চট্টগ্রাম   মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬  

শিরোনাম

তিন পার্বত্য জেলায় পর্বত প্রশান্তির খোঁজে সবুজ উপত্যকায় পর্যটকরা

স্টাফ রিপোর্টার :    |    ০৫:১৫ পিএম, ২০২৫-০৬-০৩

তিন পার্বত্য জেলায় পর্বত প্রশান্তির খোঁজে সবুজ উপত্যকায় পর্যটকরা

চাইথোয়াই মারমা: 
খাগড়াছড়ির ৫টি দর্শনীয় স্থান, ঈদের ছুটিতে পর্যটক বরণে প্রস্তুুত রাঙামাটি ও বান্দরবান ৪টি পর্যটন স্পট ।তিন পার্বত্য জেলা টানা বৃষ্টি মেঘাছন্ন ঘেরা কোরবানের ইদ উপলক্ষে পর্বত প্রশান্তির খোঁজে সবুজ উপত্যকায় পর্যটকরা সমগম ঘটছে। প্রশান্তির খোঁজে সবুজ উপত্যকায় পর্যটকদের ভীড় জমানো নতুন কিছু নয়। কোলাহল মুক্ত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি, রাংগামাটি, বান্দরবান। যেখানে সুউচ্চ পাহাড় আর অসংখ্য ঝিরি ঝর্ণা কাছে টানে লাখো পর্যটকদের।

দীর্ঘদিন পর টানা সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক বন্ধ থাকার কারণে ইট-পাথরের শহর ছেড়ে অনেকেই প্রকৃতি আর পাহাড়ের মাঝে খানিকটা সময় কাটাতে পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব নিয়ে অবকাশযাপন কিংবা পিকনিক উদযাপনে ছুটে আসছেন পাহাড়কন্যা খাগড়াছড়ি, রাংগামাটি, বান্দরবানে। এতে আবারও চাঙাভাব ফিরেছে পার্বত্য জেলার পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়।

খাগড়াছড়ির ৫টি দর্শনীয় স্থান-
পাহাড়, ঝরনা, আঁকাবাঁকা পথ, সবুজের সমারোহ, লেক সমৃদ্ধ করেছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িকে। বর্ষা মৌসুম মানেই খাগড়াছড়িতে উপচে পড়া ভিড়। ভোরের মেঘা কুয়াশায় পাহাড়ের রূপ যেন আরও বৃদ্ধি পায়।

রহস্যময় আলুটিলা গুহা-
আলুটিলা গুহা খাগড়াছড়ির অন্যতম জনপ্রিয় রহস্যময় দর্শনীয় স্থান। এটি আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রে অবস্থিত পহাড়ের এক প্রাকৃতিক গুহা। এটিকে দেবতার গুহাও বলা হয়ে থাকে। যারা রোমাঞ্চ পছন্দ করেন তাদের দারুণ লাগবে এই গুহা। আলো প্রবেশ করতে পারে না বিধায় গুহাটি খুবই অন্ধকার ও শীতল। উপর থেকে আসা বর্ষায় বৃষ্টি পানি হাটৃ পর্যন্ত হয়ে থাকে। এজন্য ভেতরে প্রবেশ করতে টর্চলাইট বা মশাল জ্বালিয়ে নিতে হয়। কর্দমাক্ত ও পিচ্ছিল এ গুহায় মশাল জ্বালিয়ে প্রবেশ করলে দারুণ এক অনুভূতি হবে। গুহার এপাশ থেকে ওপাশ যেতে সময় লাগে প্রায় ১৫মিনিট। দৈর্ঘ্য ৩৫০ফুট। আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্র গেইটস্থ ৪০টাকা প্রবেশ ফি দিয়ে প্রবেশ করতে হয়। খাগড়াছড়ি সদর থেকে মাত্র ৭কিলোমিটার দূরে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি প্রধান সড়কস্থ পাশের মাটিরাঙ্গা উপজেলায় এটি অবস্থিত।

রিছাং ঝরনা/তেরাং তৈ ক্যালাই-
আলুটিলা গুহার খুব কাছেই রিছাং ঝরনা/তেরাং তৈ ক্যালাই অবস্থান। মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে। এ ঝরনার কাছেই আবার আরেকটি
ঝরনা আছে, যার দূরত্ব ২০০গজও হবে না। প্রায় ৩০মিটার উঁচু পাহাড় থেকে আছড়ে পড়া পানি দেখলেই পানিতে নামতে ইচ্ছা করবে। শরীর জুড়িয়ে নিতে ইচ্ছা হবে ঝরনার প্রবাহমান ধারায়। খাগড়াছড়ি সদর থেকে ঝরনার দূরত্ব ১১কিলোমিটার। আসা যাবে বাস বা প্রাইভেটকার
অথবা স্থানীয় মটরবাইক যানবহনে। মোটর সাইকেলে আলুটিলা থেকে ভাড়া নেবে জনপ্রতি ৫০টাকা আর ফেরার সময় নেবে জনপ্রতি ১০০টাকা।

হাতি মাথা/স্বর্গের সিঁড়ি-
হাতিমাথা মূলত সূউচ্চ একটি দুর্গম পাহাড়। এর চূড়া থেকে আশেপাশের অন্যান্য পাহাড়, পাহাড়ের পাদদেশে সবুজ গাছপালা, মেঘ পাহাড়ের লুকোচুরি খেলাসহ পাহাড়িদের নির্মিত ঘর-জীবনবৈচিত্র্য দেখা যায়। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এ পাহাড়ে ৩০৮ফুট লম্বা লোহার সিঁড়ি তৈরি করেছে। এই দুর্গম সিঁড়িপথ দিয়ে ১৫গ্রামের বাসিন্দারা চলাচল করে। অনেকের কাছে এটি স্বর্গের সিঁড়ি নামে পরিচিত। এখানে যেতে চাইলে সবচেয়ে ভালো হয় একজন গাইড নিলে। কারণ প্রথম কেউ যেতে চাইলে পথ বিভ্রাট হতে পারে। খাগড়াছড়ি সদর থেকে পানছড়ি যাওয়ার পথে জামতলী যাত্রী ছাউনি নামতে হবে। এরপর জামতলী থেকে চেঙ্গী নদী পার হয়ে প্রায় দেড় ঘন্টা ট্রেকিং করে এই পাহাড়ে যেতে হবে।

বৌদ্ধ মন্দির অরুন্য কুটির-
খাগড়াছড়ির পানছড়িতে অবস্থিত এ মন্দিরটি বাংলাদেশের অন্যতম বড় বৌদ্ধ মন্দির অরুন্য কুটির। শান্তিপুর গভীর অরণ্যে প্রায় ৬৫একর জায়গায় জুড়ে এ মন্দিরটি বৌদ্ধদের কাছে পবিত্র তীর্থস্থান। ৫০ফুট উচ্চতার বিশাল এক নান্দনিক বৌদ্ধের প্রতিকৃতি আছে, এখানে যা তৈরি করতে প্রায় চার বছর সময় লেগেছে। ধর্মীয় আচার পালনের জন্য সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত পর্যটক প্রবেশ-নিষেধ। খাগড়াছড়ি সদর থেকে এ বৌদ্ধ মন্দিরের দূরত্ব প্রায় ২৫কিলোমিটার। সদর থেকে জিপ, অটো-টেক্সী, মটর সাইকেল বা মাহেন্দ্র ভাড়া নিয়ে এখানে আসা যায়।

নিউজিল্যান্ড পাড়া-
খাগড়াছড়ি সদর থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে পানখাইয়া পাড়া বা গোলবড়ি আপার পেড়াছড়া দিয়ে নিউজিল্যান্ড পাড়া অবস্থিত পানখাইয়া পাড়া এবং পোরাছড়ার মধ্যবর্তী কিছু অংশ নিউজিল্যান্ডের মতো হওয়ায় স্থানীয়দের কাছে এটি নিউজিল্যান্ড পাড়া হিসেবে পরিচিত। এমনকি পানখাইয়া পাড়া থেকে পোরাছড়া গ্রামে যাওয়ার রাস্তাটির নামকরণ স্থানীয়রা করেছেন নিউজিল্যান্ড সড়ক নামে। সমতল ভূমিতে সবুজ শস্যখেত, সাদা মেঘের ভেলা ও সবুজ প্রকৃতি পাহাড় মিলে দাণ এক প্রাকৃতিক ল্যান্ডস্কেপ এ স্থানটি। নয়নাভিরাম এ প্রকৃতিতে চোখ রাখলে চোখ জুড়িয়ে যেন মন জুড়িয়ে যাবে।

ঢাকা থেকে যেভাবে আসবেন-
ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি সরাসরি বেশ কিছু বাস চলাচল করে। এরই মধ্যে জনপ্রিয় হলো দক্ষ ড্রাইভারের বিচক্ষনতায় শান্তি পরিবহন। এ ছাড়াও হানিফ, শ্যামলী, ঈগল পরিবহন ইত্যাদি বাস চলে। বাস ভেদে ও এসি-নন এসিভেদে এসব বাসের ভাড়া ৬০০-৭৫০থেকে ১হাজার টাকা।খাগড়াছড়িতে বেশি মানুষ গেলে কম টাকা খরচ হয়। যাওয়ার পর ১০- ১৫জন মিলে চাঁদের গাড়ি বা জিপ গাড়ি ভাড়া করে দর্শনীয় স্থান একসঙ্গে দেখতে পারেন। জিপ বা চাঁদের গাড়ি বা মাইক্রোবাস ভাড়া নেবে তিন থেকে চার হাজার টাকা। চার-পাঁচ জন হলে সিএনজি চালিত অটোরিকশাও ভাড়া নেওয়া যায়। ভাড়া নেবে ১হাজার থেকে ১হাজার ৫০০টাকা। একা হলে একদিনের জন্য মোটর সাইকেল ভাড়া নেওয়া যায়। তবে অবশ্যই আগে দরদাম করে ভাড়া মিটিয়ে নিতে হবে। না হলে ঝামেলা পোহাতে হয়।

যেখানে থাকবেন-
খাগড়াছড়িতে থাকার জন্য বেশ কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এরমধ্যে সরকারি পর্যটন মোটেল, হোটেল গাইরিং, অরণ্য বিলাশ, গিড়ি থেবার, হোটেল ইকো ছড়ি উল্লেখযোগ্য। এসব হোটেলে ৫০০থেকে ৪হাজার টাকায় থাকা যায়।

যা স্বাদে আহার খাবেন-
যেহেতু এটা পাহাড়ি এলাকা তাই পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নিতে ভুলবেন না। পান খাইয়া পাড়ার সিষ্টেম রেষ্টুরেন্ট, মহাজন পাড়ার ব্যাম্বু সর্ট, ইজর, গরবা রেষ্টুরেন্টসহ ইত্যাদি। পাহাড়ি খাবারের মধ্যে জুম সবজি, ঠানকুনি পাতা লাকসু, সিদ্ধ সব্জির সাথে ভর্তা মরিচ, বাঁশ কোড়ল, ব্যাম্বু চিকেন, ব্যাম্বু ফিশ, জুম ডাল, পাজন ইত্যাদির স্বাদ নিতে পারেন।

রাঙামাটির পর্যটন স্পটগুলোকে প্রস্তুুত-
এদিকে পবিত্র কোরবানী ঈদ উপলক্ষে দেশে পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছুটিকে ঘিরে কোলাহল মুক্ত প্রশান্তির ছোঁয়া পেতে মানুষ ছুটে বেড়াবেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এসব ভ্রমণ পিপাসুদের কথা চিন্তা করে রাঙামাটির পর্যটন স্পটগুলোকে প্রস্তুুত রাখা হয়েছে। হোটেলগুলো করা হয়েছে পরিষ্কার-পরিছন্ন। টুরিস্ট বোটগুলোকে সংস্কার ও সাজ-স্বজ্জা করা হয়েছে। 

জেলা শহরের হোটেল- মোটেলের মালিকরা বলছেন, হোটেলগুলোর ৮০ভাগ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। এদিকে রাঙামাটির ছাদখ্যাত বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটন স্পট সাজেকের বেশির ভাগ কটেজ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে বলে জানানো হয়। এইবার টানা ছুটিতে রাঙামাটিতে ভাল পর্যটক আসবে এবং তাদের ব্যবসা রমরমা হবে বলে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

রাঙামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ম্যানেজার আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে আমাদের কটেজগুলো পরিষ্কার- পরিছন্ন এবং পর্যটকদের আকর্ষণ করতে ঝুলন্ত সেতু রং করা হয়েছে। কটেজের ৮০ভাগ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। কোরবানী ঈদের ছুটিতে জেলায় পাঁচ থেকে ছয় হাজার পর্যটক আসবে বলে প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।

বান্দরবান ৪টি পর্যটন স্পট-
অরদিকে পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় থাকে জেলা সদরের কাছের পর্যটনকেন্দ্র নীলাচল, নীলগিরি, মেঘলা, শৈলপ্রপাত। এসব পর্যটন স্পটগুলো প্রায় এক দিনেই ভ্রমণ করা যায়। পর্যটন কেন্দ্রগুলোর টিকেট কাউন্টারগুলোতে চাপ সামলাতে কর্মীদের বেগ পোহাতে হচ্ছে। টানা ৫দিন সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় জেলায় পর্যাপ্ত-সংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটেছে। হোটেল, মোটেল, রিসোর্টগুলোতেও অগ্রিম রুম বুকিং দিয়ে আসতে শুরু করেছে পর্যটকরা। এদিকে টানা ছুটিতে দীর্ঘদিন ঝিমিয়ে থাকা আবাসিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট,পরিবহন, টুরিস্ট গাইড ব্যবসাসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসাগুলোতে ফিরেছে ব্যস্ততা।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলা সদরের কাছাকাছি উল্লেখযোগ্য পর্যটনকেন্দ্র মেঘলা ও নীলাচল পর্যটনকেন্দ্রের প্রবেশ মুখে রাস্তার দুই পাশেই বিভিন্ন জেলা হতে আগত পর্যটকবাহী বাস ও প্রাইভেটকারের সারিবদ্ধ লাইন। ময়মনসিংহ জেলা থেকে বান্দরবানে পিকনিকে আশা গিয়াস উদ্দিন বলেন, সব পর্যটন স্পটগুলো খোলা থাকায় বান্দরবানে এসেছেন পাহাড় দেখতে। অগ্রিম আবাসিক হোটেলে রুম বুকিং থাকায় বিড়ম্বনায় পড়তে হয়নি।

হোটেল গার্ডেন সিটির স্বত্বাধিকারী মো: জাফর বলেন, টানা সরকারি ছুটির কারণে বিপুলসংখ্যক পর্যটক এসেছে, আবাসিক রুমগুলো আগে থেকেই অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। টানা চার-পাঁচ দিন এমনটা থাকবে। জেলার সব পর্যটন স্পটে ঘোরার সুযোগ থাকায় পর্যটকের সমাগম আরও বাড়বে। বান্দরবান আবাসিক হোটেল রিসোর্ট অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জসিম উদ্দিন বলেন, পর্যটন ব্যবসায় কিছুটা চাঙা ভাব ফিরতে শুরু করেছে।

সরকারি ছুটিগুলোতে স্বাভাবিকভাবেই পর্যটকের আনাগোনা বেশি থাকে। সাম্প্রতিক অস্থিরতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা না থাকলে এই সেক্টরের দীর্ঘদিনের মন্দাভাব কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। জেলায় আগত অনেক পর্যটকের ভ্রমণের পছন্দের তালিকায় থানচি উপজেলার রেমাক্রি ফলস, তিন্দু, বড় পাথর এবং রোয়াংছড়ি উপজেলার দেবতাখুক, আমিয়াখুম থাকলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে জেলা সদরসহ চারটি উপজেলা ছাড়া অন্য উপজেলাগুলোতে এখনো পর্যটকদের ভ্রমণ অনুমতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়নি প্রশাসনের পক্ষ হতে তবে দ্রুুত সময়ের মধ্যে এসব জটিলতা সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

খাগড়াছড়ি, রাংগামাটি, বান্দরবান পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যটনকেন্দ্রর আশপাশে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছে সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্যগণ। বান্দরবান জোনের ট্যুরিস্ট পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহীন মিয়া বলেন, বান্দরবানে সারা বছরই পর্যটকরা ভ্রমণে আসেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাদা পোশাকেও ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে দায়িত্ব পালন করেন।

খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল বলেন, সাধারন পুলিশ মোবাইল টিম নিয়োজিত আছে। পর্যটনকেন্দ্রর আশপাশে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছে সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্যগণ সব সময় সোচ্চার থাকবে। পর্যটন বিষয়ে যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে।
বর্ষার এই মৌসুমে টানা ছুটিতে ঘুরতে আশা পর্যটকরা পাহাড়ের অপরুপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করে আর সুন্দর মুহূর্তগুলো নিজেদের ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দি করে ভ্রমণের স্মৃতিকে ধরে রাখছেন, এটা যেন এক ভিন্ন রকমের আনন্দের অভিজ্ঞতার জন্ম দিচ্ছে পর্যটকদের উৎসাহী মনে।

রিটেলেড নিউজ

বোর্ড চ্যালেঞ্জ: নম্বর কি সত্যিই ভবিষ্যৎ মাপে?

বোর্ড চ্যালেঞ্জ: নম্বর কি সত্যিই ভবিষ্যৎ মাপে?

আবদুল্লাহ মজুমদার : : ফল প্রকাশের পর মোবাইলের পর্দায় ভেসে ওঠে কয়েকটি সংখ্যা। কারও জন্য সেই সংখ্যা আনন্দের, কারও জন্য হতা...বিস্তারিত


অভিযোগের ভারে নুয়ে পড়ছে আস্থা: পার্কভিউ হাসপাতালকে ঘিরে প্রশ্নের শেষ কোথায়?

অভিযোগের ভারে নুয়ে পড়ছে আস্থা: পার্কভিউ হাসপাতালকে ঘিরে প্রশ্নের শেষ কোথায়?

আবদুল্লাহ মজুমদার : : হাসপাতালের করিডোরে অপেক্ষমাণ স্বজনদের একটাই প্রার্থনা—প্রিয় মানুষটি যেন সুস্থ হয়ে ফিরে আসেন। à...বিস্তারিত


 দৈনিক ‘আমাদের চট্টগ্রাম’-এর ১৫তম বর্ষপূর্তি ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

দৈনিক ‘আমাদের চট্টগ্রাম’-এর ১৫তম বর্ষপূর্তি ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

আমাদের ডেস্ক : : চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গণমাধ্যমকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের বৈষমà§...বিস্তারিত


ত্রাণ বিতরণে নৈতিকতার প্রশ্ন

ত্রাণ বিতরণে নৈতিকতার প্রশ্ন

আবদুল্লাহ মজুমদার : : প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতাকে যেমন প্রকাশ করে, তেমনি মানুষের মানবিকতা, রাষ্ট্à...বিস্তারিত


শূন্য থেকে বৈশ্বিক উচ্চতায় ‘এশিয়ান গ্রুপ’

শূন্য থেকে বৈশ্বিক উচ্চতায় ‘এশিয়ান গ্রুপ’

আ.ন.ম. তাজওয়ার আলম : বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পায়ন এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ইতিহাসে তৈরি পোশাক (RMG) শিল্প একটà...বিস্তারিত


সৈয়দ এনামুল তাজের জন্মদিনে

সৈয়দ এনামুল তাজের জন্মদিনে

আবদুল্লাহ মজুমদার : : বিধির পোশাকে তিনি শৃঙ্খলার প্রহরী এক দীপ্তিমান নাম, কাব্যের অলিন্দে জ্বালান তিনি মননের অনির্বাণ à...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

মন্ত্রণালয়ের আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিডিএ-তে শিকড় গেঁড়েছেন হারুন!

মন্ত্রণালয়ের আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিডিএ-তে শিকড় গেঁড়েছেন হারুন!

নিজস্ব প্রতিবেদক : ​সরকারি আদেশ মানেই যেন মগের মুল্লুক! গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট বদলি আদেশকে তোয়াক্কা নà¦...বিস্তারিত


নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

স্পোর্টস ডেস্ক : : ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্ট লিভারপুলের জার্সিতে খেলেন দুজনেই। আক্রমণভাগে দুজনের রসায়নে অলরেড...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর