শিরোনাম
ঢাকা অফিস : | ০৮:৩২ পিএম, ২০২৪-১১-২৪
সরকারি কর্মকর্তাদের কয়েক মিলিয়ন ডলার ঘুষ দেওয়া ও বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের তথ্য গোপনের ঘটনায় অভিযুক্ত ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির বিরুদ্ধে সমন জারি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
এসইসি সৌরবিদ্যুতের চুক্তি সুরক্ষিত করতে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে আদানি গ্রুপের দুই নির্বাহী গৌতম আদানি এবং তার ভাতিজা সাগর আদানির নামে এ সমন জারি করে ২১ দিনের মধ্যে এই অভিযোগের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
নিউইয়র্ক ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের মাধ্যমে পাঠানো সমনে সতর্ক করা হয়েছে যে যে সাড়া দিতে ব্যর্থ হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ডিফল্ট রায় দেওয়া হতে পারে। এসইসি অভিযোগসমূহ মার্কিন বিচার বিভাগের আনা অভিযোগগুলো থেকে আলাদা। তবে উভয় অভিযোগই একই বৃহৎ ঘুষ কেলেঙ্করির সঙ্গে যুক্ত।
মার্কিন বিচার বিভাগ এর আগে গৌতম আদানি ও তার ভাতিজা সাগর আদানির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তবে আদানি গ্রুপ মার্কিন আদালতের এ ফৌজদারি অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করে।
মার্কিন প্রসিকিউটররা অভিযোগ করেন, গৌতম ও তার ভাতিজা সাগর আদানি বিদ্যুৎ সরবরাহ চুক্তি সুরক্ষিত করার জন্য ভারতীয় কর্মকর্তাদের পর্যায়ক্রমে ২৬৫ মিলিয়ন ডলার ঘুষ দিতে রাজি হন। আদানির কথিত সহযোগীদের একজন অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে তার ফোন ব্যবহার করে কর্মকর্তাদের দেওয়া এই ঘুষের পেমেন্ট ট্র্যাক করেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আদানি ও তার ভাতিজা সাগরসহ সাত আসামি ২০ বছরের বেশি সময় ধরে ভারতের বৃহত্তম সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের কাজ পেতে ২ বিলিয়ন ডলার লাভের আশায় চুক্তি সুরক্ষিত করতে সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দিতে সম্মত হন।
অপরদিকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও গৌতম আদানিকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। এক সংবাদ সম্মেলনে রাহুল জোর দিয়ে বলেন, মার্কিন আদালতে আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা উচিত এবং যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
নরেন্দ্র মোদি আদানিকে তদন্তের হাত থেকে রক্ষা করছেন উল্লেখ করে রাহুল বলেন, নরেন্দ্র মোদি ও আদানি একসঙ্গে থাকলে তারা সুরক্ষিত। ভারতে আদানিকে কিছুই করা যাবে না। এ দেশে মুখ্যমন্ত্রীকে জেলে পাঠানো হয় আর আদানি ২০০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি করে মুক্তভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কারণ নরেন্দ্র মোদি তাদের রক্ষা করছেন। আদানি ভারত ও আমেরিকায় অপরাধ করেছে। কিন্তু ভারতে আদানির বিরুদ্ধে কোনরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ ২০২৩ সালে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কয়েক দশক ধরে স্টক ম্যানিপুলেশন এবং জালিয়াতির অভিযোগ তোলার পর মি. আদানি নিজের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করার চেষ্টায় প্রায় দুই বছর ব্যয় করেন।
যদিও তার বিরুদ্ধে ওঠা ওই অভিযোগ মি. আদানি অস্বীকার করেছেন। তবে সেই অভিযোগের কারণে মার্কেট সেল-অফ (মার্কেট সেল-অফ হলো বৃহৎ পরিমাণ সিকিউরিটিজের দ্রুত বিক্রয়, যার ফলে তার দাম কমে যায়) হয়েছে এবং সে বিষয়ে ভারতের বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া (সেবি) তদন্তও করছে।
মীরসরাই প্রতিনিধি : : মীরসরাই উপজেলা প্রশাসনে নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে যোগদান করে...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তায় প্রতিদিনের যানজট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্যের স্তূপ আর নাগরিক দুর্ভোগের ম...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় পাহাড়ে ঝুমখেত থেকে ধান আনতে গিয়ে বন্য শূকরের আক্রমণে হরিমনি ত্রিপুরা ...বিস্তারিত
বোয়ালখালী প্রতিনিধি : : আলমগীর রানা : চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে প্রায় ৪০০ দাবাড়ুর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সফলভাবে সম্পন্ন ...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধাà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited