শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ০৬:১৬ পিএম, ২০২৪-১০-১৭
ফিলিপাইন দূতাবাসের থার্ড সেক্রেটারী এবং ভাইস কনসাল মিজ লিন আর. গুতেরেজ ১৭ অক্টোবর সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের চেম্বার কার্যালয়ে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ও চিটাগাং চেম্বার প্রশাসক মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা’র সভাপতিত্বে ফিলিপাইনের অনারারী কনসাল এম. এ. আউয়াল, চিটাগাং চেম্বারের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এরশাদ উল্যাহ, সাবেক পরিচালক আমজাদ হোসেন চৌধুরী ও মাহফুজুল হক শাহ, ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট এন্ড বিজনেসম্যান ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও পার্ক শিপিং লাইন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, চট্টগ্রাম বিজনেস ফোরামের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী কামরুল হুদা, লুব-রেফ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি খালেদা আউয়াল, শিপার্স কাউন্সিল অব বাংলাদেশ এর পরিচালক লোকপ্রিয় বড়–য়া, বিএসআরএম গ্রুপের সঞ্জয় কুমার ঘোষ ও চিটাগাং চেম্বারের যুগ্ম সচিব নুরুল আবছার চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বঞ্চিত ব্যবসায়ী সমাজের সমন্বয়ক এস. এম. সাইফুল আলমসহ দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময়কালে চিটাগাং চেম্বার প্রশাসক মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা বলেন-স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক অগ্রগতি হয়েছে। বন্দরনগরী চট্টগ্রামের তৈরিপোশাক, ফার্মাসিউটিক্যালস, শিপবিল্ডিং, শিপব্রেকিং এবং আইটি সেক্টর এই ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে যাচ্ছে। পাশাপাশি চিটাগাং চেম্বার ব্যবসায়িক পরিবেশ ও বিনিয়োগের উন্নয়নে সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি ফিলিপাইনের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্কে বলেন-২০২২ সালে বাংলাদেশ থেকে ফিলিপাইনে ১১০ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি করা হয়। ফিলিপাইন থেকে ৩৮ মিলিয়ন ডলার পণ্য আমদানি করা হয়। এতে বুঝা যায় উভয়দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সেইভাবে গড়ে ওঠেনি। তাই এই বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ভিসার জটিলতা। তাই বিজনেস টু বিজনেস সম্পর্ক বাড়াতে এবং বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের উপর জোর দেন চেম্বার প্রশাসক।
ফিলিপাইন দূতাবাসের থার্ড সেক্রেটারী এবং ভাইস কনসাল লিন আর. গুতেরেজ বলেন-ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে চট্টগ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া এখানে রয়েছে বিনিয়োগের যথেষ্ট সম্ভাবনা। তাই দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্কোন্নয়নে আন্তরিক ফিলিপাইন সরকার। এ লক্ষ্যে ভিসা জটিলতা নিরসনসহ নানা উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। দু’দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে তিনি বাংলাদেশী ব্যবসায়ী ডেলিগেটদের ফিলিপাইনে আমন্ত্রণ জানান।
অন্যান্য বক্তারা বলেন-চট্টগ্রামে রয়েছে প্রায় ৪/৫টি অর্থনৈতিক অঞ্চল। অঞ্চলগুলোতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য সরকার যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে। ফিলিপাইনের মত কৃষি প্রধান বাংলাদেশে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ম্যানুফ্যাকচারিং, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং পর্যটন সেক্টরে ফিলিপাইনের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সাথে একক ও যৌথ বিনিয়োগের আহবান জানান।
নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘নিজের স্বপ্নগুলোই জীবনের এভারেস্ট। জীবনের এভারেস্ট জয় করতে হলে বই পড়তে হবে। পৃথিবীকে জানতে বে...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নগরের খুলশীর কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকায় অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের জন্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : কর্ণফুলী উপজেলার কলেজ বাজার এলাকায় কাভার্ডভ্যান ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। এ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নগরের হালিশহর থানায় আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলায় আসামি মো.মজিবর মৃধাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ জন নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর চট্টগ্র...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নগরবাসীর নিরাপদ সড়ক পারাপারের স্বপ্ন নিয়ে নির্মিত হয়েছিল চট্টগ্রামের প্রথম এস্কেলেটরযুক্ত ফুটও...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited