চট্টগ্রাম   বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬  

শিরোনাম

জজ সাহেবের এজলাস !!

আমাদের ডেস্ক :    |    ০৭:৪৬ পিএম, ২০২৪-১১-০২

জজ সাহেবের এজলাস !!

এম এ আবদুল কাদের :
কেউ কেউ মনে করেন জজ সাহেবেরা কোট-গাউনে সেজে এজলাসে বসে কিছুক্ষণ অর্ডার অর্ডার বলে খাস কামরায় চলে যান, কোট-টাই পরে খোশ গল্প ও খাওয়া দাওয়ায় পরম আনন্দে থাকেন আর সারাদিন খালি ঘুমান। অনেকের আবার জানার আগ্রহ আছে- ভিতরে আসলে কি চলে ।
খাস কামরায় ঘুমানোর মত একটা  আরাম কেদারা আছে বটে, কিন্তু এটাতে পিট লাগানোর সুযোগ খুব কমই হয়। তাছাড়া, গরমের দিনে কোট-টাই পরে শত বছরের পুরাতন ডজন ডজন দলিল আর দশ/বিশ বছরের পুরাতন ধুলিমাখা নথি পড়ে রায় লেখা যায় না। মান সম্মত রায় লেখার জন্য হালকা পোষাকে আরামদায়ক ও মনোরম কর্ম পরিবেশের প্রয়োজন হয় যেন জুডিসিয়াল মাইন্ড লিটারেরী মাইন্ডের স্টেজে থাকতে পারে।এক লাইন লিখে দশ লাইন পড়তে হয়, যোগ বিয়োগ গুন ভাগ শতকরা ঐকিক নিয়মে অংক কষতে হয়, চোখ বন্ধ করে ভাবতে হয়, মনে মনে জটিল সব সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে হয়, তারপর আবার লিখে যেতে হয়।
বিচারকদের কাজ শোনা, পড়া ও লেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ হওয়ায় তা আসলে সঠিকভাবে দেখা বা দেখানো যায় না। আদালতের এজলাস হল ইনপুট এন্ড আউটপুট ডিভাইস; এখানে সাক্ষ্য সাবুদ, দলিলপত্র, যুক্তিতর্ক, শুনানি ইত্যাদি গ্রহন করা হয়। খাস কামরা হল প্রোডাক্শন হাউস; এখানেই চলে আইন-কানুন, সাক্ষ্য-সাবুদ, দলিলপত্র, যুক্তিতর্ক, শুনানি ইত্যাদির রান্না-বান্না, পর্যালোচনা, গবেষণা, ব্রেইনকে সেগুলো খাওয়ানো, হজম, আত্মীকরন ও রায় প্রসব।  তারপর সেই রায়কে আউটপুট ডিভাইস এজলাসে নিয়ে জনগনকে জানিয়ে দেয়া হয় এবং জনগন তা সার্টিফাইড কপি আকারে হাতে পায়।
রায় প্রস্তুত করাকে রায় প্রসব কেন বললাম ? বিরোধের শুরুতেই কিন্তু তা আদালতে আসে না। মেম্বার, চেয়ারম্যান, নেতা, মাতব্বর, জরিপওয়ালা, খতিয়ানওয়ালা, নামজারিওয়ালা সবাই যখন প্যাচাইতে প্যাচাইতে গিট্টু এত টাইট করে ফেলে যে আর খুলতে পারে না তখনই তা আদালতে আসে। বাদী এসে এক হাজারটা কথা বলে, বিবাদী এসে আরো হাজারটা কথা বলে, বাদীর কথাগলো সত্য হলে বিবাদীর গুলো নাই হয়ে যায়, বিবাদীরটা সত্য ধরে নিলে বাদীরটা নাই, বাদী হলফ করে বলে তার সব দাবি সত্য কিন্তু বিবাদীর প্রায় সব দাবি মিথ্যা,  বিবাদীও বলে তার সব কথা সত্য কিন্তু বাদীর প্রায় সবই কথাই বানোয়াট কল্প কাহিনী।  
এখন আদালতের কাজ হল,  প্রথমত, অন্ততপক্ষে শত বছর পূর্ব হতে বাদী-বিবাদী কে কি কি কাহিনী বলতে চায়, কাকে মেরে বা কাকে কার সাথে কত বার বিয়ে দিয়ে কাকে নাতিপুতি বানাতে চায়, অপর পক্ষের কাকে কি রকম জাল স্ত্রী-পুত্র-কন্যা বা কোন দলিলকে জাল দলিল সাব্যস্ত করে সম্পত্তিটা নিজের করে নিতে চায় তা নির্ভুলভাবে বুঝে নেয়া। একটা মামলার ছোট একটি অংশ নিম্নরূপ:
বাদী বলে এক একর বাড়ী ও বিশ শতক নাল জমির ১৮৯২ সালের মূল মালিক আমজু মিয়া মরনে ২ পুত্র ১ কন্যা- নজু মিয়া, আনু মিয়া ও আনারজান ওয়ারিশ হয়। দূরের গ্রামে স্বামী গৃহে থাকার সুবাদে ভ্রাতাদ্বয় আর এস খতিয়ান আনারজানের নাম বাদ দিয়ে তাদের দু'জনের নাম ফেরবী রেকর্ড করিয়ে রাখে। স্ত্রী দানাজান, ভ্রাতা নজু মিয়া ও কন্যা সবজান খাতুনকে ওয়ারিশ রেখে আনু মিয়া মারা যান। বিধবা দানাজানের সাথে দেবর নজু মিয়ার বিবাহ হয় এবং তাদের সংসারে পুত্র করিম আলীর জন্ম হয়। আনারজান মরনে পুত্র হাকিম আলী ও কন্যা গোলতাজ বিবি ওয়ারিশ থাকে। পুত্র-কন্যা-দেবর স্বামীকে রেখে দানাজান মারা গেলে বৃদ্ধ বয়সে নজু মিয়া তার বিশ শতক নাল জমি মোহরানা দিয়ে ছমিউন্নেসাকে বিবাহ করেন এবং উক্ত সংসারে পুত্র হোসেন আলীর জন্মের পর ও কন্যা আফিউন্নেসা মাতৃগর্ভে থাকাকালে নজু মিয়া গত হন। নজু মিয়া মারা গেলে বড় পুত্র করিম আলী তার সৎমাতা ছমিউন্নেসাকে নাবালক পুত্রসহ বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দিলে তিনি পিত্রালয়ে আশ্রয় নেন ও কিছুদিন পর আফিউন্নেসার জন্ম হয়। বড় ভাই বাড়ী হতে তাড়িয়ে দিলেও ফুফু আনারজান ছমিউন্নেসার পুত্র-কন্যাকে স্নেহ করতেন এবং তিনি নিজ পুত্র হাকিম আলীর সাথে ভাতুষ্পুত্রী আফিউন্নেসার বিবাহ দেন এবং সেই সংসারে কন্যা জরি খাতুনের জন্ম হয়। এদিকে হোসেন আলী নানার বাড়ীতে বড় হয়ে তার মাকে মোহরানা হিসেবে দেয়া নানার বাড়ী সংলগ্ন বিশ শতক নাল জমির ছয় শতকে পুকুর কেটে সেই মাটি দিয়ে ভিটি বন্ধনে সুখে সংসার করে পুত্র হাছি মিয়াকে রেখে মারা যান। এতিম হাছি মিয়াকে তার ফুফু আফিউন্নেসা লালন পালন করে নিজ কন্যা জরি খাতুনের সাথে বিবাহ দেন এবং নজু মিয়ার কন্যা সবজান বিবি হতে নালিশী দাগে সবজান বিবির প্রাপ্ত অংশ ১৯৮১ সালে কিনে দেন এবং সেই সংসারে বাদীর জন্ম হয়। বাদীর মাতা জরি খাতুন তার পিতা হাকিম আলী ও মাতা আফিউন্নেসা হতে প্রাপ্ত অংশ বাদীকে দানপত্র করে দিয়েছেন। বাদীর পিতা হাছি মিয়ার নামে ঐ বিশ শতক বিএস খতিয়ানে শুদ্ধভাবে রেকর্ড হলেও আমজু মিয়ার ত্যাজ্য এক একরে বাড়ী ভিটি অশুদ্ধভাবে সম্পূর্ণ বিবাদীদের নামে রেকর্ড হয়ে গেছে। এখন বাদী সিএস রেকর্ডি আমজু মিয়ার এক একর বাড়ী ভিটিতে তার প্রাপ্ত অংশ স্বত্ব সাব্যস্তে বন্টনের ডিক্রী চায়।
এবার উক্ত করিম আলীর পুত্র-কন্যা বিবাদীরা কি বলে দেখেন-  আমজু মিয়া মরনে ২ পুত্র ১ কন্যা- নজু মিয়া, আনু মিয়া ও আনারজান ওয়ারিশ হয়। স্ত্রী দানাজান, ভ্রাতা নজু মিয়া ও কন্যা সবজান খাতুনকে ওয়ারিশ রেখে আনু মিয়া মারা গেলে বিধবা দানাজানের সাথে দেবর নজু মিয়ার বিবাহ হয় এবং তাদের সংসারে পুত্র করিম আলীর জন্ম হয়। আনারজান মরনে পুত্র হাকিম আলী ও কন্যা গোলতাজ বিবি ওয়ারিশ থাকে। পুত্র-কন্যা-দেবর স্বামীকে রেখে দানাজান মারা গেলে বৃদ্ধ বয়সে নজু মিয়া তার বিশ শতক নাল জমি মোহরানা দিয়ে ছমিউন্নেসাকে বিবাহ করা ডাহা মিথ্যা। ছমিউন্নেসা নজু মিয়ার ঘরে কাজের মেয়ে ছিল, তাকে কখনো নজু মিয়া বিবাহ করেন নাই, ছমিউন্নেসার পুত্র-কন্যা নজু মিয়ার ঔরষজাত নয়, তাদের পিতা অজ্ঞাত। তাছাড়া বাদীর মাতা জরি খাতুন উক্ত হাকিম আলীর কন্যা নয়, হাকিম আলী কখনো বিবাহ করেন নাই, হাকিম আলী অল্প বয়সে অবিবাহিত মরনে তার বোন গোলতাজ খাতুন ওয়ারিশ হয়, গোলতাজ খাতুনের সাথে মামাত ভ্রাতা করিম আলীর বিবাহ হয়, বিবাদীগন তাদের পুত্র-কন্যা । বাদীর পিতামহ হোসেন আলী উক্ত নজু মিয়ার জাল পুত্র এবং নজু মিয়ার কন্যা সবজান বিবি হতে বাদীর পিতা হাছি মিয়ার নামীয় ১৯৮১ সালের কবলাও জাল। সবজান বিবি তার অংশ ১৯৮৬ সালের দলিলমূলে ভ্রাতা করিম আলীকে দান করে নিঃসন্তান মারা গেছেন। এভাবে বাদী বা তার পিতা হাছি মিয়া বা দাদা হোসেন আলী নালিশী দুই দাগের কোন সম্পত্তিতে কখনো মালিক হন নাই । বাদীর দাদা হোসেন আলী তার নানার বাড়ী সংলগ্ন বিবাদীদের বিশ শতক নাল জমিতে বিবাদীগনের পিতা করিম আলী ও দাদা নজু মিয়ার বর্গাদার ছিলেন এবং সেই সুবাদে তথ্য পোপন করে ভুয়া মালিক সেজে নিজের নামে বিএস খতিয়ান হাসিল করে রেখেছেন এবং বাদী জাল দলিল ও কাল্পনিক কাহিনী সৃজন করে মিথ্যা মামলা দায়ের করে দিয়ে বিবাদীদের মৌরসী বাড়ী ভিটি আত্মসাৎ করার অপচেষ্টা করতেছেন মাত্র। ।
এবার বলেন ত, আমজু মিয়ার একশ বিশ শতক সম্পত্তিতে বাদী ও বিবাদী কে কতটুকু পায়। বুঝলে বুঝ, না বুঝলে তরমুজ, মাথা বেশি ঝিম ঝিম করলে তরমুজ না থাকলেও  চিনি মিশিয়ে এক গ্লাস পানি খেয়ে নিতে পারেন।
এখন, দৃতীয়ত,  কাজ হল সাক্ষ্য প্রমান গ্রহন করে কোন পক্ষের কোন কাহিনীর কতটুকু সত্য-মিথ্যা তা বের করে আসল কাহিনী কি তা নিশ্চিত করা। এটাকে বলে কোশ্চেন অব ফ্যাক্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন। এটা সরিষার স্তুপ থেকে ভূতে ধরা সরিষা বাদ দিয়ে খাটি সরিষা খুঁজে বের করার মত কঠিন ও জটিল কর্ম।
তার পরের কাজ, তৃতীয়ত, হল প্রমানিত ঘটনার উপর আইনের বই হতে সঠিক ঔষধ প্রয়োগ করা। এটাকে বলে কোশ্চেন অব ল বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন। এটাও কঠিন কাজ। একশ বছরের আগেকার মানুষও দেখা যায় দশ গন্ডা জমির মালিক হয়ে তের গন্ডা করে তিন জনের কাছে বিক্রি করে আরো পাঁচ গন্ডা নিজের বৌকে দান করে গেছেন। আবার কিছু সম্পূর্ণ বা আংশিক জাল দলিলও সনাক্ত হয়। দেখা যায় পরের দলিল ওয়ালা জমির দখলে বসে আছে কিন্তু সিনিয়র দলিলমূলে গ্রহিতার নামে জরিপ খতিয়ান বা নামজারি থাকলেও বেচারার কোন দখল নাই। এবার সিদ্ধান্ত নাও কার কোন দলিলটা আইনত কতটুকু কার্যকর হল।
এভাবে কোন কোন দেওয়ানী মামলার রায় লিখে শেষ করতে দুই সপ্তাহও লেগে যেতে পারে, যদিও তার আগে ইনপুট ডিভাইস দশ/বিশ/ত্রিশ মিনিটের যুক্তিতর্ক হয় ও পরে এক মিনিটে ফলাফল জানিয়ে দেয়া হয়। উর্ধ্বঃ, অধঃ, সমান সকলে শুধু জানতে চায় কতটি হল, কি ? রায়, বাচ্চা আর কি ! কিন্তু কেমনে কেমনে হল তা জানতে চাওয়ার কোথাও কেউ নেই।
তাহলে কি করে বুঝাই লেবার রুম খাস কামরায় রায় মাতার ভিতরে কি চলছে; কি রকমে চোখের জ্যোতি, মাথার চুল কমে যাচ্ছে; রক্ত, মাংস, মগজ, সকাল, দুপুর, আছর, মাগরিব, সান্ধ্য রাত, মধ্যরাত, শেষ রাত, দিন, সপ্তাহ, বছর, যৌবন, জীবন পানি পানি হয়ে যাচ্ছে !

রিটেলেড নিউজ

মেয়াদ ফুরাল, নির্বাচন হলো না

মেয়াদ ফুরাল, নির্বাচন হলো না

আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তায় প্রতিদিনের যানজট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্যের স্তূপ আর নাগরিক দুর্ভোগের ম...বিস্তারিত


রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযান: মাদক কারবারি ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে আটক ১২

রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযান: মাদক কারবারি ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে আটক ১২

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত


সড়ক দুর্ঘটনায় আর কত প্রাণ গেলে টনক নড়বে? নিরাপদ সড়কের দাবি দেশজুড়ে

সড়ক দুর্ঘটনায় আর কত প্রাণ গেলে টনক নড়বে? নিরাপদ সড়কের দাবি দেশজুড়ে

মো.আরফান উদ্দীন  : পৃথিবীর আর কোন দেশে বাংলাদেশের মতো প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় এত মানুষের প্রাণহানি ঘটে কি না, তা আমার...বিস্তারিত


মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: নীরব কূটনীতি, অনুত্তরিত প্রশ্ন ও রাষ্ট্রের দায়

মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: নীরব কূটনীতি, অনুত্তরিত প্রশ্ন ও রাষ্ট্রের দায়

আবদুল্লাহ মজুমদার : : একটি মৃত্যুদণ্ডের খবর কখনো কখনো একটি পরিবারের শোকের সীমানা ছাড়িয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধকেই কাঠগà§...বিস্তারিত


লায়ন্স ও লিও ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এলিটের উদ্যোগে দিনব্যাপী সেবামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

লায়ন্স ও লিও ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এলিটের উদ্যোগে দিনব্যাপী সেবামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

আমাদের ডেস্ক : : লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, জেলা ৩১৫-বি৪, বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এল...বিস্তারিত


বরেণ্য কবি নূরুল হকের সাথে লায়ন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বরেণ্য কবি নূরুল হকের সাথে লায়ন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আমাদের ডেস্ক : : কবিতা, সাহিত্য এবং আন্তর্জাতিক সাহিত্য বিনিময়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক সার্...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

মন্ত্রণালয়ের আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিডিএ-তে শিকড় গেঁড়েছেন হারুন!

মন্ত্রণালয়ের আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিডিএ-তে শিকড় গেঁড়েছেন হারুন!

নিজস্ব প্রতিবেদক : ​সরকারি আদেশ মানেই যেন মগের মুল্লুক! গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট বদলি আদেশকে তোয়াক্কা নà¦...বিস্তারিত


নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

স্পোর্টস ডেস্ক : : ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্ট লিভারপুলের জার্সিতে খেলেন দুজনেই। আক্রমণভাগে দুজনের রসায়নে অলরেড...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর