শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০২:৫০ পিএম, ২০২৬-০১-২৪
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় দুই কাটা হাত উদ্ধারের পর ঘটনার জট খুলেছে পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে, নিহত মো. আনিছের (৩৮) সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকা সুফিয়া আক্তার (৩৯) নামে এক নারীর পরিকল্পনায় তাকে হত্যা করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী আনিছকে অভিযুক্ত নারী বাসায় ডেকে নিয়ে সহযোগীদের সহায়তায় পাথরের শীল ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে। পরবর্তীতে মরদেহ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারী সুফিয়া আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, নিহত আনিছ চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার চিকদাইর এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামি সুফিয়া আক্তার নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন পাঠানপাড়া এলাকায় বসবাস করেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামী থানার শহীদনগর চারতলার মোড় এলাকায় একটি কালো পলিথিনে মোড়ানো মানবদেহের দুটি কাটা হাত পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে হাত দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার পরপরই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও মরদেহের অবশিষ্ট অংশ উদ্ধারে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে উদ্ধারকৃত জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্রে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানান, আনিছ গত ২০ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশ অভিযান শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় ২২ জানুয়ারি রাত আনুমানিক চারটার দিকে শহীদনগর এলাকা থেকে সুফিয়া আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ উত্তর জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সুফিয়া আক্তার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, নিহত আনিছের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ ও মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তিনি আনিছকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০ জানুয়ারি বিকেলে আনিছকে পাঠানপাড়ার বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে পাথরের শীল দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় আঘাত করে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ টুকরা টুকরা করে কালো পলিথিনে ভরে আলামত গোপনের উদ্দেশ্যে শহীদনগর ও শীতলকর্ণা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত ব্যক্তির মরদেহের খণ্ডিত বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মোহাম্মদ মনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited