শিরোনাম
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : | ০৫:২৯ পিএম, ২০২১-০৭-২৮
নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় পানি না হওয়ায় চলতি বছর রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য সম্পদ আহরনে চলমান নিষেধাজ্ঞার মেয়ার আরো ১০দিন বাড়ানো হয়েছে বলে কাপ্তাই হ্রদের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএফডিসি কর্তৃপক্ষ। সংস্থাটির রাঙামাটি অফিসের ব্যবস্থাপক নৌবাহিনীর কর্মকর্তা জনাব তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, বছরের এই বর্ষাকালীন সময়ে হ্রদে যে হারে পানির পরিমাণ বাড়ে, এই বছর তার ন্যূনতমও বাড়েনি। পানি না বাড়ার ফলে হ্রদে ছাড়া পোনা ঠিকভাবে যেমন বেড়ে উঠতে পারেনি, তেমনি এখন মাছ ধরা শুরু হলে পানি কম থাকায় ব্যাপক হারে মাছ ধরা পড়বে।
তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে এক জরুরি জুম সভার মাধ্যমে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে পানি না বাড়ায় মাছ ধরার সময়সীমা ৩১ জুলাই থেকে আরও ১০ দিন বাড়ানো হয়েছে। এই ১০ আগস্টের মধ্যেও যদি হ্রদে পর্যাপ্ত পানি না বাড়ে, সেক্ষেত্রে পুনরায় সভা করে আবারো নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হতে পারে। রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট, মৎস্য অফিস, নৌ পুলিশ, বিএফডিসি এবং মৎস্য ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
বাংলাদেশ মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন(বিএফডিসি)'র রাঙামাটি কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক নৌ কমান্ডার তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, 'হ্রদে পানি কম থাকার বিষয়টি আমাদের ভাবাচ্ছে। কারণ হ্রদে যদি নূন্যতম ১০৩/১০৪ ফুট পানি না থাকে তবে তা মাছের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এখন পানি আছে ৮৪.৬ ফুট। বিগত বছরগুলোতে এই সময়ে পানি ছিলো ৯৬ ফুট। সেই আলোকে এখন প্রয়োজনীয় পানি নেই। পানি না বাড়লে এখনই মাছ ধরা শুরু সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী হবে। তাই আমরা সংশ্লিষ্ট্য সকলের সাথে মিটিংয়ের মাধ্যমে আপাতত বন্ধের সময়সীমা ১০দিন বাড়িয়েছি।
এর আগে গত ১ মে থেকে কাপ্তাই হ্রদে প্রতি বছরের মতো মাছ আহরণে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়, যার মেয়াদ আসছে ৩১ জুলাই শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু বছরের এই বর্ষাকালীন সময়ে হ্রদে যে হারে পানির পরিমাণ বাড়ে, এই বছর তার ন্যূনতমও বাড়েনি। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত মৎস কর্মকর্তারাও। পানি না বাড়ার ফলে হ্রদে ছাড়া পোনা ঠিকভাবে যেমন বেড়ে উঠতে পারেনি, তেমনি এখন মাছ ধরা শুরু হলে পানি কম থাকায় ব্যাপকহারে মাছ ধরা পড়বে।
বিএফডিসি রাঙামাটির ডেপুটি ব্যবস্থাপক জাহিদুল ইসলাম জানান, আপাতত ১০আগস্ট পর্যন্ত বন্ধের সময়সীমা বাড়ল। তবে সেটা নির্ভর করছে পানি কি রকম বাড়ছে তার ওপর। যদি পানি ১০৩ ফুট হয় তবে ১০তারিখ মধ্যরাতের পর মাছ ধরা শুরু হবে। আর যদি তা না হয়, তবে আমরা ৮-৯ আগস্ট আবার সভা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।
উল্লেখ্য, ষাটের দশকে জল বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তৈরি করা কাপ্তাই বাঁধের কারণে সৃষ্ট ৩৫৬ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের জলাশয়টি 'কাপ্তাই হ্রদ' নামেই পরিচিত,যা পার্বত্য জেলা রাঙামাটি বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃৃত। এই হ্রদে প্রায় ২৫ হাজারেরও অধিক জেলে পরিবার মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত আছেন, যারা বছরের তিনমাস মাছ ধরা বন্ধকালীন সময়ে সরকারের ত্রাণ সহায়তা পেয়ে থাকেন। এসকল জেলে পরিবারগুলোর সদস্য অন্যান্য বছরের এই বন্ধকালীন সময়ে দিন মজুরি কাজ করে কোনো রকম নিজেদের সংসার চালিয়ে নিলেও বর্তমান করোনাকালীন সময়ে কোনো ধরনের কাজ না পাওয়ায় নিধারূন কষ্টে দিনানিপাত করছে।
বান্দরবান প্রতিনিধি : : বান্দরবানের রুমা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের একজন মাঠ সংগঠক সমিতির ঋণ আদায় করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছ...বিস্তারিত
নয়ন চক্রবর্তী, বান্দরবান : : পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা রক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পাওয়ার আশা অনেকেই ছেড়ে দেন। অনলাইন প্রতারণায় খোয়া যাওয়া টাকাও অনেক স...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : রাঙামাটি শহরের জর্জ কোর্ট সংলগ্ন হোটেল কসমস আবাসিকের চতুর্থ তলায় অবস্থিত রুস্টপ রেস্টুরেন্টে ভয়...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) পরিবহন সংকট ও সড়কের কাজ নিয়ে সামাজিক যো...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিবিরোধী সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ প্রতি মাসে শুধু রাঙামাটি জেলা থেকেই প্র...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited