ই-পেপার | মঙ্গলবার , ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
×

তথ্যমন্ত্রীর কম্বল পেয়ে খেয়া ঘাটের মাঝির মুখে হাসি

নাম তার সঞ্জয় দাশ, বয়স ৬০। রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের বুইজ্জার দোকান এলাকার বাসিন্দা তিনি। বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে বুইজ্জার দোকান কর্ণফুলী নদীর দেওয়ানজীহাট খেয়া ঘাটে বসে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করছিলেন সঞ্জয় দাশ।

তথ্যমন্ত্রীর পারিবারিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান-এনএনকে ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা তখন ঘাটে হাজির হয়, তাদেরকে তথ্যমন্ত্রী পাঠিয়েছে বলে তার হাতে একটি উন্নতমানের কম্বল তুলে দেন। আচমকা কম্বল হাতে পেয়ে মুখে হাসি দিয়ে; তিনি স্মৃতি থেকে বের করে বলেন, ‘তারাই তো গেল করোনার সময় চাল, ডাল, তেল ও লবন দিছিল, এবার কম্বল দিল। আমার কি যে ভাল লাগতেছে, বুঝাইতে পারবো না।’

শুধু সঞ্জয় দাশকে নয়, তার মতো দেওয়ানজীহাট খেয়াঘাট ও চন্দ্রঘোনা ফেরিঘাট এলাকার শতাধিক খেয়া ঘাটের মাঝিদের এনএনকে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কম্বল উপহার দেয়া হয়। কনকনে এই শীতে কম্বল হাতে পেয়ে তাদের । এভাবে নিয়মিত পাশে থাকার জন্য তথ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তারা।

উল্লেখ্য, রাঙ্গুনিয়ার প্রতিটি ইউনিয়নের পাশাপাশি চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকাতেও শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে চলেছে এনএনকে ফাউন্ডেশন। এ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি শীতবস্ত্র দেয়া হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন দাতব্য প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।

কম্বল বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন এনএনকে ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা আবদুর রউফ মাস্টার, এনামুল হক, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের সভাপতি এম আবু নাসের, আওয়ামীলীগ নেতা মো. হারুন, মো. ফোরকান, যুবলীগ নেতা মো. সোহেল, ছাত্রলীগ নেতা মো. আলী শাহ প্রমুখ।

একইদিন হোসনাবাদ ইউনিয়নেও এনএনকে ফাউন্ডেশনের কম্বল বিতরণ করা হয়। এসময় আওয়ামীলীগ নেতা অসীম বরণ সুশীল, মো. আলমগীরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।