চট্টগ্রাম   বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০  

শিরোনাম

আর্থিক সেবার পরিধি বেড়েছে প্রান্তিক পর্যায়ে

মুহাম্মদ রুশনী মোবারক, পটিয়া :    |    ০১:০৪ পিএম, ২০২০-০৯-০৮

আর্থিক সেবার পরিধি বেড়েছে প্রান্তিক পর্যায়ে

এক দশক আগেও ব্যাংকিং ছিল শহুর কেন্দ্রিক সেবা। মোট জনগোষ্ঠীর ৮৫ শতাংশই ছিল ব্যাংকিং সেবার বাইরে। ঋণের জন্য নিম্ন আয়ের মানুষের ভরসা ছিল গ্রাম্য মহাজন । প্রত্যন্ত অঞ্চলে অর্থ সঞ্চয়ে ভরসা ছিল মাটির ব্যাংক। দেশের অভ্যন্তরে শ্রমজীবী মানুষের টাকা পাঠানোর প্রধান মাধ্যম ছিল মানুষই। মাত্র এক দশকেই পুরোপুরি পাল্টে গেছে এ চিত্র। বর্তমানে ৬৫ শতাংশের বেশি মানুষই আর্থিক সেবার আওতায় রয়েছে।

প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে গত এক দশকে দেশের আর্থিক খাতে যুক্ত হয়েছে নিত্যনতুন ব্যাংকিং সেবা। এ সেবার সূচনা হয়েছিল মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস বা এমএফএসের হাত ধরে। এরপর যুক্ত হয়েছে এজেন্ট ব্যাংকিং, বুথ ব্যাংকিং, উপশাখার মতো নিত্যনতুন ব্যাংকিং ধারণা। এতেই পাল্টে গেছে ব্যাংকিংয়ের চিত্র। শহুরে চরিত্র থেকে বেরিয়ে ব্যাংক পৌঁছে গেছে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে। ফলাফল আর্থিক সেবার আওতায় চলে এসেছে ৬৫ শতাংশের বেশি জনগোষ্ঠী।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত এক দশকে দেশে ব্যাংক আমানত বেড়েছে ২৯৮ শতাংশ। এ সময়ে ১৮৪ শতাংশ বেড়েছে ব্যাংকে আমানতকারীদের হিসাব সংখ্যা। ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণকারী গ্রাহকের সংখ্যা বেড়েছে ২৪ শতাংশ। আর ব্যাংকের বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে ৩৩৭ শতাংশ। এর বাইরে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে যুক্ত হয়েছেন ৯ কোটি ২৫ লাখ গ্রাহক।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থনৈতিক উন্নতির প্রাথমিক ধাপই হলো শক্তিশালী ব্যাংকিং ব্যবস্থা। জনগোষ্ঠীর যত বেশি অংশ ব্যাংকিং সেবার আওতায় আসবে অর্থনীতি ততটাই শক্ত ভিত পাবে। এ তাগিদ থেকেই গত এক দশকে দেশে নতুন করে অন্তত ৫০ শতাংশ জনগোষ্ঠী ব্যাংকের ছাতার নিচে এসেছে। যুগোপযোগী নীতি প্রণয়ন, নীতির উদারীকরণ ও ব্যাংকারদের সচেতনতা বৃদ্ধির কারণেই ব্যাংকিং সেবা এতটা সম্প্রসারিত হয়েছে।

ব্যাংকিং  সেবা সম্প্রসারণের এ কাজে নেতৃত্ব দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাংলাদেশ ব্যাংক। নিজেদের প্রযুক্তি আধুনিকায়নের মাধ্যমে  বৈপ্লবিক এ পরিবর্তন শুরু করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় সিবিএসপি প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ পরিবর্তনের শুরু হয়। প্রায় ৪১ মিলিয়ন ডলারের এ প্রকল্পের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ঢেলে সাজানো হয়। নতুন প্রযুক্তির ওপর ভর করেই ব্যাংকিং খাতে যুক্ত হয় নিত্যনতুন সেবা। কৃষকদের জন্য ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব চালু, মোবাইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, বুথ ব্যাংকিং, উপশাখা, ন্যানো লোনসহ বিভিন্ন সেবার মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আওতায় আসতে থাকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ। নতুন করে ব্যাংকিং সেবায় যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় আছে ভার্চুয়াল ব্যাংক, ডিজিটাল শাখাসহ প্রযুক্তিসমৃদ্ধ বিভিন্ন সেবা।

এক দশকে ব্যাংকিং সেবায় এমন পরিবর্তনের  বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড.আতিউর রহমান বলেন , ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা থেকেই দেশের ব্যাংকিং খাতে প্রযুক্তির আধুনিকায়ন করা হয়। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে এ কাজের তদারকি করার। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সিবিএসপি প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের একটি প্লাটফর্ম তৈরি হয়েছিল। তার ওপর দাঁড়িয়েই আমরা ২০১১ সালে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস চালু করেছিলাম। সবার হাতে থাকা মোবাইল ফোনকে কাজে লাগাতেই উদ্যোগটি নেয়া হয়েছিল। পাশাপাশি এজেন্ট ব্যাংকিং চালুর ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে গেছে। সে সময় প্রযুক্তির উন্নয়নে করা বিনিয়োগই করোনা মাহামারীতে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রেখেছে। ভবিষ্যতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরো বেশি আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০০৯ সাল শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে আমানতকারীদের হিসাব সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৩২১। গত এক দশকে তা বেড়ে ১১ কোটি ছাড়িয়েছে। চলতি বছরের মার্চ শেষে ব্যাংকগুলোতে আমানতকারীদের হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৫ লাখ ৩৬ হাজার ৫৮১। হিসাব সংখ্যার চেয়েও বেশি বেড়েছে ব্যাংকে আমানতকৃত অর্থের পরিমাণ। ২০০৯ সাল শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকদের আমানত ছিল ৩ লাখ ৪ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা। চলতি বছরের মার্চ শেষে ব্যাংক আমানতের পরিমাণ ১২ লাখ ১০ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। সে হিসেবে এ সময়ে ব্যাংক আমানতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৯৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

এক দশকে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণকারী গ্রাহকের সংখ্যা ২৩ দশমিক ৫১ শতাংশ বেড়েছে। ২০০৯ সালে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণকারী গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ৮৭ লাখ ৮৩ হাজার ৫২৩। চলতি বছরের মার্চ শেষে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণকারী গ্রাহকের সংখ্যা ১ কোটি ৮ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৩-এ দাঁড়িয়েছে। গ্রাহকের হিসাব সংখ্যা সাড়ে ২৩ শতাংশ বাড়লেও এক দশকে ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৩৩৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। ২০০৯ সালে ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭৯ কোটি টাকা। চলতি বছরের মার্চে এ ঋণ ১০ লাখ ২১ হাজার ১০৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
এক দশকে দেশের অর্থনীতিতে এক ডজনের বেশি নতুন ব্যাংক যুক্ত হয়েছে। দেশে তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০। এসব ব্যাংকের শাখা রয়েছে ১০ হাজার ৫৮৩টি। ২০০৯ সাল শেষে ব্যাংকের শাখা ছিল ৭ হাজার ৩২৭। সে হিসেবে গত এক দশকে ব্যাংকের শাখা ৩ হাজার ২৫৬টি বেড়েছে।
সময়ের চাহিদা অনুযায়ি নীতি প্রণয়ন ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর ফলে দেশে ব্যাংকিং সেবার আওতা বেড়েছে বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, মোবাইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, উপশাখাসহ অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে ব্যাংকগুলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলো প্রযুক্তিগত উন্নয়নে ব্যাপক মাত্রায় জোর দিয়েছে। এতে ক্রমেই বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থা ‘ক্যাশলেস’ সোসাইটিতে রূপান্তরিত হচ্ছে।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, করোনা মহামারীতে আমরা ব্যাংকিং খাতে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের সুবিধা পেয়েছি। ছয় মাস ধরে গ্রাহকরা নিরবচ্ছিন্ন ব্যাংকিং সুবিধা পেয়েছেন। লকডাউনের মধ্যে ব্যাংকে না গিয়েও গ্রাহকরা সেবা নিতে পেরেছেন। এ সময়ে দেশের কোথাও ব্যাংকিং সেবার বড় ধরনের কোনো সংকট হয়নি। 
করোনা কালীন সময়ে সারা দেশে ব্যাংক কর্মকর্তারা দক্ষতা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে গ্রাহক সেবা ও দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তিকে গতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। 

এই করোনা কালীন ঝুঁকির মাঝেও দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে ব্যাংকিং গ্রাহক সেবা কার্যক্রমে সরাসরি অংশগ্রহণকারী কয়েকজন ব্যাংক কর্মকর্তার সাথে কথা হয়। 

ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর কর্মকর্তা মিসেস জিন্নাতুন নিসা বলেন, করোনা কালীন সময়ে ঝুঁকি এবং আক্রান্তের হার যখন খুব বেশি ছিলো তখন আমরা দায়িত্ব নিয়ে স্বাস্হ্য বিধি মেনে গ্রাহক সেবা দিয়েছি, মহান আল্লাহর কাছে শোকর আলহামদুলিল্লাহ সুস্ত ভাবেই কার্য সম্পাদন করতে পারার জন্য।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর কর্মকর্তা জনাব মুহাম্মদ রাফসান জানী বলেন, দায়িত্ব ও কর্তব্য, দেশ প্রেম, দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তির প্রবৃদ্ধি'কে গতিশীল রাখতে সাধারন দিনের মতই করোনা কালীন সময়েও গ্রাহক সেবা দিয়েছি, আমরা সর্বোচ্চ স্বাস্হ্য বিধি মেনে কাজ করছি, গ্রাহকরা তাদের জমা ও উত্তোলন কৃত অর্থ সঠিক ভাবে গ্রহন করে তাদের দৈনন্দিন কার্য সম্পাদন নির্বিগ্নে করতে পেরেছে, মহান রাব্বুল আলামীনের কাছে সেজন্য সন্তুষ্ট। দেশের বিপদগ্রস্ত করোনা মহামারী পরিস্তিতি'তে মানুষকে সরাসরি গ্রাহক সেবা দিতে পেরেছি এর চেয়ে বড় সৌভাগ্য আর কি হতে পারে।

আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর কর্মকর্তা শাহীদা আরবী বলেন, মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রকোপে সারা দেশের জনজীবন বিপযর্স্ত তখনও গ্রাহকের পাশে থেকে  আমরা সর্বোচ্চ সেবা প্রদান ব্যস্ত সময় পার করেছি, দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখার প্রত্যায়ে। 

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা এহসানুল হক বলেন, করোনা কালীন সময়ে প্রান্তিক জনগোষ্টির চাহিদাকে মাথায় রেখে স্বাস্হ্য বিধি মেনে আমরা গ্রাহককে সন্তুষ্টি সহকারে সেবা প্রদান করেছি। 

আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর
কর্নফুলী শাখার ম্যানেজার জনাব তাহের সিদ্দিকী বলেন - করোনা কালীন সময়ে গ্রাহক সেবা দিতে গিয়ে অনেক কর্মকর্তা কর্মচারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, মহান আল্লাহ অনেক'কে সুস্ততা দান করেছেন, অনেকে এখনো অসুস্ততা বোধ করছেন ! 
দেশের সরকারী বেসরকারী সব প্রতিষ্টান বন্ধ ঘোষনা ছিলো কিন্তু ব্যাংকিং সেবা খোলা ছিলো কারন ব্যাংকিং একটি দেশের মূল কেন্দ্রবিন্দু ! করোনা কালীন পরিস্তিতি'তে সমগ্র দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি গতিশীল রাখতে ব্যাংকিং কার্যক্রমে ব্যাংক কর্মকর্তরা যে সাহসীকতার পরিচয় দিয়ে গ্রাহক সেবা দিয়েছে তার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। 

রিটেলেড নিউজ

ইরফান সেলিম কাউন্সিলর পদ থেকে বরখাস্ত

ইরফান সেলিম কাউন্সিলর পদ থেকে বরখাস্ত

ঢাকা অফিস : : ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩০ নং ওয়ার্...বিস্তারিত


এরফান সেলিমের এক বছরের জেল

এরফান সেলিমের এক বছরের জেল

ঢাকা অফিস : : ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর এরফান সেলিম ও তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জ...বিস্তারিত


এমপি হাজী সেলিমের ছেলের বাসা থেকে বিদেশি মদ-বিয়ার-অস্ত্র উদ্ধার

এমপি হাজী সেলিমের ছেলের বাসা থেকে বিদেশি মদ-বিয়ার-অস্ত্র উদ্ধার

ঢাকা অফিস : : ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর এরফান সেলিমের বাসা থেকে অবৈধভাবে মজ...বিস্তারিত


ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে কবরে পাঠান: ডা. জাফরুল্লাহ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে কবরে পাঠান: ডা. জাফরুল্লাহ

ঢাকা অফিস : : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে আজই কবরে পাঠিয়ে দেওয়ার  দাবি করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাত...বিস্তারিত


নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর : রিমান্ডে হাজী সেলিমের গাড়িচালক

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর : রিমান্ডে হাজী সেলিমের গাড়িচালক

ঢাকা অফিস : : নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের গাড়িচালক মিজানুর র...বিস্তারিত


অপরাধী যেই হোক আইনের আওতায় আনা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অপরাধী যেই হোক আইনের আওতায় আনা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা অফিস : : নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় যেই জড়িত থাকুক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্ব...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

আসন্ন পটিয়া পৌর নির্বাচনে দল চাইলে মেয়র পদে প্রার্থী হবেন তৌহিদুল আলম

আসন্ন পটিয়া পৌর নির্বাচনে দল চাইলে মেয়র পদে প্রার্থী হবেন তৌহিদুল আলম

পটিয়া প্রতিনিধি : : বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার্স এসোসিয়েশনের কেন্দ্রিয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পটিয়া ...বিস্তারিত


চন্দনাইশের বসতঘরে দূর্ধর্ষ চুরি 

চন্দনাইশের বসতঘরে দূর্ধর্ষ চুরি 

মোহাম্মদ কমরুদ্দিন, চন্দনাইশ : : চন্দনাইশ পৌরসভার  নয়াহাট এলাকায় পাকা ঘরের প্রধান ফটকের গ্রীলের তালা ভেঙ্গে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার ...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর