শিরোনাম
বান্দরবান প্রতিনিধি : | ০৫:৫৯ পিএম, ২০২২-০১-৩১
প্রায় সোয়া কোটি টাকা বকেয়ার দায়ে বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বান্দরবানের ৬টি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান।
বিদ্যুৎ না থাকায় পানির অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি বান্দরবান পৌরবাসীর।
সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বান্দরবান বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলি মো.মতিয়া রহমান বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দীর্ঘদিন ধরে বান্দরবান পৌর এলাকায় পানি সরবরাহ করে যাচ্ছে বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। গ্রাহকরা নিয়মিত পানির বিল পরিশোধ করেও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এত টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় বিস্মিত হচ্ছেন অনেকই।
বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় বান্দরবান পৌর এলাকায় বিঘ্নিত হচ্ছে বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পানি সরবরাহ ব্যবস্থা। ফলে পানির অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ২০ হাজারেরও বেশি বান্দরবান পৌরবাসীকে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলি মো.মতিয়া রহমান বলেন,বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে, ৭টি হিসাব নম্বরের বিপরীতে ১ কোটি ১১ লক্ষ ৮ হাজার ৩শত ৮০ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া। পরিশোধের জন্য বারবার অফিসিয়ালি ভাবে তাগাদা দিলেও তারা তা পরিশোধ করে নি। তাই সরকারি রাজস্ব আদায়ের জন্য ক্যাচিং ঘাটা ওয়াটার পাম্প (বকেয়া ৭৯ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭শত ২৫ টাকা), বান্দরবান পৌর ওয়াটার সাপ্লাই (বকেয়া ৮ লক্ষ ৪৩ হাজার ৫শত ৬৮ টাকা),বালাঘাটা ওয়াটার পাম্প (বকেয়া ৬ লক্ষ ৫ হাজার ৩শত ৫০ টাকা), উজানী পাড়া পাম্প (বকেয়া ৭ লক্ষ ৫৫ হাজার ২শত ৮৩টাকা), ওয়াটার পাম্প,টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনষ্টিটিউট (বকেয়া ৫ লক্ষ ৭২ হাজার ৫শত ৯ টাকা), ওয়াটার পাম্প রোয়াংছড়ি বাস ষ্টেশন (বকেয়া ৩ লক্ষ ৩১ হাজার ১শত ৪ টাকা), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ভবন ষ্টেশন (৪২ হাজার ৮ শত ৪১ টাকা) এই সাতটিতে বকেয়ার দায়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর হতে ১৮ জানুয়ারি ইস্যুকৃ্ত অগ্রনী ব্যাংকের একটি ৫ লক্ষ ১ হাজার টাকার চেক প্রদান করলেও তা ৩০ জানুয়ারি ব্যাংকে উপস্থাপন করলে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় ব্যাংক চেকটি প্রত্যাখ্যান করে।
এ বিষয়ে বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্বাহী প্রকৌশলী শর্মিষ্ঠা আচার্য্য জানান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রায় সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে পার্বত্য জেলা পরিষদ বান্দরবান । এছাড়া চেকও ইস্যু করেছে জেলা পরিষদ । কেন বা কি কারনে এত টাকা বকেয়া বা চেক প্রত্যাখ্যান হলো সেটা জেলা পরিষদই ভালো বলতে পারবে।
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যা শৈ হ্লা জানান ,অসুস্থতার কারনে কিছুদিন খোঁজ খবর নিতে পারিনি। আজ বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছি। জনগণকে জিম্মি করে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডর এ ধরণের বকেয়া আদায়ের সিদ্ধান্ত খুবই দু:খজনক।
তিনি আরো জানান, কেন চেক প্রত্যাখ্যান হল বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং জনগণ যাথে পানির জন্য কষ্ট না পায় সে জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি।
বান্দরবান প্রতিনিধি : : বান্দরবানের রুমা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের একজন মাঠ সংগঠক সমিতির ঋণ আদায় করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছ...বিস্তারিত
নয়ন চক্রবর্তী, বান্দরবান : : পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা রক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পাওয়ার আশা অনেকেই ছেড়ে দেন। অনলাইন প্রতারণায় খোয়া যাওয়া টাকাও অনেক স...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : রাঙামাটি শহরের জর্জ কোর্ট সংলগ্ন হোটেল কসমস আবাসিকের চতুর্থ তলায় অবস্থিত রুস্টপ রেস্টুরেন্টে ভয়...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) পরিবহন সংকট ও সড়কের কাজ নিয়ে সামাজিক যো...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিবিরোধী সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ প্রতি মাসে শুধু রাঙামাটি জেলা থেকেই প্র...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited