চট্টগ্রাম   মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬  

শিরোনাম

নতুন রাজনৈতিক দল লাভ বাংলাদেশ পার্টির আত্মপ্রকাশ 

খবর বিজ্ঞপ্তি    |    ০৭:৪৬ পিএম, ২০২২-০৫-১৬

নতুন রাজনৈতিক দল লাভ বাংলাদেশ পার্টির আত্মপ্রকাশ 

লাভ বাংলাদেশ পার্টির প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে কমলাপুর ইর্স্টান কমপ্লেক্স ঢাকার নিজস্ব কার্যলায়ে পরিবর্তনের প্রত্যায় নিয়ে  লাভ বাংলাদেশ পার্টির আত্মপ্রকাশ হয়।
রবিবার (১৫ মে) পার্টি অফিসে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক দল ঘোষণা করেন পার্টির প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান চৌধুরী।
লাভ বাংলাদেশ পার্টির ইশতেহার পাঠ করেন প্রফেসর ড. আমিন আহমেদ চৌধুরী।
ইশতেহারে লিখিত বক্তব্যে গনমাধ্যমকে তিনি বলেন, দেখতে দেখতে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ ৫০ বছর অতিক্রম করছে। বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক নব্য উপনিবেশবাদী আর আ লিক আধিপত্যবাদীদের শোষ ক্ষেত্র।স্বাধীনতা উত্তর বিগত ৫০ বছরের শেষে বাংলাদেশের অর্জন কি? এক কথায় নির্মম গণশোষণ।
মহান নেতা বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন "এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম"। এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে স্বাধীনতা
 অর্জিত হয়েছে, শোষিত বিশাল জনগোষ্ঠীর মুক্তি অর্জিত হয়নি। আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রীয় অখন্ডতার প্রতি শর্তহীন আনুগত্য, জাতীয় সংবিধানের প্রতি অবিচল আস্থা, বিশাল জনগোষ্ঠীর প্রতি জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে অকৃত্রিম ভালবাসা, তাদের সার্বিক মুক্তি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন। আর তা করতে যেয়ে বর্তমান রাজনৈতিক অর্থনৈতিক সাংস্কৃতিক ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য জনগণকে সাথে নিয়ে পথ চলবো।

কি চায় লাভ বাংলাদেশ?
১) রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন থেকে মুক্তি
২) অর্থনৈতিক শোষণ থেকে মুক্তি
৩) সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে মুক্তি
একটু বিশদভাবে বলতে গেলে
*বুদ্ধির আড়ষ্টতা অর্থাৎ পোড়ামী থেকে মুক্তি,
*মানবিক (মানবতার) অসাম্য  থেকে মুক্তি,
*সামাজিক অবিচার অনাচার থেকে মুক্তি,
*অসার শিক্ষা থেকে মুক্তি (শিক্ষিত মানুষ যখন রাষ্ট্রের প্রতি নিজের অধিকার কর্তব্য ও দায়িত্ববোধ বিস্মৃত হয়ে বাগাড়ম্বর সর্বস্ব রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নকে প্রতিরোধ না করে সমর্থন দেয় তখন তাকে অশিক্ষা বলতেই হয়)।
*খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা থেকে মুক্তি,
*স্বাস্থ্যসেবার অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি,
*অপউন্নয়ন বা অসম উন্নয়ন থেকে মুক্তি ( যে উন্নয়নের ফলে গ্রামীণ জনগণ জীবনধারণ উপযোগী খাদ্যের অভাবে বণ্যার স্রোতের মত শহরে এসতে বাধ্য হয় তাকে অপ বা অসম উন্নয়ন বলা ভিন্ন গত্যন্তর নেই),
*বিচারহীনতা থেকে মুক্তি (আমরা প্রতিদিন বিচারহীনতার অভিশাপে জনজীবন বিপর্যস্ত হিতে দেখছি),
শিক্ষিত লোকেরাই দুর্নীতি তথা ঘুষ, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, গুম, সতীর্থ খুন, অন্যের সম্পদ জবরদখল, রাষ্ট্রীয় ধনভাণ্ডার লুট, জনগণের আমানতের গসংরক্ষক ব্যাংককে দেউলিয়া করা, ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েই জাতীয় স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রীয় অখন্ডতার বিরোধী কর্মকাণ্ড করছে। বাংলাদেশে অর্থ এবং রাজনৈতিক ক্ষমতা থাকলেই এসব করা এখন বাধাহীন। এজন্য শাস্তি দেওয়া অসম্ভব। 
*ক্ষুধা থেকে মুক্তি (ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট অর্থবিত্তের লোভে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মুল্য অতিরিক্ত বৃদ্ধি করে জনজীবনে  দুর্ভোগ ও মৃত্যু নিশ্চিত করছে),
*নির্লজ্জ দদলীয়করণ থেকে মুক্তি,
*পরিবেশ দুষণ তথা বন ধংশ, নদী দখল ও দুষণ, বায়ু দুষণ থেকে মুক্তি,
*রাষ্ট্রের অনাবিষ্কৃত খণিজ সম্পদ আবিষ্কারের জন্য দেশীয় জনবল থাকা এবং প্রযুক্তি আমদানির সুযোগ থাকা সত্ত্বেও শুধু কমিশন বাবদ বিপুল অর্থ পাওয়ার সুযোগ নেওয়ার জন্য। বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে বন্ধক  দেওয়া থেকে মুক্তি।
বাংলাদেশের প্রতি ভালবাসা থেকেই "লাভ বাংলাদেশ" সংগঠনের উৎপত্তি। দেশের সর্বস্তরের জনগণের সাথে দীর্ঘদিনের নিরবিচ্ছিন্ন আলাপ আলোচনা শেষে তাদের একান্ত তাগিদেই "লাভ বাংলাদেশ পার্টি" গঠন করা হয়।
ভালবাসার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত কেয়ার নেওয়া। বাংলাদেশকে ভালবাসি কিন্তু তার উন্নতির দিকে খেয়াল নেইনা এমন হলে তাকে ভালবাসা বলা যাবেনা। আবার কেয়ার নেই কিন্তু স্থান-কাল-পাত্র বিশেষে সুবিচার করিনা তাহলে সে কেয়ারকে সঠিক কেয়ার নেওয়া বলা যায়না। এজন্যই খড়াব ঈধৎব ও ঔঁংঃরপব এক সাথে চলতে হয়। লাভ বাংলাদেশ এর দিগদর্শণের মুল কথা খড়াব, ঈধৎব ও ঔঁংঃরপব:  
লাভ বাংলাদেশ এর নেতা ও  কর্মীরা এ আদর্শ উউজ্জীবিত যাতে সাধারণ মানুষকে ভালবাসে, তাদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা জেনে তাদের প্রতি যতœশীল হয়। জনগণের প্রতি যতœশীল হওয়া মানে তাদের জীবন প্রয়াস সহজতর করায়, জীবন্যাত্রার মান উন্নত করায় অবদান রাখে।  তারা জানে অবশ্যই সব শ্রেণিয়র মানুষের প্রতি সুবিচার করতে হবে। আর এই সুবিচার করার ক্ষেত্রে জনগণের প্রতি মমত্ববোধ থাকতে হবে।
গণতন্ত্র বলতে কি শুধুই রাষ্ট্রের নাগরিকদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করা এবং নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার? নাকি আরও কিছু? যদি আরও কিছু হয় তবে কি সেই আরও কিছু? তা বিভিন্ন ধরণের অধিকার প্রাপ্তির জন্য সচেষ্ট হও্যা এবং নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন কর্মাা।
*রাষ্ট্রের শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিতদের গনবিরোধী কার্যকলাপের প্রতিবাদ করার অধিকার,
*অধিকাংশ জনগণ কোন মতে বিশ্বাস করে বলেই সেই গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে না দিয়ে নিজস্ব মত প্রকাশ ও তার যৌক্তিক ব্যাখ্যা প্রদানের অধিকার,
*রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের সমালোচনা করার অধিকার
*সংবিধানে স্বীকৃত জনগণের খাদ্য বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা শ্বাস্থ্য ইত্যাদি অধিকার
*জাতীয় সংবিধানে স্বীকৃত সংগবদ্ধ হওয়ার অধিকার। কেন এজন্য সরকার থেকে নিবন্ধন নিতে হবে? আর যদি লাগেই কেন তা আপনা আপনি হবেনা?

গণতন্ত্র তখনই কার্যকরী যখন জনগণ জানে রাষ্ট্রের প্রতি তার অধিকারসমূহ, তার দায়িত্ব ও কর্তব্য৷ যেমনি তার অধিকার প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দিতে রাষ্ট্র বাধ্য তেমনি এটাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব জনগ্ণকে তার দায়িত্ব পালন ও কর্তব্য সম্পাদনে সচেতন করে তোলা। যে রাজনৈতিক দল এসব করেনা বুঝতে হবে তার উদ্দেশ্য শুভ নয়। তারা চায় জনগণকে ধোকা দিয়ে বোকা বানিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে নিজের অর্থ-বিত্ত সম্পদ আকাশচুম্বি করা। লাভ বাংলাদেশ পার্টি তার প্রতিটি জনসভায় জনগণকে রাজনৈতিক অর্থনৈতিক সাংস্কৃতিক বিষয়ে সচেতন করে তুলবে।
জনগণের ভোট দেওয়ার অধিকার কি এটাই যে তারা অবাধে নিজেদের ভোট দিতে পারবে এবং নিজের পছন্দ প্রার্থীকেই দিতে পারবে? যদি একজন ভোটার প্রর্থী নির্বাচনে মন্দের মধ্যে তুলনামুলকভাবে ভাল ব্যক্তিকে ভোট দিতে বাধ্য হয় (বাধ্য বলছি কারণ কোন জনগণের কল্যানকামী প্রার্থী না থাকে) তবে তা গণতন্ত্রের জন্য ভাল লক্ষণ নয়। জাতীয় নির্বাচনে দেশ ও জনগণের কল্যানকামী ব্যক্তিকে নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সুযোগ সুবিধার নিশ্চয়তা না থাকলে তা কার্যকরী গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক নয়। স্বদেশ স্বজাতির কল্যাণ বিধানে কার্যকরী গণতন্ত্র  প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা, প্রশিক্ষিত করা রাজনৈতিক দলের অন্যতম দায়িত্ব। লাভ বাংলাদেশ এ দায়িত্ব পালনে বদ্ধপরিকর।

 উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জোবাইদা কাদের চৌধুরী, অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, প্রফেসর আফজাল হোসেন, অধ্যাপক ইউসুফ আলী, আতাউল্লাহ খান,কফিল মাহমুদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
উক্ত অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ দেশের জনগণের অর্থনৈতিক শোষণ, দুর্বৃত্তায়ন, লুন্ঠন থেকে মুক্তির লক্ষ্যে কাজ করে যাবার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন।
 

রিটেলেড নিউজ

  ‘বিদ্যুৎ বিভাগের অভিন্ন দর তফসিল-২০২৬’ অনুমোদন

‘বিদ্যুৎ বিভাগের অভিন্ন দর তফসিল-২০২৬’ অনুমোদন

আমাদের ডেস্ক : : বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণমূলক কাজের জন্য প্রণীত ‘বিদ্যুৎ বিভাগের অভিন্ন ...বিস্তারিত


রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা অফিস : : মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সদস্...বিস্তারিত


চট্টগ্রামের বাজারে দেড় শ কেজির কোরাল, দাম প্রায় আড়াই লাখ

চট্টগ্রামের বাজারে দেড় শ কেজির কোরাল, দাম প্রায় আড়াই লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরফের স্তূপের ওপর বিশাল এক সামুদ্রিক মাছ। পাশ দিয়ে যাওয়া প্রায় সবাই থেমে একবার তাকাচ্ছেন। কেউ ছবি ...বিস্তারিত


বাজেটের প্রকৃত সার্থকতা নির্ভর করছে সফল বাস্তবানের ওপর: অর্থমন্ত্রী

বাজেটের প্রকৃত সার্থকতা নির্ভর করছে সফল বাস্তবানের ওপর: অর্থমন্ত্রী

ঢাকা অফিস : : অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, গত দেড়-দুই মাসের পরিশ্রমে প্রণীত সাম্প্রতিক বাজেটটি ...বিস্তারিত


রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে সরকারের কিছু করার নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে সরকারের কিছু করার নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা অফিস : : রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে চলমান আলোচনা ও গুঞ্জনের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাল...বিস্তারিত


চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২৭ জুলাই

চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২৭ জুলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক : বন্যার কারণে স্থগিত চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৫ জেলার পরীক্ষা আগামী ...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

স্পোর্টস ডেস্ক : : ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্ট লিভারপুলের জার্সিতে খেলেন দুজনেই। আক্রমণভাগে দুজনের রসায়নে অলরেড...বিস্তারিত


ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানো নিয়ে পশ্চিমাদের আবারও রাশিয়ার হুশিয়ারি

ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানো নিয়ে পশ্চিমাদের আবারও রাশিয়ার হুশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : রাশিয়ার মাটিতে আঘাত হানতে পারে— এমন সব অস্ত্র ইউক্রেনকে সরবরাহ করার বিষয়ে পশ্চিমা দেশগুলোকে হু...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর