শিরোনাম
স্টাফ রিপোর্টার : | ০৬:৩০ পিএম, ২০২৬-০৫-১৯
প্রখর রোদ আর অসহনীয় গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা নগরবাসীর। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ মানুষ খুঁজছেন একটু স্বস্তি। আর সেই স্বস্তির অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছে রাস্তার পাশের ঠান্ডা শরবত ও বিভিন্ন ফলের জুস। নগরের অলিগলি, স্কুল-কলেজের সামনে, ব্যস্ত সড়ক কিংবা ফুটপাত-সবখানেই দেখা মিলছে রঙিন শরবত আর বরফ মেশানো পানীয়ের অস্থায়ী দোকান।কিন্তু তৃষ্ণা মেটাতে গিয়ে অজান্তেই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন হাজারো মানুষ। ধুলাবালি, খোলা পরিবেশ ও অপরিচ্ছন্ন পানিতে তৈরি এসব শরবত ও জুস এখন হয়ে উঠেছে নানা পানিবাহিত রোগের অন্যতম কারণ। নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ফুটপাতের বেশিরভাগ শরবতের দোকানেই নেই স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই। একই পানির পাত্র দিনের পর দিন ব্যবহার করা হচ্ছে। শরবত তৈরির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে অপরিষ্কার পানি, নিম্নমানের বরফ ও খোলা অবস্থায় রাখা ফলমূল। ধুলা-ময়লা আর যানবাহনের কালো ধোঁয়ার মাঝেই তৈরি ও বিক্রি হচ্ছে এসব পানীয়। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের ভিড় সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এসব দোকানে। ক্লাস শেষে কিংবা কোচিংয়ে যাওয়ার পথে গরম থেকে স্বস্তি পেতে অনেকেই ১০ থেকে ৩০ টাকার শরবত পান করছেন। এক কলেজশিক্ষার্থী জানান, প্রতিদিন এত গরমে বাইরে থাকতে হয় যে ঠান্ডা কিছু না খেলে কষ্ট লাগে। তাই রাস্তার পাশের শরবত খাই। তবে মাঝে মাঝে খাওয়ার পর পেট ব্যথা বা বমি হয়। শুধু শিক্ষার্থী নয়, শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক, অফিসফেরত কর্মজীবীরাও কম দামে সহজলভ্য হওয়ায় ফুটপাতের শরবতের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, এসব অস্বাস্থ্যকর পানীয় সাময়িক প্রশান্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে তা ডেকে আনছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি। ডায়রিয়া, আমাশয়, জন্ডিস, টাইফয়েডসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যাওয়ায় মানুষ দ্রুত ঠান্ডা পানীয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে। কিন্তু অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি শরবতে থাকা জীবাণু সহজেই শরীরে সংক্রমণ ঘটায়। বিশেষ করে অপরিষ্কার বরফ ও দূষিত পানি সবচেয়ে বড় ঝুঁকির কারণ। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ভাগ্যধন বড়ুয়া বলেন, বর্তমানে গরমজনিত অসুস্থতার পাশাপাশি পেটের নানা রোগ নিয়ে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। অনেকের ক্ষেত্রেই বাইরে খোলা শরবত বা জুস খাওয়ার ইতিহাস পাওয়া যাচ্ছে। খাদ্য নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের মতে, ফুটপাতের খাবার ও পানীয় বিক্রিতে কার্যকর নজরদারির অভাব রয়েছে। নিয়মিত তদারকি ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত না হওয়ায় এ ধরনের অস্বাস্থ্যকর খাদ্যপণ্য অবাধে বিক্রি হচ্ছে। সচেতন মহল মনে করছে, নগরজুড়ে নিরাপদ পানীয় নিশ্চিত করা এবং ফুটপাতের খাবারের মান নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা প্রয়োজন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে। সাময়িক স্বস্তির জন্য অস্বাস্থ্যকর শরবতের বদলে বিশুদ্ধ পানি বা স্বাস্থ্যসম্মত ঘরে তৈরি পানীয় গ্রহণ করতে হবে। তীব্র গরমে এক গ্লাস ঠান্ডা শরবত হয়তো মুহূর্তের স্বস্তি দেয়, কিন্তু সেই স্বস্তিই যদি ডেকে আনে অসুস্থতা, তাই সচেতন হওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই নগরবাসীর।
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মোহাম্মদ মনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited