শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮:৫১ পিএম, ২০২৬-০৫-১৩
সরকারি আদেশ মানেই যেন মগের মুল্লুক! গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট বদলি আদেশকে তোয়াক্কা না করে মাসের পর মাস চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)-তে রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন উচ্চমান সহকারী মোঃ হারুন-অর-রশীদ,গত ২১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে জারিকৃত (স্মারক নম্বর: ৯৩) এক আদেশে তাকে অবিলম্বে সিলেটে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি কোন খুঁটির জোরে এখনো চট্টগ্রামে বহাল তবিয়তে আছেন, তা নিয়ে খোদ সিডিএ-র ভেতরেই তোলপাড় শুরু হয়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৩ এর ৪০ নং অনুচ্ছেদ মোতাবেক জনস্বার্থে তাকে বদলি করা হয়েছিল, আদেশে স্পষ্টভাবে অবিলম্বে কার্যকর করার কথা উল্লেখ থাকলেও আজ সাত মাস পেরিয়ে গেছে একজন সাধারণ কর্মচারী হয়েও মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তকে এভাবে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো কেবল প্রশাসনিক চেইন অব কমান্ডের লঙ্ঘনই নয় বরং সরাসরি রাষ্ট্রীয় অবমাননার শামিল।
ঘটনার বিষয়ে জানতে হারুনের মুঠোফোনে কল দিলে কল রিসিভ করেনি পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে একাধিকবার টেক্সট দিও কোন সাড়া মিলেনি।
প্রশ্ন উঠেছে, হারুন অর রশীদকে কেন ছাড়ছে না সিডিএ কর্তৃপক্ষ? নাকি এর পেছনে রয়েছে বড় কোনো লেনদেন বা সিন্ডিকেট?
বদলির আদেশ হওয়ার পরও তিনি কীভাবে নিয়মিত হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করছেন?
তাকে স্বপদে বহাল রাখতে ওপরমহল থেকে কারা কলকাঠি নাড়ছেন? অথরাইজেশন-১ শাখায় তার উপস্থিতির পেছনে কোনো গোপন স্বার্থ জড়িত কি না,তা এখন বড় জিজ্ঞাসার বিষয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রশাসনের আদেশ অমান্য করা সরাসরি বিভাগীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ, সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করে আদেশ অমান্য করে এক জায়গায় পড়ে থাকার মাধ্যমে তিনি সিডিএ-র স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন, এই অনিয়মের দায়ভার শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতনদের ওপরও বর্তাবে।
পরবর্তী প্রতিবেদনে আসছে আদেশ অমান্য করার পেছনে থাকা অদৃশ্য শক্তির মুখোশ উন্মোচন।