শিরোনাম
বোয়ালখালী প্রতিনিধি : | ০৬:৩৮ পিএম, ২০২৫-০৮-১৪
চট্টগ্রামে বোয়ালখালী অভি মালচিং পদ্ধতিতে প্রথম বারের মতো গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ করে সফল হয়েছেন। তার বাড়ি উপজেলার ৯ নং আমুচিয়া ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষক অভি বড়ুয়া। উচ্চ মূল্যের সবজি উৎপাদনে স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কন্টিটিভনেস প্রজেক্ট (এসএসিপি) প্রকল্পের আওতায় এবার প্রথম বারের মতো বোয়ালখালীতে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর আবাদ করেছেন তিনি। যা দেখে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন অন্যান্য কৃষকরাও। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে , গত মে মাসের শেষের দিকে স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কন্টিটিভনেস প্রজেক্ট (এসএসিপি) প্রকল্পের আওতায় এবার প্রথম বারের মতো বোয়ালখালীতে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর দুটি প্রদর্শনী দেওয়া হয়েছে। টমেটো সাধারণত শীতকালীন ফসল। তবে বর্তমানে মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে গ্রীষ্মকালে টমেটোর আবাদ করা যায়। অসময়ে বাজারে টমেটোর চাহিদার সাথে দামও ভালো পাওয়া যায়। এতে কৃষকরা লাভবান হন। গতকাল সকালে উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়নের কৃষক অভি বড়ুয়ার টমেটো ক্ষেতে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় দুলছে কাচা, পাকা/আধাপাকা টমেটো।
কৃষক অভি বড়ুয়া বলেন , গত মে মাসের শেষের দিকে উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ ও সহযোগিতায় ৮ শতক জমিতে প্রথম বারের মতো মালচিং পদ্ধতিতে হাইব্রিড বারি -৮ জাতের ৫০০ টি গ্রীষ্মকালীন টমেটোর চারা লাগিয়েছেন তিনি। এতে সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে ৩ হাজার টাকা। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে বেশ কয়েকটি চারা নষ্ট হয়েছে বলে জানান তিনি। অভি বলেন, জমি প্রস্তুত, সার, ওষুধ ও পরিচর্যার জন্য উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মনজুর আলমের কাছ থেকে সহযোগিতা ও নিয়মিত পরামর্শ পেয়েছেন। ইতোমধ্যে বাজারে টমেটো বিক্রি শুরু করেছেন। বর্তমানে পাইকারি বাজারে কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৯০/১০০ টাকা। এ পর্যন্ত ৬০ কেজি মতো বিক্রি করেছেন। আরো ৮০/১০০ কেজির মতো বিক্রির আশা করছেন তিনি। এতে করে খরচ বাদে ১২ হাজার টাকা তার মুনাফা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারলে অল্প জমিতে অনেক লাভবান হওয়া যায়। কীটনাশক ও রাসায়নিক সারও কম লাগে, যার কারণে খরচ কম লাভ বেশি। টমেটো সাধারণত শীতকালীন সবজি হলেও বর্তমানে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর চাহিদার সাথে দামও বেশি বাজারে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আতিক উল্লাহ বলেন, মালচিং হলো বিশেষ পলিপেপার দিয়ে গাছের গোড়ার মাটি ঢেকে দেওয়ার একটি বিশেষ পদ্ধতি। যা আগাছার বৃদ্ধি রোধ করে এবং মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখে। মাটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও মাটির গুণাগুণ উন্নত করতে সাহায্য করে। প্রয়োজনীয় পানি ধরে রাখতে এবং ফেলে দিতে সাহায্য করে। স্কাইনেট ব্যবহারে ফসলের ফুল, ফল ও চারাকে অতি রোদ-বৃষ্টি. পোকা, পাখি থেকে রক্ষা করে।এই পদ্ধতিতে সবজির আবাদ খুবই লাভজনক। সঠিক পদ্ধতি জেনে চাষাবাদ করলে অবশ্যই অল্প জায়গায় অধিক মুনাফা পাওয়া যায়। গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ উপজেলা কৃষি অফিস সব ধরনের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছে বলে জানান তিনি।
মীরসরাই প্রতিনিধি : : মীরসরাই উপজেলা প্রশাসনে নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে যোগদান করে...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশে...বিস্তারিত
বোয়ালখালী প্রতিনিধি : : আলমগীর রানা : চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে প্রায় ৪০০ দাবাড়ুর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সফলভাবে সম্পন্ন ...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধাà...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার শাহ সোবাহানিয়া সড়কের উন্নয়ন কাজে নিম্নমানের ইট à¦...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : বান্দরবানের আলীকদমে দুর্গম সীমান্ত এলাকার চিকিৎসাবঞ্চিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের পাশে দাঁড়িয়...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited