শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ০৮:৪৬ পিএম, ২০২৪-১১-০৬
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল প্রশ্নে রিটের রুল শুনানি দ্বিতীয় দিনের মত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আজ রুলের দ্বিতীয় দিনের শুনানি শেষ হয়।
আজ সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. শরিফ ভূঁইয়া। শুনানিতে এই আইনজীবী সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীকে একটি 'মোটিভেটেড অ্যামেন্ডমেন্ট' বলে উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে আইনজীবী ড. শরিফ ভূঁইয়া বলেন, 'দেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন যাতে না হয়, বার-বার যাতে একই সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারে সে উদ্দেশ্যেই মুলত পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয়।'
বিএনপির পক্ষে সিনিয়র এডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল আগামীকাল তাদের বক্তব্য উপস্থাপনের কথা আদালতকে জানান।
এ সময় ব্যারিস্টার কাজল হাইকোর্টকে বলেন, 'এই মামলায় আমরা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে যুক্ত হলেও এটিতে কোন পক্ষ বিপক্ষের বিষয় নেই, এটি দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা। তখন হাইকোর্ট বলেন, 'হ্যাঁ, এই মামলাটি কোন পক্ষের নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের মানুষের মামলা। এই মামলার ক্লায়েন্ট পুরো বাংলাদেশের জনগণ।' এরপর আদালত রুলের পরবর্তী শুনানির জন্য আগামীকাল দিন ধার্য করেন।
আদালতে রুলে শুনানিতে সুজনের পক্ষে আছেন সিনিয়র আইনজীবী ড. শরিফ ভূঁইয়া। জামায়াতের পক্ষে আছেন এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। আর রাষ্ট্র পক্ষে আছেন এটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও ডেপুটি এটর্নি জেনারেল মো. আসাদ উদ্দিন।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১১ সালে সংবিধানের ওই সংশোধনী আনা হয়। পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের বৈধতা নিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি গত আগস্টে হাইকোর্টে রিট করেন। এই রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট পঞ্চদশ সংশোধনী কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে রুল জারি করেন। এই রুল শুনানির জন্য ৩০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। এই রুল শুনানিতে অংশগ্রহণ করতে পক্ষভুক্ত হয় বিএনপি ও জামায়াত। সর্বশেষ গতকাল বুধবার পক্ষভুক্ত হয় নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ইনসানিয়াত বিপ্লব।
পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপের পাশাপাশি জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করা হয়। অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়। আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও ওই সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিষয়টি সংযোজন করা হয়।
মীরসরাই প্রতিনিধি : : মীরসরাই উপজেলা প্রশাসনে নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে যোগদান করে...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তায় প্রতিদিনের যানজট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্যের স্তূপ আর নাগরিক দুর্ভোগের ম...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় পাহাড়ে ঝুমখেত থেকে ধান আনতে গিয়ে বন্য শূকরের আক্রমণে হরিমনি ত্রিপুরা ...বিস্তারিত
বোয়ালখালী প্রতিনিধি : : আলমগীর রানা : চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে প্রায় ৪০০ দাবাড়ুর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সফলভাবে সম্পন্ন ...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধাà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited