শিরোনাম
মীর মামুন (সীতাকুণ্ড) : | ০৬:০২ পিএম, ২০২৫-০৬-২৮
সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে সী গোল্ড ফিলিং স্টেশনের অংশীদার সিরাজুল ইসলামকে মালিকানা থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্রসহ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অপ-প্রচারের প্রতিবাদে সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্টিত হয়েছে। শনিবার (২৯ জুন) সকাল ১১ ঘটিকায় সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সী গোল্ড ফিলিং স্টেশন এর যৌথ অংশীদার মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০০৩ সালে ১২ গন্ডা জায়গার উপর অংশীদার মোস্তাকিম‘সহ "সী গোল্ড ফিলিং স্টেশন" নামীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানটি গড়েছি। একই বছর ৩ই মার্চ এক হাজার টাকা মূল্যের নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে একটি ব্যবসায়িক যৌথ অংশীদারিত্ব চুক্তিনামা সম্পাদিত হয়।
বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানটির কাজ সম্পূর্ণ করতে নগদ টাকার একান্ত আবশ্যকতায় মোস্তাকিম‘সহ উভয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহন করি। এ প্রক্রিয়ায় আমি ছিলাম জিম্মাদার‘সহ মর্টগেজর ও মোস্তাকিম ছিল প্রোপ্রাইটর। প্রাথমিক ভাবে যৌথ ব্যবসাটি খুব ভাল ভাবেই কাটছে শুরু করে। মাত্র এক বছরের মাথায় প্রতিষ্ঠানটির লভ্যাংশে একটি রোলিং মিল, তামার ফ্যাক্টরী, তিন তলা পাকা ভবন ও একটি গরুর খামার যৌথভাবে গড়ে তুলি। এছাড়াও সরকারি লিজের জায়গায় তৈরি করা হয় তিনটি গোডাউন। ২০১১ সাল নাগাদ অংশীদারি ব্যবসাটির লভ্যাংশ ও দায়-দেনার পরিপূর্ণ হিসাব করতে চাইলেই শুরু হয় বিভিন্ন অজুহাত। এতেও থামেনি ব্যবসা ও যৌথ ভাবে জমি ক্রয় এবং নামজারীর কার্যক্রম। এক পর্যায়ে ২০১৬ সালে আমাকে প্রতিষ্ঠানে না যেতে বাঁধা প্রদান করে।
এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় বিরোধের বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধান করতে চাইলেও সমাধানে সৃষ্টি করে জটিলতা। "আটলান্টিক ইন্টারন্যাশনাল" নামীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে ব্যবসা শুরু করে ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত যৌথভাবে জায়গা ক্রয় করি। আমাদের রয়েছে ৪১টি দলিলভুক্ত যৌথ ভূমি। প্রত্যেকটি দলিলে দু‘জনের যৌথ নামসহ সমান হিস্যা রয়েছে। আমাদের সৃজিত খতিয়ান রয়েছে ১২ টি।
২০২০ সালে মোস্তাকিম মারা যাওয়ার পর তার পুত্র আল আমিন পারভেজ দীপ্ত ও আল হামিদ তুর্য আমাকে বলছে আমি নাকি মৃত মোস্তাকিম এর কর্মচারী ছিলাম। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন হয়। মূলত মোস্তাকিম ছিলেন আমার ব্যবসায়ীক অংশীদার। মোস্তাকিম মারা যাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি তার ওয়ারিশগণ জবর-দখল করে রেখেছে। এতে কোটি টাকার মেশিনারি, বিভিন্ন মালামাল নষ্ট হয়ে স্ক্র্যাপে পরিণত হচ্ছে। তাতে চোরচক্র বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। আমি এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরী ও অভিযোগ করেছি।
সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীয় ভূমির স্কেচ ম্যাপসহ বিচারাধিন ও নিষ্পত্তিকৃত মামলার বিবরণ তুলে ধরেন অংশীদার সিরাজুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অংশীদার সিরাজুল ইসলাম, ইয়াকুব কাউসার বাপ্পি, আশিকুল ইসলাম সাব্বির, জয়নাল আবেদীন, আফতাব উদ্দিন বাবুল, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ও মোঃ রাসেল প্রমুখ।
মীরসরাই প্রতিনিধি : : মীরসরাই উপজেলা প্রশাসনে নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে যোগদান করে...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশে...বিস্তারিত
বোয়ালখালী প্রতিনিধি : : আলমগীর রানা : চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে প্রায় ৪০০ দাবাড়ুর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সফলভাবে সম্পন্ন ...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধাà...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার শাহ সোবাহানিয়া সড়কের উন্নয়ন কাজে নিম্নমানের ইট à¦...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : বান্দরবানের আলীকদমে দুর্গম সীমান্ত এলাকার চিকিৎসাবঞ্চিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের পাশে দাঁড়িয়...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited