শিরোনাম
আবদুল্লাহ মজুমদার : | ১০:২৮ পিএম, ২০২৪-১২-২৮
সর্ষের ভেতরে ভূত। অন্তর্বতীকালীন সরকারের মাঝেও ঘাপটি মেরে বসে আছে খুনি ও ফ্যাসিস্টদের প্রেতাত্মারা। ৫ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতার স্বাদ পেলেও এখনো পরিপূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করতে পারেনি রাষ্ট্র। কিছু জালেম সাংবাদিক ও চাটুকার উপদেষ্টার কারণে।
সত্যি কথা হচ্ছে আওয়ামী মাফিয়ারা সহজে ভেঙে পড়বে না, যতক্ষণ না তারা অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী থেকে যায়। অর্থই অনর্থের মূল- টাকার খেলা দেখিয়ে স্বৈরশাসক এর একনিষ্ঠ সদস্যরা নানান অপকর্মে জড়িয়ে পড়তে কোনো চিন্তাও করবে না। অপকর্মের ধারাবাহিক কাজ ইতোমধ্যে শুরু করে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট এর দালালেরা। ধীরে ধীরে সরকারি সব প্রতিষ্ঠানে নিজেদেরকে নিযুক্ত করার মাধ্যমে। একটু খেয়াল করলেই দেখি উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীকে। তাকে যখন উপদেষ্টা বানানোর প্রক্রিয়া বা কার্যক্রম চলছিল তখন-ই এ দেশের সিংহভাগ আমজনতা তুমুল বিরোধিতা করেন, তবুও তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে উপদেষ্টা পরিষদে। এখান থেকেই আমরা মোটামুটি নিশ্চিত হতে পারি অন্তর্বতীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদেও ফ্যাসিস্টদের দালালেরা সক্রিয় অবস্থান করছে।
২৬ জন আমলার কথাই যদি বলি, যেখানে একজন আমলা কী না করতে পারে? সেখানে ২৬ জন সচিব যেখানে সরকার পরিচালনায় যুক্ত রয়েছে। সহজেই অনুমান করা যায় আমরা আসলে কোনদিকে যাচ্ছি। কোনদিকে যাচ্ছে আমাদের রাষ্ট্রের কাঠামো তথা ভবিষ্যৎ। ছাত্র জনতার রক্তে রাঙা সুনিপুণ রাষ্ট্র কেন আবার নদীর বাঁকের মতো মোড় ঘুরিয়ে যাবে? সোজা পথে হাটার জন্য যেটুকু বিসর্জন দিতে হবে, সবটুকুর জন্যও আমাদের তৈরি থাকতে হবে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে জালেমদের বিরুদ্ধে।
আমরা কারা? আমরা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলের সৈনিক। আমরা জুলাই আন্দোলনে শহিদের ভাই-বোন, বাবা-মা ও স্বজন। স্বজন হারা এ মানুষগুলো আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। তাদেরকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। একটি স্বাধীন দেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে যা কিছু করা প্রয়োজন তার সবকিছুই আমাদের করার শপথ নিতে হবে।
জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে সংবাদপত্রের যে স্বাধীনতা এসেছে গুটিকয়েক সাংবাদিকের জন্য সে স্বাধীনতাকে নস্যাত হতে দেওয়া হবে না। কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
কী সুন্দর করে সব সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করার সিদ্ধান্ত করা হয়েছে! তাদের মনোনীত সাংবাদিকদের প্রবেশ-বাহির সর্বস্থানে এমন কিছু নিশ্চিত করা ইঙ্গিত ছাড়া কিছু নয় এ ঘোষনা। অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবী জানাচ্ছি। চট্টগ্রামের আনোয়ারার একজন দালাল সাংবাদিক টিভি চ্যানেলের ব্যুরো প্রকাশ্যে ছাত্রদের বিরুদ্ধে কথা বলার ভিডিয়ো ফুটেজ এখনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরছে। কিন্তু এখনও মামলা হয়নি তার নামে। সাংবাদিকদের যারা নিয়ন্ত্রণ করার ব্যর্থ চেষ্টা করা হচ্ছে, তাদেরকে ছাড় দেওয়া হবে না। স্বাধীনচেতা সাংবাদিকরা আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। সময় এসেছে কথা বলারও।
সচিবালয়ে আগুনের ঘটনার দিকে চোখ রাখি। দু'পাশ থেকে আগুনের যে নাটকীয়তা! একটি ঘটনা ঘটে যাওয়ার সাথে সাথে আরেকটি ঘটনা সামনে এনে পূর্বের ঘটনাকে আড়াল করার অপচেষ্টা যা আমাদের শিখিয়ে গেছেন স্বৈরশাসক এর দল আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসররা। ঠিক সে সূত্র মতেই চলছে অপকর্মগুলো। আমাদের শক্ত হাতে মোকাবেলা করার সময় এসেছে। এমন কঠিন সময় সময় পাড়ি দিতে আমাদের যা কিছু করা জরুরি সবকিছু করতে প্রস্তুত থাকতে হবে।
মীরসরাই প্রতিনিধি : : মীরসরাই উপজেলা প্রশাসনে নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে যোগদান করে...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তায় প্রতিদিনের যানজট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্যের স্তূপ আর নাগরিক দুর্ভোগের ম...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় পাহাড়ে ঝুমখেত থেকে ধান আনতে গিয়ে বন্য শূকরের আক্রমণে হরিমনি ত্রিপুরা ...বিস্তারিত
বোয়ালখালী প্রতিনিধি : : আলমগীর রানা : চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে প্রায় ৪০০ দাবাড়ুর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সফলভাবে সম্পন্ন ...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধাà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited