শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ০৯:৩১ পিএম, ২০২৬-০৬-০৪
মিঁঞা মুহম্মদ জামশেদ উদ্দীন
হঠাৎ এমন কেন হচ্ছে – একজন সুস্থ বোধের কাছেও তা বোধগম্য হয় না; সত্যি এসব ঘটনা চরম উদ্বেগের কারণসহ আতঙ্ক ছড়ায় সর্বত্র – এ ডালে না ওই ডালে, কোথাও একরত্তি পরিমাণ স্বস্তির নেই; অবশ্য মাঝে মাঝে জিওগ্রাফিকায়ও এমন দৃশ্য দেখা যায়। তবে এসবেরও সঠিক হিসাব-নিকাশ কষা কঠিন হয়ে ওঠে।
শান্ত-শিষ্ট শ্রী গৌতম বণিক। বয়স চল্লিশোর্ধ্ব। সীতাকুণ্ড পৌরসদর ব্যবসায়ী দোকান-মালিক সমিতির বিগত কমিটির সহ-সভাপতি সহ সীতাকুণ্ড বণিক সমিতির সভাপতি ছিলেন। তিনি সপরিবারে সীতাকুণ্ড কলেজ রোডস্থ ডিগ্রী কলেজের সম্মুখে বিন্নামা দীঘির পশ্চিম পাড়ে একটি দ্বিতল বাসা-বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। পিতা মধু বণিকও জুয়েলারি ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। শ্রী গৌরাঙ্গ বণিকের সীতাকুণ্ড পৌর সদর বাজারে হাজ্বী ওসমান গনি মার্কেটে "বাবা জুয়েলার্স" নামে একটি স্বর্ণের দোকান রয়েছে। মুলত ওই মার্কেটের গ্রাউন্ড ফ্লোরে সারি-সারি জুয়েলারি দোকান। গত একসপ্তাহ ধরে এ ব্যবসায়ীর কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না; ঘটনাটি ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করে ব্যবসায়ী মহলসহ জন সাধারণের মধ্যে।
মার্কেটের সব দোকানদারদের একই কথা – তাকে গত একসপ্তাহ ধরে দেখা যাচ্ছে না, তার ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানেও তালা দেয়া। এরমধ্যে অসংখ্য পাওনাদার মার্কেটে এসে ভীড় জমাতে থাকে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে ওঠে।
২৪/৫/২০২৬ইং রবিবার বিকেলে ওই মার্কেটের ব্যবসায়ীদের গতিবিধি দেখতে যাওয়া। তখন ব্যবসায়ীদের মধ্যে একধরণের আতঙ্ক বিরাজ করতে থাকে ; এ মার্কেটে জুয়েলারি ব্যবসার সাথে যারা জড়িত, তাঁরা-সকলে সংখ্যালঘু ও সনাতন সম্প্রদায়ের। এ ব্যবসায়ীর দুই ভাই দীপক বণিক ও মানিক বণিকের জয় জুয়েলারি ও বৃষ্টি জুয়েলারি নামে দুটি দোকান রয়েছে সীতাকুণ্ড পৌর সদর বাজারে।
এরমধ্যে অসংখ্য বন্ধকি পাওনাদার এসেছে তার খোঁজে, কিন্তু ওই ব্যবসায়ীর কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি বেশ জটিল মনে হচ্ছে – কেন বা এ ব্যবসায়ী লাপাত্তা হবে – পর্দার আড়ালে নাকী অন্য কোনো খেলা অন্তর্নিহিত? অনেকটা অনুসন্ধানে নামা কিন্তু এসবের কোনো কুলকিনারা পাওয়া যাচ্ছে না ;
হাজ্বী ওসমান গনি মার্কেটের লাগোয়া আরো বেশ কয়েকটি মার্কেট রয়েছে। এর উত্তরে দ্বিতীয় সীতাকুণ্ড শপিং কমপ্লেক্সে। এ মার্কেটের নিচে দক্ষিণের গলির ভেতরে এবং হাতের বামে শামসুদ্দিন জুয়েলার্স। এ জুয়েলারির সত্ত্বাধিকারী হলেন মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী। এ ব্যবসায়িও পাশাপাশি বাজারের বণিক সমিতির একজন কর্ণধার। এ ঘটনার পর সবাই তাঁর কাছে ছুটে যাচ্ছে–হয়তো একটি সদুত্তর পাবে এ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে। আমারও যাওয়া ঘটনার নেপথ্যে আরো বিস্তারিত জানতে; কিন্তু তিনি নেই, আছেন এক নিকট আত্মীয়। অবশেষে তার থেকে এ ব্যবসায়ী "লাপাত্তা " হওয়ার ঘটনাসহ প্রাসঙ্গিক খবরাখবর জানতে চাওয়া। লোকটিও জানালো, সকাল থেকে অনেক লোক তাদের দোকানে ভীড় জমায়েছে। ব্যবসায়ী মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী এসকল বন্ধকি পাওনাদারদের শান্তনা মূলক প্রত্যুত্তর দিতে থাকে বলে জানায়।
ঠিকই এরমধ্যে এক মধ্যেবয়সী নারী মেয়েকে নিয়ে এসে এমন অভিযোগ করে বসে। ওই নারীও জানালো, তার ২২ ক্যারেটের ৬ আনা ওজনের স্বর্ণের দুল বন্ধক দেয়, ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে। কিন্তু মাস ছয়েকের আগে ওই বন্ধকী টাকা ফেরত দেয়। অথচ বন্ধকী স্বর্ণ তাকে ফেরত দেয়া হয়নি; সঙ্গে সঙ্গে তা কেন ফেরত নেয় নি জানতে চাইলে বললো, ওই ব্যবসায়ী তাৎক্ষণিক তাকে লকারে স্বর্ণ নেই জানান এবং আগামী কাল এসে তা নিয়ে যেতে বলে। ওই মহিলাও তার এ কথা বিশ্বাস করে পরদিন এলে আবারও ওই ব্যবসায়ী বলে, আরো কয়েকদিন সময় লাগবে, বন্ধকি স্বর্ণ হাতের কাছে নেই – এভাবে আজ না কাল দেবে-দেবে বলে ছয়মাস হয়ে গেল, এখন শুনতে পাচ্ছি তাকে খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছে না। বলুন, এখন আমাদের কি উপায় হবে; এ নারী আরো বলেন, এগুলো আমার বিয়ে দেয়া মেয়ের স্বর্ণ; মেয়ের স্বামী বিদেশে থাকে, মেয়ের স্বামী জানতে পারলে কি যে দশা হবে আল্লাহ্ মালুম! রীতিমতো এ মহিলা হাউমাউ চিৎকার করতে থাকে। আমিও নির্বাক পরিস্থিতি দেখে। অবশ্য এরমধ্যে অপর এক জুয়েলারী ব্যবসায়ী পুলক সেনসহ ব্যবসায়ী মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী এলেন। তাঁরা এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সকাল থেকে এ পর্যন্ত ২শ" ওপরে বন্ধকী পাওনাদার এসেছে আমার দোকানে। বাজার কমিটির সভাপতি নাছির সাহেবসহ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দরাও এসেছেন। তাঁরাও ঘটনাটি জেনেছে বলে জানান। এখন কি করবো কিচ্ছুই বলতে পাচ্ছি না;
তিনি আরও বলেন, শুনতে পেলাম গৌরাঙ্গ বাবু গা ঢাকা দিয়েছে – হঠাৎ করে কেন বা তিনি গা ঢাকা দিলেন? বাসাবাড়িতে তার স্ত্রী সন্তানদের কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। এ ব্যবসায়ী জানালেন, তার বাসাবাড়ি নাকি ব্যাংকের কাছে মর্টগেজ দেওয়া। দুটি ব্যাংকসহ পাওনাদারা তার কাছে প্রায় ৬ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে।
এ ব্যবসায়ী মুখে এসব কথা শুনে হৃদয়ে দীর্ঘশ্বাস এলো – প্রিয় সীতাকুণ্ড যেন দূর্বৃত্তদের ঘটনারটনার এক স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে – এক সপ্তহের মধ্যে বেশ কয়েকটি লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। ২৩ মে - ২০২৬ইং, সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী বিচে বেড়াতে আসে ৫ বন্ধু কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকা থেকে ; ওই ৫ বন্ধু একসাথে সমুদ্রের বিচে সাঁতার কাটতে নামে, তখন তাদের একজন মো. সিপাত শেখ পানির তীব্র তোড়ে ভেসে যায়; একদিন পর ২৪ মে, তার মরদেহ স্থানীয়রা উদ্ধার করে। অপর দিকে মো. সিপাত শেখ ভেসে যাওয়ার ঘটনা জানতে পেরে ওই রাতে গুলিয়াখালী বিচ এলাকায় ছুটে আসে খালাতভাই মামুন( ২২)। সেও অদূর থেকে সমুদ্রের উত্তাল-ঢেউ দেখে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়–এমনটা খবর স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় । নিহিতরা তাদের পরিবারের একমাত্র সন্তান। কিন্তু ঘটনার পরম্পরায় মনে হচ্ছে, পূর্বে কোনো শক্রতা আছে কিনা খতিয়ে দেখা উচিত। না হয় ৫ বন্ধু এক সঙ্গে বেড়াতে আসে। অথচ এদের এক বন্ধু মারা গেল; এসব ঘটনা বড়োই ভাবিয়ে তোলে। এরমধ্য আরো কয়েকটি ঘটনা ঘটে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায়। ২৫ মে- ২০২৬ইং, দিবাগত রাতে জঙ্গল সলিমপুরের প্রধান সড়কসহ চারটি কানেকটিং সড়ক স্কেভেটর দিয়ে কেটে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়! জঙ্গল সলিমপুরের আলী নগরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি ক্যাম্প উদ্বোধন করার কথা ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদকে। অবশ্য তার আগেই জন চলাচলের ওইসব পথ বিছিন্ন করে দেয় সন্ত্রাসীরা। মনে হচ্ছে, তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর-এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঠেকিয়ে দিবে; সঙ্গে প্রশাসনকেও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখালো সংশ্লিষ্ট স্বার্থান্বেষী মহল।
২৪ মে- ২০২৬ইং, প্রকাশ্য দিবালোকে জঙ্গল সলিমপুরে র্যাবের ক্যাম্পে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় দিনব্যাপী পুলিশ ও র্যাব যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে অবরুদ্ধ থাকা র্যাব সদস্যদের উদ্ধার করে। ওই জঙ্গল সলিমপুরের ৫নং ব্লকে, ২৩ মে- ২০২৬ইং, বিকেল ৫টায় অপর একটি ঘটনায় ছেলের ছুরিকাঘাতে পিতা নুরু উল্লাহ (৭২) প্রাণ হারায়। অবশ্য অভিযুক্ত ছেলে সাইফুল্লাহ (৩০) কে আটক করে পুলিশ। চলতি বছরে ১৯ শে জানুয়ারি (২০২৬ইং), একই ঘটনাস্থল জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় র্যাবের উপ-পরিচালক ডিএডি নায়েক সুবেদার মোতালেব হোসেন প্রাণ হারান সন্ত্রাসীদের হাতে। বিশেষ অভিযানে গিয়ে এ র্যাব কর্মকর্তাকে প্রাণ হারাতে হয়।
দিনে দিনে জঙ্গল সলিমপুর সন্ত্রাসীদের অভায়ারোণ্য হয়ে ওঠে। তবে এসব ঘটনা ঘটার অন্যতম কারণ হলো, এখানকার শত শত পাহাড়ি বনভূমি দখলের নেপথ্যের ঘটনা। ইতিমধ্যে শহরের মধ্যেই জেগে ওঠে মুজাফফর নগর ও আলী নগর। হঠাৎ নগর বাসীরাও জানেনা এ নামে আরো দুটি নগর গর্জে উঠলো কোত্থেকে? নাম করণের এ দুই ব্যক্তি কে বা কারা? এ নামের এ দু' নগর প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে শত শত একরের পাহাড়ি অঞ্চল দখলের মহোৎসবে নামে চিহ্নিত বিশেষ মহল। শুধুমাত্র চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ওই পাহাড়ি অঞ্চল দখলের মহোৎসবের অংশবিশেষ বায়েজিদ ফৌজদারহাট সড়ক নির্মাণ করা হয় পাহাড় কেটে। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি ভূমিদস্যু কারবারের ঘটনার অংশবিশেষও। শত শত হেক্টরের পাহাড়ি-টিলা কেটে সমানে আবাসনসহ ভূমি কারবারের নামে আন্ডার ওয়ার্ল্ডের গডফাদাররা। এরা স্থানীয় প্রশাসনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরও নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। আজ বলতে কোনো দ্বিধা নেই, এসকল ভূমিদস্যুদের থাবায় সবুজ বনাঞ্চল বিরানভূমিতে পরিণত হয়েছে। সীতাকুণ্ডের বনভূমি ও চট্টগ্রামকের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে এ সকল স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়ে আবারও সবুজ বনায়ন করা জরুরী হয়ে ওঠেছে। প্রয়োজনে বায়েজিদ ফৌজদারহাট সড়ক বন্ধ করে দিতে হবে। অবশ্য এর বিকল্প সড়ক হিসেবে একেখান, ফয়েজলেক ও জিইসি মোড় সড়ক রয়েছে। অথচ পাহাড় কেটে এসব সড়ক ও উড়াল সড়ক কেন বা নির্মাণ করতে হলো আজো সদুত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। একের পর এক এসব ঘটনায় প্রশাসনের উচ্চ মহলও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুষ্ঠান রুখে দেওয়ার স্পর্ধা দেখালো; অবশ্য ৩১ মে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরের পরিদর্শন করে পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধ করেন। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বাত্মক সর্তক অবস্থায় ছিলো। যাক, কোনোপ্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সালাউদ্দিন সাহেব তাঁর সফর শেষ করতে পেরেছেন।
বলতে হয়, গত কয়েক বছর পূর্বে জঙ্গল সলিমপুরকে নিয়ে একটি কলাম লেখি এবং তা প্রকাশিত হয় চট্টগ্রামের একটি দৈনিকে – লেখাটির শিরোনাম ছিল, "শিরোনাম হীন জঙ্গল সলিমপুর!" ওই কলামেও পূর্বাভাস দেয়া হয় এসবের।
২২ মে- ২০২৬ ইং, শুক্রবার চট্টগ্রামে যাওয়া হয় রাইটার্স ক্লাব চট্টগ্রাম এর কবিতা পাঠ ও পাঠোত্তর পর্যালোচনা অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি খুরশীদ আনোয়ার। সর্বশেষ কবিতাপাঠ পর্বে মূখ্য আলোচক ছিলেন কবি রিজোয়ান মুহম্মদ , কবি শ. ম. বখতিয়ার, কবি ইউসুফ মাহমুদ, কবি রুহু রুহেল, কবি তাপস চক্রবর্তী, প্রাবন্ধিক অমল বড়ুয়া, কবি সোমা মুৎসুদ্দি ও আমি অভাগা।
যেতে জামাল খান চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সম্মুখে ও চিরাগীর গোল চত্বরে পৃথক দুটি প্রতিবাদ সভা হতে দেখতে পেলাম। বেশ জটলা ছিল ওখানে উৎসুক জনতার। অদূরে পুলিশও সর্তক অবস্থায় রয়েছে। কারণ কি তখনও জানতাম না, কিন্তু বিক্ষুব্ধ জনতা রাস্তায় নেমে পড়েছে! ২২ মে নগরির বায়েজিদ বোস্তামী মান্ডাটিলা এলাকায় দিনেদুপুরে ৫ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় মো. হাসান নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। একইদিনে দুপুরে নগরির ডবলমুরিং এলাকার একটি খালি এফারমেন্ট থেকে অপর এক শিশুকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. এহসান (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে। এ দু' পৃথক ঘটনায় নগরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের হাত থেকে ধর্ষকদের ছিনিয়ে নিতে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক বিক্ষুব্ধ জনতা আহত হয়। পুলিশকে লাঠিচার্জ, টিয়ারসেল ও জলকামান পর্যন্ত ব্যবহার করতে হয় বিক্ষুব্ধ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে।
১৯ মে- ২০২৬ইং, ঢাকার পল্লবিতেও দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসাকে ধর্ষণ করা পর গলা কেটে হত্যা করে ঘাতক মো. হাসান( ৪২)। শিশু রামিসার ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাজধানী ঢাকা উত্তাল হয়ে ওঠে ।
পরপর শিশু ধর্ষণ ও হত্যা যেন মহামারি আকার ধারণ করেছে। হামের প্রকোপের ক্ষোভ প্রশমিত না হতেই শিশু ধর্ষণের ঘটনা জাতিকে আরো বিক্ষুব্ধ করে তোলে। সঙ্গে দেশব্যাপী এ ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সত্য কথা কি, আমরা দিনে দিনে অসভ্য হয়ে উঠছি – লোভ, লালসা, মোহ, ক্রোধ ও কাম– এসব পশুবৃত্তি আমাদের পেয়ে বসেছে চরমভাবে, আজ কিনা নিবোর্ধ প্রাণী-পশুর আচরণকেও হার মানিয়েছে।
লেখক: বুদ্ধিজীবী কলামিস্ট ও সাংবাদিক।
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তায় প্রতিদিনের যানজট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্যের স্তূপ আর নাগরিক দুর্ভোগের ম...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত
মো.আরফান উদ্দীন : পৃথিবীর আর কোন দেশে বাংলাদেশের মতো প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় এত মানুষের প্রাণহানি ঘটে কি না, তা আমার...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : একটি মৃত্যুদণ্ডের খবর কখনো কখনো একটি পরিবারের শোকের সীমানা ছাড়িয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধকেই কাঠগà§...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, জেলা ৩১৫-বি৪, বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এল...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কবিতা, সাহিত্য এবং আন্তর্জাতিক সাহিত্য বিনিময়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক সার্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited