ই-পেপার | মঙ্গলবার , ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
×

থানচিতে আফিম ক্ষেত ধ্বংস করলো বিজিবি

বান্দরবানে থানচিতে দুর্গম এলাকায় গহীন অরণ্যে বন জঙ্গল ও ঝিড়ি আশেপাশে চাষাবাদ স্থানে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ পপি (আফিম) ক্ষেত ধ্বংস করেছে বিজিবি। এ অভিযানে কাউকে আটক করা হয়নি।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারী) সকালে ৩৮ বিজিবি বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল খন্দকার মুহাম্মদ শরীফ-উল-আলম পিএসসির নেতৃত্বে বিজিবি টহল দল তিন্দু ইউনিয়নের কাইকা খুমী পাড়া আশেপাশে বন জঙ্গল ও ঝিড়িতে অভিযান চালিয়ে ৫ একর জুড়ে পাহাড়ি জমিতে চাষাবাদে পপি ক্ষেত ধ্বংস করা হয়েছে। অভিযানের বিষয়টি বুঝতে পেরে পপি চাষীরা পালিয়ে গেলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

বিজিবি সুত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানচিতে দুর্গম এলাকায় গহীন অরণ্যে মাদক দ্রব্য প্রস্তুতের অন্যতম উপাদান পপি চাষে ঝুঁকছে এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি এমন খবরে তিন্দু ইউনিয়নের গভীর অরণ্যে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান পপি খেত ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সুত্রে আরো জানা গেছে, এ অভিযানে মাধ্যমে থানচির তিন্দু ইউনিয়নের কাইকা খুমি পাড়া এলাকায় অনুমানিক ৫ একর জুড়ে পাহাড়ি জমিতে পপি চাষের ক্ষেত ধ্বংস করা হয়েছে। অভিযানের বিষয়টি বুঝতে পেরে পপি চাষীরা পালিয়ে যায়। কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে দিনব্যাপী বিপুল পরিমান পপি ক্ষেত ধংস করতে সক্ষম হয়।

এদিকে অভিযান শেষে ৩৮ বিজিবি বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল খন্দকার মুহাম্মদ শরীফ-উল-আলম সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত এলাকার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সেনা রিজিয়নের জোন হিসেবে ‘অপারেশন উত্তরণ’ এর আওতায় সেনাবাহিনী অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছে। থানচির তিন্দু কাইকা পাড়া এলাকায় এ অভিযানের ধ্বংসকৃত ৫ একর জমিতে চাষকৃত পপি প্রক্রিয়াজাতকরণের পর আনুমানিক ২৫০ কেজি আফিম উৎপাদিত হতো। যার আনুমানিক মূল্য এক কোটি সাতাশি লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা হবে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশের সীমান্ত ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা ছাড়াও চোরাচালান দমন, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ, দুর্গম পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে যথাযথ ও কার্যকরীভাবে পেশাদারিত্বের সাথে মাদক নির্মূলে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।থানচি উপজেলার গহীন অরণ্যে আরো কোন পপি ক্ষেত আছে কিনা সে ব্যাপারে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এধরনে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।