ই-পেপার | মঙ্গলবার , ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
×

বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে লিডারশীপ তৈরীর প্লাটফরম : শিক্ষা উপমন্ত্রী

পিসিআইইউ’র ২য় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে

একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তৈরী হয় নেতৃত্ব দেয়ার মানুষগুলো। এতে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোকে হতে হয় উচ্চ শিক্ষার গুণগত মান ও দক্ষাতা উন্নয়নের প্লাটফর্ম। পোর্ট সিটি ইউনিভারসিটি আজ চট্টগ্রামে সবার জন্য গুণগত উচ্চশিক্ষা নেয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। একটি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের দিকে মনোযোগী হওয়ার বিকল্প নেই, কারণ বিশ্বের অর্থনীতি প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল, নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরী হচ্ছে এই অর্থব্যবস্থাকে ঘিরে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে বেসিক দক্ষতা উন্নয়ন মূলক প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই,যাতে একজন গ্রাজুয়েট কর্মক্ষেত্রে নতুন উদ্ভানের সাথে নিজেকে খাপ খাওয়াই নিতে পারে। বিশ্ববিদ্যলায়ের সনদ যেন আত্ম অহমিকার না হয়। বেকারত্ব দূর করার জন্য চাকরীর পিছনে না দৌড়ে উদ্যোক্তা হলে অর্থনৈতিক মুক্তি মিলবে। আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য তরুণদের উতসাহিত করতেছে, তিনি প্রতিনিয়ত জনগনের অর্থনৈতিক মুক্তির কথা ভাবে। পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (পিসিআইইউ)’র দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এডভোকেট আবদুল হামিদের পক্ষে, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
২৬ নভেম্বর দুপুরে নগরীর নেভি কনভেনশন সেন্টারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, একেএম এনামুল হক শামীম এমপি বলেন-এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যই হচ্ছে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা, সে লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাত্র নয় বছরের মধ্যে দু’টি কনভোকেশন সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি। এই বিশ্ববিদ্যালয় শীগ্রই একটি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হবে। আমরা দ্রুত আমাদের স্থায়ী ক্যাম্পাস কল্পোলকে চলে যাবো।
প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ড.আহমেদ কাইকাউস সরাসরি ওয়েভারে সংযুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠের মধ্যে দিয়ে সমাবর্তনের জমকালো আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নুরুল আনোয়ার।
উন্মুক্ত চিন্তার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের জগতকে প্রসারিত করার প্রত্যয়ে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে এ বিদ্যাপীঠ। এ ধারাবাহিকতায় ’টার্নিং ড্রীমস ইনটু রিয়েলিটি’ প্রতিপাদ্যে এই সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে পাশকৃত মোট ৫৬৪৯ জন শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ১৫১৭ জন শিক্ষার্থীকে দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সমাবর্তিত করা হয়। এতে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল ও ১৩ জন শিক্ষার্থীকে ফাউন্ডার গোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়।
অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত) প্রফেসর ডক্টর দিল আফরোজা বেগম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মিসেস তাহমিনা খাতুন।
অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য, আমন্ত্রিত বক্তিবর্গ,পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের সদস্যবৃন্দ, জনসংযোগ কর্মকর্তা, কোষাধ্যক্ষ, ডীন, রেজিস্ট্রার,পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক,ফেকাল্টিস ও প্রিন্ট-ইলেক্ট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ।