শিরোনাম
সম্পাদকীয় ডেস্ক :: | ০৭:৫৯ পিএম, ২০২২-০৭-২৭
চট্টগ্রাম নগরীতে ওয়াসা ৮শ’ কিলোমিটার সঞ্চালন পাইপ লাইনের মাধ্যমে নগরের ৮০ হাজার গ্রাহকের কাছে ‘বিশুদ্ধ পানি’ সরবরাহ করছে। এসব পানির মান যাচাইয়ে প্রতিমাসে নিজস্ব উদ্যোগে পরীক্ষাও করে থাকে সংস্থাটি। তবে কখনো তাদের করা পরীক্ষায় পানি দূষিত হয়েছে বা ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে এরকম খবর প্রকাশ করেনি ওয়াসা। কিন্তু গত ৬ মার্চ উচ্চ আদালতের এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিত পানির মান যাচাইয়ে করা হয় চার সদস্যের কমিটি। আর তাতেই বেরিয়ে এলো ওয়াসার পানির মানের কি অবস্থা! চট্টগ্রাম ওয়াসার সরবরাহ করা গভীর নলকূপের পানিতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ‘কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়ার’ উপস্থিতি ধরা পড়েছে। এই ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন আন্ত্রিক ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি করে। কলিফর্ম মিশ্রিত পানি পানে ডায়রিয়া, আমাশয়, রক্ত আমাশয়, কলেরা, টাইফয়েড ছাড়াও ভাইরাল হেপাটাইটিস (জন্ডিস) রোগের সূচনা হয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত পানি পানের আগে অবশ্যই ১৫ মিনিট সিদ্ধ করতে হবে এসব জটিল রোগ থেকে বাঁচতে। গত ৬ মার্চ এক রিটের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার পানি পরীক্ষা করতে চার সদস্যের কমিটি গঠনের আদেশ দেন উচ্চ আদালত। সেই আদেশের প্রেক্ষিতে ১৩ জুন থেকে ওয়াসার ২৪ পয়েন্টের নমুনা নেওয়া হয় শুরু করে কমিটি। পরে নমুনা পানিগুলো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের মাইক্রোবায়েলজি বিভাগ, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) ও পরিবেশ অধিদপ্তরে ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে লাভলেইনে অবস্থিত চট্টগ্রাম ওয়াসার গভীর নলকূপের পানি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে পরীক্ষা করা হলে কলিফর্মের উপস্থিতি পাওয়া যায়। সম্প্রতি পানির নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদনটি অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে পাঠিয়েছে তদন্ত কমিটি। কমিটির এক সদস্য বলেছেন, ‘লাভলেন এলাকায় অবস্থিত ওয়াসার গভীর নলকূপের পানি একটি ল্যাবে পরীক্ষার পর সে পানিতে কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যা শোচনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি। অবশ্য পরিশোধনের মাধ্যমে ওয়াসা যেসব সারফেস ওয়াটার (ভূমির উপরিভাগের পানি) গ্রাহকদের সরবরাহ করছে সেগুলোতে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। উচ্চ আদালত থেকে পরবর্তী নির্দেশনা পাওয়ার পর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের একজন শিক্ষক বলেন, ‘পানিতে কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়ার সহনীয় মাত্রা শূন্য। এর বেশি হলেই মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। মূলত পানিতে প্রাণিজ বর্জ্যের মিশ্রণ ঘটলে ধরে নিতে হবে যে, পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ত্রুটি আছে।’ বিশেষজ্ঞরা বলছেন— স্তন্যপায়ী প্রাণীর অন্ত্র এই ব্যাকটেরিয়ার উৎস। যদিও প্রকৃতিতে বা মাটিতে এ ধরনের ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি খুব স্বাভাবিক, কিন্তু পানিতে এ রকম ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি ঘটলে বুঝতে হবে সেই পানিতে প্রাণিজ বর্জ্যের মিশ্রণ ঘটেছে।কলিফর্ম মিশ্রিত পানি পানে ডায়রিয়া, আমাশয়, রক্ত আমাশয়, কলেরা, টাইফয়েড ছাড়াও ভাইরাল হেপাটাইটিস (জন্ডিস) রোগের সূচনা হয়। কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত পানি পানের আগে অবশ্যই ১৫ মিনিট ফুটিয়ে ঠান্ডা করে পান করতে হবে। ওয়াসার একজন কর্মকর্তা বলেছেন, পানির উৎপাদন ব্যবস্থায় কোনো জীবাণুর উপস্থিতি থাকার কথা না। তবে পানি সরবরাহ লাইনে অনেক সময় ফুটো হয়ে যাওয়ায় ড্রেনের ময়লা পানি ঢুকে ওয়াসার পানিকে দূষিত করে ফেলে। এ কারণে কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি থাকতে পারে।'
বিশেষজ্ঞরা বলছেন— স্তন্যপায়ী প্রাণীর অন্ত্র এই ব্যাকটেরিয়ার উৎস। যদিও প্রকৃতিতে বা মাটিতে এ ধরনের ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি খুব স্বাভাবিক, কিন্তু পানিতে এ রকম ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি ঘটলে বুঝতে হবে সেই পানিতে প্রাণিজ বর্জ্যের মিশ্রণ ঘটেছে।কলিফর্ম মিশ্রিত পানি পানে ডায়রিয়া, আমাশয়, রক্ত আমাশয়, কলেরা, টাইফয়েড ছাড়াও ভাইরাল হেপাটাইটিস (জন্ডিস) রোগের সূচনা হয়। কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত পানি পানের আগে অবশ্যই ১৫ মিনিট ফুটিয়ে ঠান্ডা করে পান করতে হবে।
‘ বিভিন্ন সময়ের পর্যালোচনা করলে তা বুঝা যায়, তবে ওয়াসার পানি নিয়ে নগরবাসীর অনেক অভিযোগ রয়েছে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ পতেঙ্গা, বন্দর, হালিশহর ও পাহাড়তলী এলাকার বাসিন্দাদের। এসব এলাকার অভিযোগ, ওয়াসার পানিতে ময়লা ও দুর্গন্ধ রয়েছে। পুরাতন সঞ্চালন লাইনে পানি সরবরাহ করায় তা কাদা পানিতে একাকার হয়ে ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত হচ্ছে। এছাড়া হালিশহর এলাকায় স্যুয়ারেজ লাইন এবং পানির লাইন একসঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে। এ কারণে ওই এলাকার পানি ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত হচ্ছে।’ সুতরাং বিশুদ্ধ পানি নাগরিক অধিকার, সম্প্রতি রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানির মূল্য বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধি পেয়েছে । নাগরিক বাসা বাড়িতে পুনরায় পানি গরম করে বিশুদ্ধ করতে প্রচুর জ্বালানি অপচয় হচ্ছে । আর অনেক তা সম্ভব হচ্ছে না , ফলে ডায়রিয়া, আমাশয়, রক্ত আমাশয়, কলেরা, টাইফয়েড ছাড়াও ভাইরাল হেপাটাইটিস (জন্ডিস) রোগের সূচনা হয়, ফলে চিকিৎসা বাবদ প্রচুর টাকাও ব্যয় হয়। চট্টগ্রাম নগরীতে বিশুদ্ধ পানি সরবাহের মাধ্যমে নাগরিকের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হবে ।
আ.ন.ম. তাজওয়ার আলম : ক্ষমতার বাহাদুরি আজ চরম আকার ধারণ করেছে। যারা ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের সময় ভীতু ও হতাশ...বিস্তারিত
মিজানুর রহমান চৌধুরী : ✍️ মিজানুর রহমান চৌধুরী “রাষ্ট্র আসলে কারা চালায়?” — এই প্রশ্নটি আজ আর কেবল কৌতূহল নয়, এটি এক ত...বিস্তারিত
মিজানুর রহমান চৌধুরী : পদবী লোভী লুটেরা দালালদের এ মুহুর্তে থামিয়ে দিতে হবে। আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করেনি এরকম পদলোভী লুটের...বিস্তারিত
আলাউদ্দীন বেলাল : ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অর্জনের লক্ষ্যে একটি নতুন অর্থনৈতিক জোট...বিস্তারিত
বরকল (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :: : শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ কেন বিশ্বের বর্তমান হতাশা? পৃথিবী এখন এক যুগ সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয...বিস্তারিত
মুহাম্মদ আমির হোছা্ইন :: : শিশু-কিশোররাই দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার। শিশু-কিশোররা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে বেড়ে উঠলেই দেশ ও জ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited