শিরোনাম
স্টাফ রিপোর্টার : | ০৮:০৫ পিএম, ২০২০-০৯-০৯
চিংড়ি মাছের মাথায় একধরনের স্বচ্ছ জেলি ভরে ওজন বাড়ানো হচ্ছে। বিক্রি হচ্ছে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য।
জর্দা, জিলাপি, বুরিন্দা, মিষ্টি রাঙানোর জন্য বিক্রি হচ্ছে অননুমোদিত রং। হাত বাড়ালেই নিষিদ্ধ এনার্জি ড্রিংক। ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ, মেয়াদবিহীন কাটা ওষুধ। সব মিলে পণ্যের ওজন, মানে ঠকছেন ভোক্তারা।
বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের নিয়মিত বাজার তদারকি অভিযানে এমন চিত্র উঠে আসে।
এপিবিএন, ৯ এর সহায়তায় নগরের কোতোয়ালী ও চকবাজার থানায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন অধিদফতরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ, সহকারী পরিচালক (মেট্রো) পাপীয়া সুলতানা লীজা ও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান। অভিযানে ১২টি দোকানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা প্রশাসনিক জরিমানা করা হয়েছে।
মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, কোতয়ালী থানার কাজীর দেউড়ি বাজারের মিজান সওদাগরের মাছের দোকানকে জেলিযুক্ত চিংড়ি বিক্রির জন্য রাখায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এরপর জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়। মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় মিশু সওদাগর, হানিফ সওদাগরের মুরগির দোকান, সুলাইমান সওদাগর, আক্তারুজ্জামানের মুরগির দোকান, হারুন সওদাগর, ইলিয়াসের মুরগির দোকান ও আব্দুল হাকিমের মুরগির দোকানকে দেড় হাজার টাকা করে জরিমানাসহ সতর্ক করা হয়।
আন্দরকিল্লার শরিফ স্টোরকে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য ও অননুমোদিত জর্দার রং বিক্রির জন্য সংরক্ষণ করায় ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ধ্বংস করা হয় জর্দার রংগুলো।
চকবাজার থানার দিদার মার্কেটের সেভেন মার্টকে অননুমোদিত জর্দার রং সংরক্ষণ, নিষিদ্ধ ঘোষিত এনার্জি ড্রিংক সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন বিদেশি কসমেটিকসে বৈধ আমাদানিকারকের সিল না থাকা ও নিজস্ব প্রাইস-ট্যাগ দেওয়ার অপরাধে ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ বর্ণিত অননুমোদিত রং ও এনার্জি ড্রিংক ধ্বংস করা হয়।
দিদার মার্কেটের খোদেজা ফার্মেসিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ করায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। চন্দনপুরা এলাকার সিটি ফার্মাকে মেয়াদোত্তীর্ণ ও মেয়াদবিহীন কাটা ওষুধ সংরক্ষণ করায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জনস্বার্থে বাজার তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে জানিয়ে মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, ভোক্তাদের সচেতন হতে হবে। কোনো বিক্রেতা যেন ওজনে, মানে ঠকাতে না পারে। অননুমোদিত পণ্য, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য গছিয়ে দিতে না পারে। সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের বেশি দামে পণ্য যাতে বিক্রি করতে না পারে।
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের পুরোনো ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited