শিরোনাম
আনোয়ারা প্রতিনিধি : | ০৭:৩৩ পিএম, ২০২৪-০৯-১৭
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ইশতিয়াক ইমন এখনো বহাল তরবিয়তে। ৫ই আগস্ট আওয়ামীলীগের পতন হওয়ার পর মাঠ প্রশাসনে এখনো আওয়ামীলীগের দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়া এ কর্মকর্তা এখনো বহাল তরবিয়তে রয়ে গেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আনোয়ারার ইউএনও মো: ইশতিয়াক ইমন ২০০৯ সালে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের রাজনীতিতে ক্যাডার হিসেবে ভূমিকা পালন করেছিলেন। ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারিতে ক্যাডারের ভূমিকা নিয়ে এসেছিলেন আলোচনায়। কুমিল্লার ত্রাস খ্যাত আওয়ামীলীগের সদ্য সাবেক এমপি আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে ইউএনও হিসেবে পোষ্টিং লাভ করেন।
তিনি ২০২৩সালে ৩১শে জানুয়ারী আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদান করার পর থেকে বিভক্ত করে ফেলেন সংবাদ কর্মীদের। আনোয়ারায় একাধিক প্রেসক্লাব থাকলেও তিনি উপজেলার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দাওয়াত পত্র দেন শুধুমাত্র আওয়ামী পন্থী প্রেসক্লাবকে। আওয়ামী পন্থী ফ্যাসিস সরকারের চাটুকার সাংবাদিকদের নিয়ে দহরম মহরম সম্পর্ক গড়ে তুলেন। এছাড়াও তিনি আনোয়ারা যোগদানের পর থেকে অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বাজার মনিটরিং, অবৈধ ফুটপাত, অবৈধ বেকারী, ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য, নির্বাচন অফিসে সেবা পেতে হয়রানি, সড়কে চাঁদাবাজি এসব অনিয়ম নিয়ে সংবাদ কর্মীরা জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত করলেও তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে সাড়া জাগানো কোন অভিযান পরিচালনা করেননি। এতে পুরো উপজেলাজুড়ে অনিয়মের ভরপুর হয়ে উঠেছে।
উপজেলার সিনিয়র সাংবাদিকরা জানান, বিভিন্ন সময়ে অনিয়মের সংবাদ প্রচার করে ইউএনও কে হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে সংবাদগুলো নজরে আনার জন্য দিলে, তিনি বিষয়গুলো এড়িয়ে যেতে সংবাদ কর্মীদের নাম্বার ব্লক করে দেন। আনোয়ারার বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক সমাজ মনে করেন, প্রশাসনের যেসব কর্মকর্তা রাজনৈতিক পরিচয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে রেখেছে তাদের মাঠ প্রশাসন থেকে দ্রুত বদলির ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
এই উপজেলার নির্বাহী অফিসারের আমলে উন্নয়নের ফিরিস্তি বের করলে নজিরবিহীন দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যাবে বলে জানান আনোয়ারার সচেতন মহল। আনোয়ারায় সাবেক ইউএনও গোপালগঞ্জের শেখ পরিবারের ছত্রছায়ায় থাকা পালাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়া আত্মীয় পরিচয় দেওয়া শেখ যোবায়ের আহমেদের পরামর্শে আনোয়ারা উপজেলা পরিচালনা করেন বলে বিভিন্ন গোপন সংবাদে জানা যায়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়া এসব কর্মকর্তা এখনো সক্রিয়। ফলে সরকারের অনেক সিদ্ধান্ত মাঠ পর্যায়ে কার্যকর করা কঠিন হয়ে উঠেছে। উধ্বর্তন কর্মকর্তা চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের উচিত অবিলম্বে আনোয়ারার নির্বাহী অফিসার মো: ইশতিয়াক ইমনকে প্রত্যাহার করার দাবী জানান বৈষম্য বিরোধী সচেতন নাগরিকগণ।
এব্যাপারে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম কে মোবাইল ফোনে কল দিলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ এ কে এম আব্দুল আউয়াল মজুমদার জানান, প্রশাসনের যেসব কর্মকর্তা রাজনৈতিক পরিচয়ে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে, তাদের মাঠ প্রশাসনে না রাখা উত্তম। নিশ্চয়ই যারা চিহ্নিত আছেন অবশ্যই অন্তর্বতী সরকার তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
স্টাফ রিপোর্টার : : এস. এফ. এম. মোস্তাঈন বিল্লাহ পাহাড়, নদী, ঝরনা, বন আর বৈচিত্র্যময় জনজীবন প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘের...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান ও নিয়মিত মামলায় চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় বিভিন্ন এলাকায় ২৪ ঘণ্টায় ৫২৪ ...বিস্তারিত
পটিয়া প্রতিনিধি : : পটিয়ায় উপজেলার ভাটিখাইন ইউনিয়নের একটি ডোবা থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবন, মহান আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সম্পর্কে ন...বিস্তারিত
আনোয়ারা প্রতিনিধি : : গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় পুনরায় সার উৎপাদনে যাচ্ছে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিই...বিস্তারিত
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি : : খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited