চট্টগ্রাম   বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১  

শিরোনাম

আর্থিক সেবার পরিধি বেড়েছে প্রান্তিক পর্যায়ে

মুহাম্মদ রুশনী মোবারক, পটিয়া :    |    ০১:০৪ পিএম, ২০২০-০৯-০৮

আর্থিক সেবার পরিধি বেড়েছে প্রান্তিক পর্যায়ে

এক দশক আগেও ব্যাংকিং ছিল শহুর কেন্দ্রিক সেবা। মোট জনগোষ্ঠীর ৮৫ শতাংশই ছিল ব্যাংকিং সেবার বাইরে। ঋণের জন্য নিম্ন আয়ের মানুষের ভরসা ছিল গ্রাম্য মহাজন । প্রত্যন্ত অঞ্চলে অর্থ সঞ্চয়ে ভরসা ছিল মাটির ব্যাংক। দেশের অভ্যন্তরে শ্রমজীবী মানুষের টাকা পাঠানোর প্রধান মাধ্যম ছিল মানুষই। মাত্র এক দশকেই পুরোপুরি পাল্টে গেছে এ চিত্র। বর্তমানে ৬৫ শতাংশের বেশি মানুষই আর্থিক সেবার আওতায় রয়েছে।

প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে গত এক দশকে দেশের আর্থিক খাতে যুক্ত হয়েছে নিত্যনতুন ব্যাংকিং সেবা। এ সেবার সূচনা হয়েছিল মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস বা এমএফএসের হাত ধরে। এরপর যুক্ত হয়েছে এজেন্ট ব্যাংকিং, বুথ ব্যাংকিং, উপশাখার মতো নিত্যনতুন ব্যাংকিং ধারণা। এতেই পাল্টে গেছে ব্যাংকিংয়ের চিত্র। শহুরে চরিত্র থেকে বেরিয়ে ব্যাংক পৌঁছে গেছে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে। ফলাফল আর্থিক সেবার আওতায় চলে এসেছে ৬৫ শতাংশের বেশি জনগোষ্ঠী।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত এক দশকে দেশে ব্যাংক আমানত বেড়েছে ২৯৮ শতাংশ। এ সময়ে ১৮৪ শতাংশ বেড়েছে ব্যাংকে আমানতকারীদের হিসাব সংখ্যা। ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণকারী গ্রাহকের সংখ্যা বেড়েছে ২৪ শতাংশ। আর ব্যাংকের বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে ৩৩৭ শতাংশ। এর বাইরে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে যুক্ত হয়েছেন ৯ কোটি ২৫ লাখ গ্রাহক।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থনৈতিক উন্নতির প্রাথমিক ধাপই হলো শক্তিশালী ব্যাংকিং ব্যবস্থা। জনগোষ্ঠীর যত বেশি অংশ ব্যাংকিং সেবার আওতায় আসবে অর্থনীতি ততটাই শক্ত ভিত পাবে। এ তাগিদ থেকেই গত এক দশকে দেশে নতুন করে অন্তত ৫০ শতাংশ জনগোষ্ঠী ব্যাংকের ছাতার নিচে এসেছে। যুগোপযোগী নীতি প্রণয়ন, নীতির উদারীকরণ ও ব্যাংকারদের সচেতনতা বৃদ্ধির কারণেই ব্যাংকিং সেবা এতটা সম্প্রসারিত হয়েছে।

ব্যাংকিং  সেবা সম্প্রসারণের এ কাজে নেতৃত্ব দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাংলাদেশ ব্যাংক। নিজেদের প্রযুক্তি আধুনিকায়নের মাধ্যমে  বৈপ্লবিক এ পরিবর্তন শুরু করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় সিবিএসপি প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ পরিবর্তনের শুরু হয়। প্রায় ৪১ মিলিয়ন ডলারের এ প্রকল্পের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ঢেলে সাজানো হয়। নতুন প্রযুক্তির ওপর ভর করেই ব্যাংকিং খাতে যুক্ত হয় নিত্যনতুন সেবা। কৃষকদের জন্য ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব চালু, মোবাইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, বুথ ব্যাংকিং, উপশাখা, ন্যানো লোনসহ বিভিন্ন সেবার মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আওতায় আসতে থাকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ। নতুন করে ব্যাংকিং সেবায় যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় আছে ভার্চুয়াল ব্যাংক, ডিজিটাল শাখাসহ প্রযুক্তিসমৃদ্ধ বিভিন্ন সেবা।

এক দশকে ব্যাংকিং সেবায় এমন পরিবর্তনের  বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড.আতিউর রহমান বলেন , ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা থেকেই দেশের ব্যাংকিং খাতে প্রযুক্তির আধুনিকায়ন করা হয়। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে এ কাজের তদারকি করার। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সিবিএসপি প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের একটি প্লাটফর্ম তৈরি হয়েছিল। তার ওপর দাঁড়িয়েই আমরা ২০১১ সালে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস চালু করেছিলাম। সবার হাতে থাকা মোবাইল ফোনকে কাজে লাগাতেই উদ্যোগটি নেয়া হয়েছিল। পাশাপাশি এজেন্ট ব্যাংকিং চালুর ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে গেছে। সে সময় প্রযুক্তির উন্নয়নে করা বিনিয়োগই করোনা মাহামারীতে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রেখেছে। ভবিষ্যতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরো বেশি আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০০৯ সাল শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে আমানতকারীদের হিসাব সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৩২১। গত এক দশকে তা বেড়ে ১১ কোটি ছাড়িয়েছে। চলতি বছরের মার্চ শেষে ব্যাংকগুলোতে আমানতকারীদের হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৫ লাখ ৩৬ হাজার ৫৮১। হিসাব সংখ্যার চেয়েও বেশি বেড়েছে ব্যাংকে আমানতকৃত অর্থের পরিমাণ। ২০০৯ সাল শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকদের আমানত ছিল ৩ লাখ ৪ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা। চলতি বছরের মার্চ শেষে ব্যাংক আমানতের পরিমাণ ১২ লাখ ১০ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। সে হিসেবে এ সময়ে ব্যাংক আমানতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৯৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

এক দশকে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণকারী গ্রাহকের সংখ্যা ২৩ দশমিক ৫১ শতাংশ বেড়েছে। ২০০৯ সালে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণকারী গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ৮৭ লাখ ৮৩ হাজার ৫২৩। চলতি বছরের মার্চ শেষে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণকারী গ্রাহকের সংখ্যা ১ কোটি ৮ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৩-এ দাঁড়িয়েছে। গ্রাহকের হিসাব সংখ্যা সাড়ে ২৩ শতাংশ বাড়লেও এক দশকে ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৩৩৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। ২০০৯ সালে ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭৯ কোটি টাকা। চলতি বছরের মার্চে এ ঋণ ১০ লাখ ২১ হাজার ১০৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
এক দশকে দেশের অর্থনীতিতে এক ডজনের বেশি নতুন ব্যাংক যুক্ত হয়েছে। দেশে তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০। এসব ব্যাংকের শাখা রয়েছে ১০ হাজার ৫৮৩টি। ২০০৯ সাল শেষে ব্যাংকের শাখা ছিল ৭ হাজার ৩২৭। সে হিসেবে গত এক দশকে ব্যাংকের শাখা ৩ হাজার ২৫৬টি বেড়েছে।
সময়ের চাহিদা অনুযায়ি নীতি প্রণয়ন ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর ফলে দেশে ব্যাংকিং সেবার আওতা বেড়েছে বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, মোবাইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, উপশাখাসহ অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে ব্যাংকগুলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলো প্রযুক্তিগত উন্নয়নে ব্যাপক মাত্রায় জোর দিয়েছে। এতে ক্রমেই বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থা ‘ক্যাশলেস’ সোসাইটিতে রূপান্তরিত হচ্ছে।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, করোনা মহামারীতে আমরা ব্যাংকিং খাতে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের সুবিধা পেয়েছি। ছয় মাস ধরে গ্রাহকরা নিরবচ্ছিন্ন ব্যাংকিং সুবিধা পেয়েছেন। লকডাউনের মধ্যে ব্যাংকে না গিয়েও গ্রাহকরা সেবা নিতে পেরেছেন। এ সময়ে দেশের কোথাও ব্যাংকিং সেবার বড় ধরনের কোনো সংকট হয়নি। 
করোনা কালীন সময়ে সারা দেশে ব্যাংক কর্মকর্তারা দক্ষতা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে গ্রাহক সেবা ও দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তিকে গতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। 

এই করোনা কালীন ঝুঁকির মাঝেও দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে ব্যাংকিং গ্রাহক সেবা কার্যক্রমে সরাসরি অংশগ্রহণকারী কয়েকজন ব্যাংক কর্মকর্তার সাথে কথা হয়। 

ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর কর্মকর্তা মিসেস জিন্নাতুন নিসা বলেন, করোনা কালীন সময়ে ঝুঁকি এবং আক্রান্তের হার যখন খুব বেশি ছিলো তখন আমরা দায়িত্ব নিয়ে স্বাস্হ্য বিধি মেনে গ্রাহক সেবা দিয়েছি, মহান আল্লাহর কাছে শোকর আলহামদুলিল্লাহ সুস্ত ভাবেই কার্য সম্পাদন করতে পারার জন্য।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর কর্মকর্তা জনাব মুহাম্মদ রাফসান জানী বলেন, দায়িত্ব ও কর্তব্য, দেশ প্রেম, দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তির প্রবৃদ্ধি'কে গতিশীল রাখতে সাধারন দিনের মতই করোনা কালীন সময়েও গ্রাহক সেবা দিয়েছি, আমরা সর্বোচ্চ স্বাস্হ্য বিধি মেনে কাজ করছি, গ্রাহকরা তাদের জমা ও উত্তোলন কৃত অর্থ সঠিক ভাবে গ্রহন করে তাদের দৈনন্দিন কার্য সম্পাদন নির্বিগ্নে করতে পেরেছে, মহান রাব্বুল আলামীনের কাছে সেজন্য সন্তুষ্ট। দেশের বিপদগ্রস্ত করোনা মহামারী পরিস্তিতি'তে মানুষকে সরাসরি গ্রাহক সেবা দিতে পেরেছি এর চেয়ে বড় সৌভাগ্য আর কি হতে পারে।

আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর কর্মকর্তা শাহীদা আরবী বলেন, মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রকোপে সারা দেশের জনজীবন বিপযর্স্ত তখনও গ্রাহকের পাশে থেকে  আমরা সর্বোচ্চ সেবা প্রদান ব্যস্ত সময় পার করেছি, দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখার প্রত্যায়ে। 

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা এহসানুল হক বলেন, করোনা কালীন সময়ে প্রান্তিক জনগোষ্টির চাহিদাকে মাথায় রেখে স্বাস্হ্য বিধি মেনে আমরা গ্রাহককে সন্তুষ্টি সহকারে সেবা প্রদান করেছি। 

আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর
কর্নফুলী শাখার ম্যানেজার জনাব তাহের সিদ্দিকী বলেন - করোনা কালীন সময়ে গ্রাহক সেবা দিতে গিয়ে অনেক কর্মকর্তা কর্মচারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, মহান আল্লাহ অনেক'কে সুস্ততা দান করেছেন, অনেকে এখনো অসুস্ততা বোধ করছেন ! 
দেশের সরকারী বেসরকারী সব প্রতিষ্টান বন্ধ ঘোষনা ছিলো কিন্তু ব্যাংকিং সেবা খোলা ছিলো কারন ব্যাংকিং একটি দেশের মূল কেন্দ্রবিন্দু ! করোনা কালীন পরিস্তিতি'তে সমগ্র দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি গতিশীল রাখতে ব্যাংকিং কার্যক্রমে ব্যাংক কর্মকর্তরা যে সাহসীকতার পরিচয় দিয়ে গ্রাহক সেবা দিয়েছে তার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। 

রিটেলেড নিউজ

এডভোকেট আশরাফুর রহমানের মাতার ইন্তেকালে এবি পার্টির শোক 

এডভোকেট আশরাফুর রহমানের মাতার ইন্তেকালে এবি পার্টির শোক 

খবর বিজ্ঞপ্তি : তাবলীগ জামাত এর সীতাকুণ্ড উপজেলার সাবেক আমীর- মরহুম আবু জাফর মো: মুসা‘র স্ত্রী-রওশন আরা বেগম গত রা...বিস্তারিত


গৃহহীনদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্যমন্ত্রী  

গৃহহীনদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্যমন্ত্রী  

নিজস্ব প্রতিবেদক : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, মানুষের তিনটি মৌলিক চাহিদা- অন্ন, বস্ত্র এবং বাসস্থান। বঙ্গবন্...বিস্তারিত


শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্তঃ গাইডলাইন প্রকাশ

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্তঃ গাইডলাইন প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনা (কোভিড-১৯) সংক্রমণের কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অবশেষে খুলতে যাচ্ছে। স্কুল-কলেজ খোলা...বিস্তারিত


কাশিমপুর কারাগার বোম্বের সিনেমাকেও হার মানিয়েছে সবকিছু বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো

কাশিমপুর কারাগার বোম্বের সিনেমাকেও হার মানিয়েছে সবকিছু বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো

আমাদের ডেস্ক : : আবদুল গাফফার মাহমুদ, ঢাকা ব্যুরো : কথায় বলে “টাকা হলে বাঘের চোখও মেলে”। এই অতি প্রাচীন ও বহু...বিস্তারিত


অর্থ পাচাররোধে গত এক যুগে দায়িত্ব পালনকারিদের তথ্য জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট

অর্থ পাচাররোধে গত এক যুগে দায়িত্ব পালনকারিদের তথ্য জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট

ঢাকা অফিস : : অর্থ পাচার রোধ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তদারক-নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের আভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বি...বিস্তারিত


ভারতের উপহারের টিকা এলো দেশে

ভারতের উপহারের টিকা এলো দেশে

ঢাকা অফিস : : ভারত সরকারের উপহার দেয়া ২০ লাখ ডোজ করোনার টিকা এলো বাংলাদেশে। বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

আসন্ন পটিয়া পৌর নির্বাচনে দল চাইলে মেয়র পদে প্রার্থী হবেন তৌহিদুল আলম

আসন্ন পটিয়া পৌর নির্বাচনে দল চাইলে মেয়র পদে প্রার্থী হবেন তৌহিদুল আলম

পটিয়া প্রতিনিধি : : বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার্স এসোসিয়েশনের কেন্দ্রিয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পটিয়া ...বিস্তারিত


আসন্ন পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বড় দুই দল সহ অনেকই মনোনয়ন দৌড়ে

আসন্ন পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বড় দুই দল সহ অনেকই মনোনয়ন দৌড়ে

মুহাম্মদ রুশনী মোবারক, পটিয়া : : আগামী নভেম্বর ২০২০ ইং মাস থেকে ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হবে, চলবে জানুয়ারি-ফেব্রুয়...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর