চট্টগ্রাম   শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬  

শিরোনাম

দাদির জামিন, কারামুক্ত দুই শিশু

চন্দনাইশ প্রতিনিধি :    |    ০৭:১০ পিএম, ২০২৬-০৭-০২

দাদির জামিন, কারামুক্ত দুই শিশু

চন্দনাইশে গৃহবধূ আয়শা ছিদ্দিকা মুক্তার আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় কারাগারে যাওয়া দুই শিশুর দাদি মোছাম্মৎ মনোয়ারা বেগমকে জামিন দিয়েছেন আদালত। এ আদেশের ফলে আড়াই বছরের শিশু আরাফ ও সাত মাস বয়সী জাইফা ইসলামকে আর কারাগারে থাকতে হবে না।
 
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) চট্টগ্রাম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল হান্নানের আদালত শুনানি শেষে মনোয়ারা বেগমের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। 

এর আগে ১ জুলাই এই মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত মুক্তার স্বামী আরিফুল ইসলাম জিফাত (২৯), শাশুড়ি মোছাম্মৎ মনোয়ারা বেগম এবং ননদ মোছা. নাদিয়া আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

ওই সময় শিশু দুটিকেও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে কারাগারে যেতে হয়েছিল।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফোরকান মোহাম্মদ বলেন, শাশুড়ি মোছাম্মৎ মনোয়ারা বেগম ও ননদ মোছা. নাদিয়া আক্তারের পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়েছিল।

ভিকটিমের দুই নাবালক সন্তান বর্তমানে আসামিদের সঙ্গে কারাগারে অবস্থান করছে। শিশু দুটির দেখভালের জন্য অন্য কোনো অভিভাবক না থাকায় কারাগার থেকে তাদের দাদির সঙ্গে আদালতে হাজির করা হয়।
শুনানি শেষে মানবিক বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদালত মোছাম্মৎ মনোয়ারা বেগমের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। তবে মোছা. নাদিয়া আক্তারের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। ফলে দুই শিশু তাদের দাদির হেফাজতেই থাকতে পারবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চন্দনাইশ পৌরসভার হাজিপাড়া এলাকায় নিজ শয়নকক্ষে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় আয়শা ছিদ্দিকা মুক্তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা মো. মনির আহমদ বাদী হয়ে চন্দনাইশ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শেষে গত ৬ মে আদালতে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, মুক্তাকে সরাসরি হত্যা করা হয়নি। তবে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ধারাবাহিক মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন এবং যৌতুকের দাবির কারণে তিনি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন। 

২০২৩ সালের ২৭ এপ্রিল আরিফুল ইসলাম জিফাতের সঙ্গে মুক্তার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় নগদ দুই লাখ টাকা এবং আসবাবপত্রসহ প্রায় ১৩ লা