শিরোনাম
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি | ০৭:০৬ পিএম, ২০২৫-০২-০৬
প্রায় চার শতাধিক পরিবারকে পুর্নবাসন না করে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের ভবন নির্মাণ কাজের লে-আউট দিতে গেলে স্থানীয়দের বাঁধার মুখে পড়ে রাঙামাটির গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাগণসহ সংশ্লিষ্ট্য ঠিকাদার কর্তৃপক্ষ। বুধবার দুপুরে রাঙামাটি শহরের রূপনগর এলাকায় এই নির্মাণ কাজ শুরুর প্রাক্কালে স্থানীয় কয়েকশো নারী পুরুষের বিক্ষোভের মুখে পড়ে। এসময় লে-আউট কাজ প্রাথমিকভাবে বন্ধ করতে বাধ্য হয় সংশ্লিষ্ট্যরা।
এই ঘটনার খবর পেয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসীর সাথে আলোচনা করে তাদেরকে পুর্নবাসনের আশ্বাস দিয়ে লে-আউট কাজ শুরু করে। এতোগুলো পরিবারকে না সরিয়ে ভবন নির্মাণ কার্যক্রম প্রক্রিয়া কতটুকু যৌক্তিক এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে চায়নি সংশ্লিষ্ট্যরা। গণপূর্ত বিভাগের কর্তব্যরত প্রকৌশলীও ক্যামেরার সামনে কথা চাননি।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সেখানে ভূমি দখল ও দখল স্বত্বে টিলাভূমি কিনে বসবাস করছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন। পৌর কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ বিভাগকে বিগত ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে বসবাসকৃতরা সকল প্রকার ট্যাক্স, পৌরকর প্রদান করে আসছে বসতিকারিরা। ১৫-২০ বছর যাবৎ এই স্থানে বসবাস করে আসছেন তারা। সরকারিভাবে ভূমি বন্দোবস্ত বন্ধ থাকায় জায়গার মালিকানা নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। বাসিন্দাদের বৈধ কোনও কাগজ নেই। আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের আগে তাদের অন্য কোনও স্থানে পুনর্বাসন করা না হলে তারা এই জায়গা ছাড়বেন না। অন্যত্র পুনর্বাসন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত দখল ভূমি ছাড়বেন না বলেও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
আন্দোলনকারিরা বলেন, দেশে ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে সরকার খাওয়াচ্ছে। আমরা এই দেশের নগরিক। সরকারকে ভোট দিই। তাহলে সরকার কেন আমাদের বসতবাড়ি ছাড়া করবে। আমাদের অন্য কোনও স্থানে জায়গা বা থাকার ব্যবস্থা না করে দেওয়া পর্যন্ত এই জায়গা আমরা ছাড়বো না।’
বিক্ষোভরত বেশ ক’জন নারী জানান, স্থানটি দখল স্বত্বে আমরা বিভিন্ন মানুষের কাজ থেকে কিনে দীর্ঘদিন বসবাস করছি। আয় কম এমন ধরনের মানুষের বসবাস এই স্থানে। ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হলে আমাদের এই স্থান থেকে উঠে চলে যেতে হবে। তাই আমরা চাই, আমাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিলে আমরা চলে যাবো।
২০১৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের জন্য ১৪.৭৫ একর জায়গা দেয় সরকার। বর্তমানে এখানে প্রায় ৪শতাধিক পরিবার বসবাস করছে বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসীরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক : ক্যাপশন: কদম মোবারক মুসলিম এতিমাখানার নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদ (২০২৬ - ২০২৯) এর অভিষেক ও ইফতার...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে রাঙামাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ৩০ (ত্রিশ) পিস ইয়াবা ট্যা...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : রাঙামাটি শহরের ডিসি অফিস এলাকা থেকে ২২ মামলার আসামি হিসেবে চিহ্নিত মাদক সম্রাট জসিম (৪৬) কে ধাওয়...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙ্গামাটি জেলার জুরাছড়ি উপজেলার দুমদুম্যা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী দুর্গম গবছড়ি বাজারে অগ্নিকাণ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে কাপ্তাই হ্রদ দিয়ে রাঙামাটিতে আনা হচ্ছে শুল্কবিহীন অবৈধ সিগারেট। প্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited