ই-পেপার | বৃহস্পতিবার , ২৬ জানুয়ারি, ২০২৩
×

পেকুয়া সড়কে পড়ে থাকা সাতকানিয়ার এক নারীর মরদেহ উদ্ধার

পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বাজার পাড়া এলাকা হতে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

কক্সবাজার হতে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে ওই নারীর পরিচয় সনাক্ত করেছেন। থানাসূত্র জানায়, নিহত নারীর নাম আমেনা বেগম (৬৫)। তিনি সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মৃত নূর আহমদের মেয়ে।

থানা পুলিশ, স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানাযায়, ৯ নভেম্বর দুপুর ১২ টার দিকে মগনামা বাজাপাড়া এলাকার বানৌজা শেখ হাসিনা সড়কের জাফর মাস্টারের বাড়ীর পাশে একজন নারীকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা প্রথমে চেয়ারম্যানকে খবর দেয়। পরে চেয়ারম্যান বিষয়টি পেকুয়া থানা পুলিশের কাছে জানালে পুলিশ দেড়টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর মিন্নত আলী বলেন, “দিন দুপুরে রাস্তার পাশে এক নারীর লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় চেয়ারম্যান আমাদেরকে খবর দিলে আমরা দেড়টার দিকে ঘটনাস্থলে এসেই সিআইডিকে খবর দেয়া হয়। পরে বিকেল ৫টার দিকে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট এসে লাশের পরিচয় সনাক্ত করেন।”

স্থানীয় বাজার ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “১৫-২০ দিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারীকে স্টেশনে ঘুরাঘুরি করতে দেখেছি। ৯ নভেম্বর দুপুর ১২ টার দিকে স্টেশনের অদূরে হঠাৎ রাস্তার পাশে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে আমরা চেয়ারম্যান, মেম্বার ও থানা পুলিশকে খবর দেই।”
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী বলেন,“স্থানীয়রা বিষয়টি জানানোর পরে আমরা থানা পুলিশের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলে যাই। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্যমতে ওই নারী একজন মানসিক বাক প্রতিবন্ধী ছিলেন। আজকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরাও প্রাথমিক তদন্তে তাই দেখেছেন বলে জানতে পেরেছি।” এ বিষয়ে জানতে চাইলে পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. ফরহাদ আলী বলেন, “আমেনা বেগম নামের এক নারীর লাশ মগনামার বাজারপাড়া থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ ও সিআইডি যৌথভাবে বিষয়টি তদন্ত করছেন। লাশের পরিচয় সনাক্ত হওয়ার পর তার স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে।
এদিকে খবর পেয়ে স্থানীয় ক্রীড়াবিদ মোহাম্মদ আজম দাফন কাফনের জন্য আর্থিক সহায়তা দেন। এসময় তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে সকলের প্রতি অনুরোধ করেন৷