শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:১৪ পিএম, ২০২০-১০-০৭
করোনায় বন্ধ থাকা সিটি আউটার রিং রোডের কাজ পুরোদমে চলছে। বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে নগরের পতেঙ্গা থেকে সাগরিকা পর্যন্ত নির্মাণাধীন নয়নাভিরাম এই রোডের মূল কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ হয়েছে। নগর থেকে বিমানবন্দরগামী রোডের ওপর যানবাহনের চাপ কমাতে গত আগস্টে আউটার রিং রোডে আংশিকভাবে যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হলেও চলতি বছরের শেষে এই রোডে পুরোদমে যান চলাচল শুরু করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। রিং রোড দক্ষিণ কাট্টলী থেকে সংযোগ রোডের মাধ্যমে স্টেডিয়ামের পাশ দিয়ে সাগরিকায় পোর্ট কানেকটিং রোড ও পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন টানেলের সঙ্গে যুক্ত হবে। এটি পুরোদমে চালু হলে শহরের মূল রোডে বন্দর এবং ইপিজেড’র ভারী যানগুলোর চাপ কমবে। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে চার লেনের এ রোডটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। আড়াই হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। কয়েক দফা মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২১ সালের মাঝামাঝিতে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা। উপকূলীয় বাঁধ কাম আউটার রিং রোড নির্মাণ নামে এ প্রকল্পের আওতায় ১৭ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার রোড নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ১৫ দশমিক ২০ কিলোমিটার মূল ও ২ দশমিক ১৫ কিলোমিটার সংযোগ রোড। করোনায় কিছুদিন কাজ বন্ধ থাকার পর বর্তমানে সিটি আউটার রিং রোডের কিছু অংশে বাকি থাকা পিচ ঢালাই, ওয়াকওয়ে নির্মাণ, ব্লক তৈরি এবং ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলছে। এসব কাজ ডিসেম্বরের আগেই শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে মূল সিটি আউটার রিং রোডের নির্মাণকাজ শেষের দিকে হলেও তিনটি ফিডার (শাখা) রোডের কাজে বড় অগ্রগতি নেই। ফিডার রোড-১ (পতেঙ্গা স্টিলমিল এলাকায় নারিকেলতলা দিয়ে বেড়িবাঁধে), ফিডার রোড-২ (বড়পোল আনন্দবাজার হয়ে বেড়িবাঁধে) এবং ফিডার রোড-৩ (সাগরিকা হয়ে বেড়িবাঁধে) নির্মাণ করার কথা। এরমধ্যে ফিডার রোড-১ নির্মাণকাজ ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতায় শুরু করা যাচ্ছে না। সম্প্রতি ইপিজেড থেকে রিং রোড সংযোগ রোডের সঙ্গে ফিডার রোড-২ নির্মাণের অনুমতি পাওয়া গেছে মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে। আর ফিডার রোড-৩ নির্মাণের কাজ চলছে। প্রকল্প পরিচালক ও সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, প্রকল্পের ৯০ থেকে ৯২ শতাংশ কাজ শেষ। ২০২১ সাল পর্যন্ত কাজের মেয়াদ থাকলেও চলতি বছরের শেষের দিকে পুরোদমে যান চলাচল করতে পারবে বলে আমরা আশাবাদী। তিনি বলেন, বাঁধের ওপর রোডটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে সংযোগ হবে। সাগরের তীর ঘেঁষে প্রায় ৩০ ফুট উঁচুতে এই রোড নির্মাণ চ্যালেঞ্জিং। এটি চালু হলে বন্দর, শিল্প কারখানা ও বিমানবন্দরগামী যানবাহন এ রোড দিয়ে চলাচল করতে পারবে। টানেল থেকে সরাসরি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত হওয়া যাবে। ‘ফলে নগরের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর ওপর চাপ কমবে। উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে বন্যা ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস থেকে শহর, বিমানবন্দর, ইপিজেডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহ রক্ষা হবে। শুধু দেশে নয়, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে এই রোড হবে একটি মাইলফলক। ’ জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) ২০০৫ সাল থেকে পতেঙ্গা হতে ফৌজদারহাট পর্যন্ত বেড়িবাঁধ কাম আউটার রিং রোড নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করে। যাচাই শেষে জাইকা ২০০৭ সালে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে চুক্তি করে। শুরুতে এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৮৬৫ কোটি ২৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কয়েক দফা সংশোধনের পর বর্তমানে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪২৬ কোটি ১৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ১ হাজার ৭২০ কোটি ১১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও জাইকার সহায়তা ৭০৬ কোটি টাকা। নতুন সংযোগ সড়ক এবং প্রকল্পের সময় বাড়ানোর কারণে ব্যয় আরও বাড়বে।
রিপোর্টার : জোবায়ের হোসেন, চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে বিয়ের প্রলোভনে এক কলেজছাত্রীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ চট্টগ্রাম মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন চট্ট...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রায় ২৪১ কোটি টাকা আটকে আছে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে। এর মধ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার করিমগঞ্জ (শাম্বীর বাপের বাড়ি) এলাকায় একটি পৈতৃক সম্পত্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) নতুন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ উদ্বোধনের মধ্য...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited