলতা বাড়ছে। আর এই আটা ময়দা আসে গম থেকে।
ইন্টারনেশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর গবেষণার প্রবন্ধে বলা হয়েছে গত ২০ বছরে বাংলাদেশে গমের চাহিদা প্রায় দ্বিগুণ।
বাংলাদেশ তার চাহিদার ৮০ শতাংশ গম আমদানি করে রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে। কিন্তু সেই গম সরবরাহে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় গমের দাম বেড়ে গেছে। ফলে আটা-ময়দার দাম বেড়েছে। সেই সাথে আটা-ময়দা দিয়ে তৈরি খাদ্যের দামও বেড়েছে।
এভাবে যদি চলতে থাকে হয়তো আগামীতে বিশ্বে এক মহা খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে।
এমতাবস্থায়,রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন,আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো-বাইডেন , ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সহ জাতিসংঘ , পশ্চিমা দেশ সমূহ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতি নির্ধারকদের নিকট এই সর্বগ্রাসী যুদ্ধ আর কাল বিলম্ব না করে এই মুহূর্তে বন্ধ করে ভয়ার্ত বিশ্বে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য আমি জোর দাবী জানাচ্ছি। ক্ষমতার দম্ভ ও জেদের নিকট বিশ্ব মানবতা ও সভ্যতা আজ বড় অসহায় ও বিপন্ন । তাই এখনি এই যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে, তা না হলে বিশ্বের ক্ষুধার্ত লক্ষ লক্ষ মানুষ না খেয়ে মারা যাবে এবং ইতিহাসে আপনারা হিটলার ও মুসোলিনির মত কলংকিত হয়ে থাকবেন । সেই সাথে এই মানবতা বিধ্বংসী যুদ্ধ এখনি বন্ধ করার জন্য বিশ্বের সকল দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানদেরকেও সোচ্চার হওয়ার হতে হবে।
লেখক
মুহাম্মদ আলী
মহাসচিব, বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন
আবদুল্লাহ মজুমদার : : রাতের নীরবতায় একটি মুঠোফোনের পর্দায় ভেসে উঠেছিল বাবার কাছে পাঠানো মেয়ের শেষ আকুতি। নিজের অবস্থান...বিস্তারিত
আ.ন.ম. তাজওয়ার আলম : দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নগুলোর একটি - সবাই হঠাৎ সরকারপন্থী জাতীয়তাবাদà...বিস্তারিত
মামুনুর রশিদ সেলিম : চট্টগ্রামে উদ্যোক্তাদের নিয়ে নেক্সট লিডার্সের ‘ফাউন্ডার্স গেট-টুগেদার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং সে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ফেসবুকের দেয়ালে হঠাৎ একটি ছবি ভেসে ওঠে। পরিচিত কোনো মুখ—কখনো মঞ্চে, কখনো সভায়, কখনো কোনো অনুষ্ঠাà¦...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ক্ষমতার আলো যেমন চিরস্থায়ী নয়, তেমনি তার ছায়াও দীর্ঘস্থায়ী হয়। ইতিহাসের প্রতিটি রাজনৈতিক পা...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : কিছু মানুষ আছেন, যাঁদের জীবন কোনো শিরোনামে ধরা পড়ে না, কোনো আলোচনায় দীর্ঘ হয় না; তবুও তাঁদের নীরব উপà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited