চট্টগ্রাম   রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১  

শিরোনাম

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ'  শিশুদের নানাবিধ রোগ বৃদ্ধির ও কারণ ও হোমিও সমাধান    

আমাদের ডেস্ক :    |    ০৪:০১ পিএম, ২০২০-১২-০৬

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ'  শিশুদের নানাবিধ রোগ বৃদ্ধির ও কারণ ও হোমিও সমাধান    

ডা.মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ 
সারাবিশ্বেই করোনা মরণ থাবা বসিয়েছে। এর থেকে রক্ষা পাচ্ছে না কোনো বয়সের মানুষই। শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক সবাই রয়েছে করোনার ঝুঁকিতে। তাইতো করোনার থাবা থেকে বাঁচতে শিশুদের প্রতি হতে হবে একটু বেশি সচেতন।শিশুরা নিজেরা নিজের যত্ন নিতে পারে না। তাই তাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আপনাকেই হতে হবে তৎপর। কারণ শিশুদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে যে কোনো রোগ তাদের সহজে আক্রান্ত করতে পারে। আজকের বিষয় নিয়ে বিশেষ কলাম লিখেছেন, বাংলাদেশের বিশিষ্ট হোমিওগবেষক ওদৈনিক স্বাস্থ্য তথ্য সম্পাদক, ডা.এম এম মাজেদ তার কলামে লিখেন....               
শিশু মানেই আমাদের খুব আদরের সঙ্গী । কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে যে শিশুরা নানা রোগের শিকার ও হয় । কখনও বা সামান্য সর্দিকাশি আবার কখনও পেটের গোলমাল । সে যাই হোক না কেন, শিশুরা রোগের কবলে পড়লে ভোগান্তির শেষ নেই। আবার ঋতু বদলের প্রভাব তো আছেই। যাই হক, আজকে আমি কিছু অতি সাধারণ শিশুরোগ সম্পর্কে কিছু বলতে চাই । আমি চেষ্টা করব আপনাদের সামনে তুলে ধরতে দু - একটা রোগ ও তার কারণ, পথ্য, ঔষধ , ইত্যাদি ।
* শিশুর সর্দিকাশিঃ-
শিশুদের বোধয় সবথেকে বেশি এই রোগটাই হয় । নাক দিয়ে কাঁচা জল, ঘন ঘন হাঁচি, জল পিপাসা , সামান্য জ্বর , গা হাত পা ব্যাথা, ইত্যাদি লক্ষণ থাকে । কোনও কোনও শিশু আবার ছটফট করে আবার কেউ চুপচাপ শুয়ে থাকে । কারণ হিসেবে বলা যেতে পারে ভাইরাস সংক্রমণ । সাধারনত ৩ থেকে ৫ দিন পরে রোগী সুস্থ হয়ে যায় । পথ্য হিসেবে সহজ পাচ্য খাবার খাওয়া উচিত্‍। সঙ্গে প্রচুর জল। ঠাণ্ডা লাগে এমন কিছু খাওয়া যাবে না। নুন জলে গারগেল করলে ভাল।
 * হোমিও পরামর্শ ও চিকিৎসাঃ-
খুব হাঁচি ও নাক দিয়ে প্রচুর কাঁচা জল, সঙ্গে প্রচুর পিপাসা- একোনাইট ন্যাপ ৩০ দিনে দুবার দুদিনের বেশি দেওয়া যাবে না। প্রথম দিকে দিলে ভাল কাজ হয়। অনেক সময়ে দেখা যায় উপরুক্ত লক্ষণগুলো ছাড়াও জর আছে। জর ১০০ বা ১০২ ডিগ্রি অবধি উঠতে পারে - ব্রায়ওনিয়া ৩০ দিনে ২ থেকে ৩ বার ৩ থেকে ৫ দিন। এ ছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্ন্য থাকলেও এই ঔষধ উপকারী । বায়োকেমিক ঔষধ হিসেবে ফেরাম ফস ৬ক্স ও কালি মিউর ৬ক্স দুটো দুটো করে মোট চারটে ট্যাবলেট দিনে ৩ থেকে ৪ বার খেলে উপকার হয় । বর্ষাকালে জলে ভিজে সর্দি ও জর হলে রাসটক্স ৩০ দিনে ৩ বার, ৩ থেকে ৪ দিন খেতে হবে। এ ছাড়াও ডালকামারা ৩০ ও একই ভাবে খাওয়া যায় ।
শিশুদের ঘন ঘন সর্দি , পরিবারের লোকেদের ও ঘন ঘন সর্দি, যক্ষ্মার ইতিহাস আছে - ২ মাস অন্তর টিউবারকুলিনাম ২০০ একবার । শীতকালে সর্দির প্রতিষেধক - কালি কারব ২০০ সপ্তাহে একবার। ভাইরাল জ্বরে ইনফ্লুএঞ্জিয়াম ৩০ বা ২০০ ১ বা ২ বার। অনেক সময়ে দেখা যায় ইনফ্লুয়েঞ্জার পর খুব কাশি হয় এবং রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে - কালি ফস ৬এক্স ৪ টে ট্যাবলেট দিনে ৩ বার ১০ দিন। সর্দির সঙ্গে গলা ব্যাথা , ঢোক গিলতে কষ্ট,পিপাসা , কষ্ট রাতে বাড়ে - মার্ক সল ৩০, দিনে দুবার ২ দিনের বেশি দেবেন না। সকালে ঘুম থেকে উঠে হাঁচি - স্যাবাদিলা ৬ । এছাড়াও অ্যালিয়াম সেপা ৩০, ন্যাট্রাম মিউর ৩০ উপকারী।
* শিশুর  পেটের অসুখঃ-
সর্দি কাশির পর পেটের অসুখে শিশুরা বেশি ভোগে ।পেট ব্যাথা, পেটে ভুটভাট শব্দ, ব্যাথা এ পাশ ও পাশ করে, শিশু বিছানায় ছটফট করে, কাঁদে ,পাতলা পায়খানা,খিদে কম, ইত্যাদি। পেটে ভুটভাট শব্দ, ব্যাথা এ পাশ ও পাশ করে - কার্বো ভেজ ৩০। খাবার ঠিক ঠাক হজম না হয়ে
পেটের গোলমাল -নাক্স ভম ৩০ গুরুপাক খাবার খেয়ে পেটের গোলমাল - পালসেটিলা ৬ বা ৩০।পেট কামড়ানো বা মোচড়ানো, এতটাই প্রবল যে রোগী হাঁটু মুড়ে শুয়ে বা বসে থাকে- কলোসিন্থ ৩০ ।জিভে দাঁতের ছাপ, মুখ দিয়ে লালা, পায়খানায় শ্লেষ্মা বা আম মার্ক সল ৩০ । ২ বা ৪ বারেই কাজ হয় ।শিশু খেতে চায় না, কাঁদে আবার কোলে নিলে কান্না থামে - কামোমিলা ৩০ ।শিশু দু-তিন দিন পায়খানা করেনি, খিদে নেই, পেটে গ্যাস - কষ্টিকাম ৩০ এক বার বা দু বার দিলেই কাজ হবে । অনেক সময়ে দেখা যায় কষ্টিকাম কাজ করে না । সেক্ষেত্রে অ্যালুমিনা ২০০ লক্ষণের উপর আসতে পারে, তাই শুধু চিকিৎসক বৃন্দ রোগীর লক্ষণ সমষ্টি নির্বাচন করে চিকিৎসা দিতে হবে, আর রোগীরা অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।  এইবার কিছু নিয়ম  জেনে নেয়া যাক শিশুদের কোন  বিষয়ে নজর দিতে হবে জেনে নিনঃ-
* পর্যাপ্ত ঘুমঃ-
শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পর্যাপ্ত ঘুম খুবই কার্যকরী। ঘুম কম হলে মানসিক চাপ বেড়ে যায়, যা মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সরবরাহ কমিয়ে দেয়। প্রতিদিন শিশুদের অন্তত ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টা ঘুম জরুরি
* ঘরে বসে যত্ন নিনঃ-
এ দুঃসময়ে নবজাতকের জন্মের পর থেকেই ঘরে বসে যত্ন নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ। কেননা বাইরে শিশুকে যতটা কম নেয়া যায় ততটাই ভালো। অনেকে আবার জন্মের পরপরই শিশুকে গৃহবন্দি করে ফেলেন।
দরজা-জানালা বন্ধ করে আবদ্ধ ঘরে মাসের পর মাস কাটান যা শিশুর জন্য কোনোক্রমেই আশানুরূপ নয়। নবজাতকের চর্মরোগের যেহেতু একটা বিষয় রয়েছে সেহেতু ঘরের মধ্যে দিনে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করার সুযোগ করে দিন। এতে বদ্ধঘরে যে ব্যাকটেরিয়া থাকে তা মরে যায়। প্রতিদিন ভোরের সূর্যের প্রথম আলো শিশুকে লাগানোর ব্যবস্থা করুন।
এই রোদ শিশুর দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, চর্মরোগ থেকে রেহাই দেয়। বাচ্চার বাহ্যিক সুস্থতায় এর বিকল্প নেই। নবজাতকের নরম কোমল ছোট হাত-পা ধরে একটু একটু নাড়াচাড়া করুন। দেহে নিয়মিত তেল মালিশ করুন ও গোসল করান। দেখবেন শিশুর শরীরের ব্যায়ামকার্য সম্পন্ন হচ্ছে এবং ছোট ছোট সমস্যাগুলো সমাধান হয়ে যাচ্ছে। রাতে নিস্তব্ধ কক্ষ, স্বল্প আলোর বাতি, ক্ষেত্রবিশেষে সুমধুর যন্ত্রধ্বনি শিশুর ঘুমে ভূমিকা রাখতে পারে। মনে রাখবেন, কথায় কথায় ফার্মেসি থেকে ওষুধ আনা আর শিশুকে খাইয়ে দেয়া যুক্তিযুক্ত নয়।
যে শিশুরা একটু বড় হয়েছে তাদের সুষম খাদ্য প্রয়োজন। খাবারের পাশাপাশি করোনা সম্পর্কে আতঙ্ক না দেয়া, আশার কথা বলা, গল্পে গল্পে খেলা, বই পড়াসহ নানা কাজে উৎসাহ দেয়া হতে পারে মজবুত কর্মপরিকল্পনা।
* চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুনঃ-সব চিকিৎসা ঘরে বসে হয় না। শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা। তাই, আপনার শিশুকে ভালো করে লক্ষ করুন। তার কান্নার ধরন পরিক্ষা করুন। বাহ্যিক অঙ্গভঙ্গি খেয়াল করুন।
যদি স্বাভাবিক মনে না হয়, ফোনে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এখন অনলাইনে অনেক বিশেষজ্ঞ এই সেবা দিচ্ছেন। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এটি নিশ্চিত যে, শিশুর প্রতি আপনার ধারণামূলক চিহ্নিত রোগ এবং দোকান থেকে আনা ওষুধ যে কোনো সময় যে কোনো মারাত্মক ক্ষতি করে দিতে পারে। কোনো চিন্তা না করে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন, ভালো ফল পাবেন।
* সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করুনঃ-
করোনার এ সময়টাতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করুন। সামাজিক দূরত্ব বলতে পরিবারের সদস্যদের দূরত্ব নয়, বরং অন্য স্থান থেকে বেড়াতে আসা আত্মীয়দের থেকে কিছুদিন দূরত্ব মেনে চলুন আপনার ও বাচ্চার নিরাপত্তার জন্য।
তাদের সবকিছু বুঝিয়ে বলুন। বর্তমান রোগ সম্পর্কে জানান। সবার ভালো থাকার উপায়গুলো আলোচনা করুন, দেখবেন তারাও আস্তে আস্তে বুঝে যাবে এবং অন্যকে শিখাবে। বিশেষ প্রয়োজনে কোথাও যেতে হলে ৬ ফুট দূরত্বে থাকুন। জনসমাগমমূলক স্থানগুলোতে শিশুকে না নেয়াটা সঠিক সিদ্ধান্ত। ঘরে থেকে থেকে শিশুরা যদি অস্থির হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে খোলা জায়গায় যেখানে মানুষের কোলাহল নেই সেখানে ঘুরিয়ে আনতে পারেন। তবে, এক্ষেত্রে আপনাকেই ভ্রমণস্থান, বাহন, খাবার-দাবার, পরিবেশ-পরিস্থিতি নিশ্চিত করে নিতে হবে।
* বুকের দুধ খাওয়ানঃ-
যেহেতু ছোট বাচ্চারা কথা বলতে পারে না সেহেতু যে কোনো সমস্যায় তারা উচ্চস্বরে কাঁদে। এই কান্না নিয়ে অনেকে আপনার কান ভারী করে দিতে পারে। কখনও কখনও কুসংস্কারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে উৎসাহ দিতে পারে। কখনওবা আপনাকে ভুল পথে চালনা করতে পারে। সেক্ষেত্রে যদি আপনি কিছু না জানেন তাহলে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এখন অনলাইনে অনেক অ্যাপ পাওয়া যায় যাতে সবকিছু বিস্তারিত রয়েছে, ডাউনলোড করে নিতে পারেন, কিছুটা হলেও ভালো-মন্দ বুঝতে পারবেন। মনে রাখবেন, মায়ের বুকের দুধের কোনো বিকল্প নেই। সব রোগের প্রাথমিক ও মহৌষুধ এটি। কারণ এতে রয়েছে প্রোটিন, ফ্যাট, আয়রন, ভিটামিনসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তাই, কোনো ক্রমেই বুকের দুধ খাওয়া বন্ধ নয়।
* মাস্ক নয়, ফেসশিল্ড ব্যবহার করুনঃ-
যেখানে বড়রাই নাকে-মুখে মাস্ক পরে দিশেহারা সেখানে আপনার সন্তানকে নিয়ে কি ভেবে দেখেছেন? জেনে রাখুন, নবজাতকের শ্বাস-প্রশ্বাস হয় খুব ছোট ছোট। আবার ২ বছর বয়স পর্যন্ত কোনো শিশুকে মাস্ক পরানোও উচিত নয়।
দরকারের ভিত্তিতে বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে, বাচ্চার তাওয়াল শরীরে ও মাথায় সুন্দর করে পেঁচিয়ে ফেসশিল্ড পরান। করোনার এ সময়ে শিশুর টিকায় নিস্তব্ধ হয়ে থাকাটা সম্পূর্ণ বোকার পরিচয় দেয়া। রোগ প্রতিরোধের জন্য এই টিকা সময়মতো দিতে হয়। যে শিশুরা বেশ বড়, তাদের জন্য বেবি মাস্ক রয়েছে। পছন্দমতো রং ও নকশা দেখে কিনে নিন। তবে মাস্কের মান ও গ্রহণযোগ্যতায় খেয়াল রাখা উচিত।
* হাত ধোয়ার অভ্যাস করানঃ-
শিশু যখন হামাগুড়ি দিতে শেখে তখনই তার হাত দিয়ে এটা সেটা ধরে। তাই, তার হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করুন। জীবাণু ধ্বংসে বিভিন্ন বেবি সোপ ব্যবহার করতে পারেন। এভাবে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সব কিছু শেখাতে পারলে হয়তো এই শিশুরাই এক সময় বড় হয়ে অনেক সচেতন হয়ে উঠবে। আজ থেকে নিজেদের সুস্থতার পাশাপাশি শিশুর সুস্থতাও নিশ্চিত করুন।পরিশেষে  আশা করি ভালো থাকব আমরা, ভালো থাকবে আমাদের শিশুরা। অনিশ্চিত এ যাত্রায় ঘরে থাকি, সুস্থ থাকি, শিশুদের যত্নে রাখি।
লেখক : কো-চেয়ারম্যান, হোমিও বিজ্ঞান গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র 
 

রিটেলেড নিউজ

ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে রোগাক্রান্ত হওয়ার কারণ ও প্রতিকার   

ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে রোগাক্রান্ত হওয়ার কারণ ও প্রতিকার   

আমাদের ডেস্ক : : ডা.মুহাম্মদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ : শীতের আগমন ঘটেছে আমাদের বাংলাদেশে। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথেই আ...বিস্তারিত


ঘুরে আসুন সাজেক, খেয়াল রাখবেন কিছু বিষয়ে

ঘুরে আসুন সাজেক, খেয়াল রাখবেন কিছু বিষয়ে

আমাদের ডেস্ক : : মোহাম্মদ ওমর ফারুক দেওয়ান :: মেঘ ও পাহাড়ের লুকোচুরি খেলার এক অনিন্দ নিসর্গ সাজেক। প্রকৃতি এখানে প...বিস্তারিত


বিদ্যার সাগর ও সমাজ সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্রের দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী

বিদ্যার সাগর ও সমাজ সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্রের দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী

মুহাম্মদ রুশনী মোবারক, পটিয়া : : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০–২৯ জুলাই ১৮৯১) ছিলেন উনিশ শতকের একজন পণ্ডিত, শিক্ষাব...বিস্তারিত


ছোট করে দেখা যাবে না জ্বরকে

ছোট করে দেখা যাবে না জ্বরকে

আমাদের ডেস্ক : : ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে জ্বর-সর্দিজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অত্যধিক শরীর ব্যথা।...বিস্তারিত


করোনাকালে সর্দি-কাশি জ্বরের  রোগীরা চিকিৎসা সংকটে 

করোনাকালে সর্দি-কাশি জ্বরের  রোগীরা চিকিৎসা সংকটে 

এস.এম.সালাহউদ্দীন, আনোয়ারা  : : সারাদেশ এখন এখন করোনা ভাইরাস আতঙ্ক বিরাজ করছে। এর বাইরে আরেক উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সামনে এসেছে। তা...বিস্তারিত


করোনা যত বৃদ্ধি পাচ্ছে   হৃদরোগ রোগীরা  চিকিৎসা আতষ্কে   

করোনা যত বৃদ্ধি পাচ্ছে   হৃদরোগ রোগীরা  চিকিৎসা আতষ্কে   

ডা.মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ : বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারি একটি অন্যতম আতঙ্কের নাম  করোনাভাইরাসের প্রকোপ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

আসন্ন পটিয়া পৌর নির্বাচনে দল চাইলে মেয়র পদে প্রার্থী হবেন তৌহিদুল আলম

আসন্ন পটিয়া পৌর নির্বাচনে দল চাইলে মেয়র পদে প্রার্থী হবেন তৌহিদুল আলম

পটিয়া প্রতিনিধি : : বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার্স এসোসিয়েশনের কেন্দ্রিয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পটিয়া ...বিস্তারিত


আসন্ন পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বড় দুই দল সহ অনেকই মনোনয়ন দৌড়ে

আসন্ন পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বড় দুই দল সহ অনেকই মনোনয়ন দৌড়ে

মুহাম্মদ রুশনী মোবারক, পটিয়া : : আগামী নভেম্বর ২০২০ ইং মাস থেকে ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হবে, চলবে জানুয়ারি-ফেব্রুয়...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর